যুগান্তর রিপোর্ট    |    
প্রকাশ : ১৮ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০:০০ | অাপডেট: ১৮ মার্চ, ২০১৭ ০১:২১:০৩
র‌্যাব ব্যারাকে আত্মঘাতী জঙ্গি
বিস্ফোরণে হামলাকারী নিহত : আহত র‌্যাবের দু’সদস্য : আইএসের দায় স্বীকার -দাবি কথিত আমাক নিউজ এজেন্সির
ঢাকার আশকোনায় র‌্যাবের অস্থায়ী ব্যারাকে শুক্রবার আত্মঘাতী বিস্ফোরণে এক জঙ্গি নিহত হওয়ার পর ঘটনাস্থল ঘিরে রাখে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট - যুগান্তর
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আত্মঘাতী জঙ্গি বিস্ফোরণ ঘটনার একদিন পার না হতেই শুক্রবার একই ধরনের ঘটনা ঘটল ঢাকায়। তাও আবার রাজধানীর বিমানবন্দর সংলগ্ন প্রস্তাবিত র‌্যাব সদর দফতরের অস্থায়ী ব্যারাকে। নি-িদ্র নিরাপত্তা ব্যূহ ভেদ করে দেয়াল টপকে ঢুকে পড়ে তরুণ এক জঙ্গি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই সে সঙ্গে থাকা সুইসাইড ভেস্টের বিস্ফোরণ ঘটায়। শক্তিশালী বোমার বিস্ফোরণে মুহূর্তে আত্মঘাতী জঙ্গির দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। আহত হন র‌্যাবের দু’জন সদস্য। দুপুরে উদ্বেগজনক এ ঘটনার পর সন্ধ্যায় ঘটনার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয় তথাকথিত ইসলামিক জঙ্গি স্টেট গোষ্ঠী আইএস। তাদের সংবাদমাধ্যম আমাক নিউজ এজেন্সির মাধ্যমে এ দাবি করা হয়।

এদিকে ঘটনার পূর্বাপর বিশ্লেষণ করে আইনশৃংখলা বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায় থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এ ঘটনার সঙ্গে জঙ্গি কোনো গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। যারা আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এখানে বড় ধরনের নাশকতা ঘটাতে চেয়েছিল।

ঘটনার পর পুলিশের মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক ও র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করার পাশাপাশি জড়িতদের চিহ্নিত করতে তাৎক্ষণিকভাবে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। র‌্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, এটি কোনো জঙ্গিগোষ্ঠীর কাজ হতে পারে। তবে বিস্তারিত তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা মতে, শুক্রবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে ঘটনাটি ঘটেছে। হঠাৎ তারা ওই এলাকায় বিকট শব্দ শুনতে পান। প্রথমে তাদের কাছে মনে হয়েছিল হয়তো গাড়ির টায়ার ফেটে গেছে। কিন্তু কিছুক্ষণ পর তারা জানতে পারেন র‌্যাবের ব্যারাকের মধ্যে বড় ধরনের বিস্ফোরণে এক যুবক মারা গেছে। তখন জুমার নামাজের খুতবা চলছিল।

‘আত্মঘাতী’ বিস্ফোরণ ঘটনায় নিহত যুবকের শরীর ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। যার বয়স আনুমানিক ২৫-২৬ হবে। তার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় কনস্টেবল আরিফ এবং ল্যান্স কর্পোরাল মিজান নামে দু’জন র‌্যাব সদস্য আহত হন।

র‌্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের সীমানা প্রাচীরের পূর্ব দিকের দেয়াল (হাজী ক্যাম্পের পশ্চিম পাশের সীমানা দেয়াল) টপকে এক তরুণ ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর কয়েকজন র‌্যাব সদস্য যেখানে পানির চৌবাচ্চায় গোসল করছিলেন সেখানে এসে ঘুরাফেরা করতে থাকে। অপরিচিত এবং তার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় উপস্থিত র‌্যাব সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করলে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই সে বিস্ফোরণ ঘটায়। ধারণা করা হচ্ছে, তার কোমরে বোমা বাঁধা ছিল। যাকে বলা হয় সুইসাইড ভেস্ট। যেটি আত্মঘাতী জঙ্গিরা ব্যবহার করে। জানা যায়, দুটি বোমা ছিল। যার একটি বিস্ফোরণ ঘটে। বোমাটি ছিল খুবই শক্তিশালী। ওই সময় র‌্যাবের বেশির ভাগ সদস্য নিকটস্থ মসজিদে জুমার নামাজে ছিলেন। তা না হলে ব্যাপক প্রাণহানির সম্ভাবনা ছিল। কেননা বিস্ফোরিত বোমার অসংখ্য স্পি­ন্টার ৫০ থেকে ৬০ গজ দূরে গিয়েও পড়ে। স্পি­ন্টারের আঘাতে ব্যারাকে পার্ক করা প্রাইভেট কারের সামনের গ্লাস ভেঙে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে র‌্যাব ও পুলিশসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের পদস্থ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন।

ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে র‌্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিট কাজ শুরু করে। ঘটনাস্থল থেকে কালো ব্যাগে থাকা একটি বোমা উদ্ধার করা হয়। পরে র‌্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিট বেলা সাড়ে ৩টার দিকে সেটি নিষ্ক্রিয় করে।

ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এর পাশাপাশি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) টিমও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। সন্ধ্যায় আসেন পুলিশের মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক ও র‌্যাব মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ। তবে ফিরে যাওয়ার সময় তারা গণমাধ্যমে কোনো কথা বলেননি।

এর আগে বিকালে র‌্যাবের মিডিয়া অ্যান্ড লিগ্যাল উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান সাংবাদিকদের বলেন, আত্মঘাতী তরুণ কোনো জঙ্গি দলের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি। অজ্ঞাত পরিচয় ওই তরুণের হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। ওই তরুণের গায়ে ছিল কালো পাঞ্জাবি।

বিমানবন্দর থানার ওসি নূরে আজম মিয়া যুগান্তরকে বলেন, এক ব্যক্তি দেয়াল টপকে র‌্যাবের প্রস্তাবিত সদর দফতরের ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় সেখানে গোসল করছিলেন কয়েকজন র‌্যাব সদস্য। তারা ওই ব্যক্তিকে চ্যালেঞ্জ করলে আত্মঘাতী যুবক নিজের সঙ্গে থাকা বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় দুই র‌্যাব সদস্য আহত হন।

র‌্যাবের প্রস্তাবিত সদর দফতরের বিপরীত পাশের চা দোকানদার সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, দুপুর ১টার দিকে এ এলাকা পুরোটাই ফাঁকা ছিল। ওই সময় আশপাশের অধিকাংশ লোকজনই হাজী ক্যাম্প মসজিদে নামাজের জন্য যান। ফুটপাতেও তেমন কোনো লোকজন ছিলেন না। তিনি তখন দোকানেই ছিলেন। দুপুর সোয়া ১টার একটু আগে হঠাৎ করে তিনি বিকট শব্দ পান। এ সময় পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। লোকজন ভয়ে এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করতে থাকেন। তিনি প্রথমে ধারণা করেছিলেন হয়তো গাড়ির গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটেছে। কিছুক্ষণ পর তিনি জানতে পারেন র‌্যাবের প্রস্তাবিত সদর দফতরের ভেতরে একজনের ছিন্নভিন্ন লাশ পড়ে আছে। কি ঘটেছে তা দেখার জন্য ভেতরে প্রবেশ করতে চাইলে তাকে বাধা দেয়া হয়।

ঘটনার সময় হাজী ক্যাম্পে খুতবা চলছিল বলে জানান মিজান আহমেদ নামে এক মুসল্লি। তিনি যুগান্তরকে বলেন, দুপুর ১টা ২০ মিনিটে নামাজ শুরু হয়। এর আগেই বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় মসজিদের মুসল্লিরাও আতংিকত হয়ে পড়েন। অনেকে তখন ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে মসজিদ থেকে বের হয়ে যান।

বিমানবন্দর গোল চত্বর থেকে ২০০ গজ দূরে র‌্যাবের প্রস্তাবিত সদর দফতর। এর চারদিকেই রয়েছে সীমানা দেয়াল। কোথাও কোথাও ইটের দেয়াল আবার কোথাও টিনের দেয়াল রয়েছে। হাজী ক্যাম্পের পশ্চিম পাশে যে দেয়াল রয়েছে সেটি অপেক্ষাকৃত নিচু। ধারণা করা হচ্ছে, যুবকটি ওই দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করেছে। তবে তা নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারেননি।

ব্যারাকে থাকেন এমন এক র‌্যাব সদস্য যুগান্তরকে বলেন, প্রস্তাবিত সদর দফতরের যে জায়গা সেখানে কয়েক মাস ধরে নির্মাণ কাজ চলছে। সেখানে অনেক শ্রমিক কাজ করছেন। তারা অবাধেই যাতায়াত করছেন। ওই তরুণ এ সুযোগও নিয়ে থাকতে পারে।

এদিকে ঘটনার পর পুলিশ ও র‌্যাবের পক্ষ থেকে আশপাশের এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালানো ছাড়াও তদন্তে প্রযুক্তিগত সহায়তা নেয়া হয়। এক র‌্যাব কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ঘটনার সময় আশপাশে হামলাকারী যুবকের আরও কোনো সহযোগী ছিল কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সেজন্য ওই সময় আশপাশের এলাকায় ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের কললিস্ট সংগ্রহ করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে র‌্যাব কর্মকর্তা মুফতি মাহমুদ খান এ বিষয়ে যুগান্তরকে বলেন, তদন্তের প্রয়োজনে যা প্রয়োজন সব কিছু করা হচ্ছে। আশপাশে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেও বিশ্লেষণ করা হবে।

ব্যারাক উড়িয়ে দেয়ার পরিকল্পনা : পুলিশের জঙ্গি দমন বিভাগের এক কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে যুগান্তরকে বলেন, তাদের ধারণা ওই তরুণ সুইসাইডাল ভেস্টে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। তার টার্গেট ছিল অস্থায়ী ব্যারাকে হামলা করে একাধিক র‌্যাব সদস্যকে হত্যা করা। এভাবে আইনশৃংখলা বাহিনীর মনোবল দুর্বল করে দেয়ার পাশাপাশি গণমাধ্যমে বড় কাভারেজ নেয়া। তিনি বলেন, এ ধরনের সুইসাইডাল ভেস্ট সাম্প্রতিক সময়ে নব্য জেএমবির আত্মঘাতী জঙ্গিরা ব্যবহার করছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের সময় একই ধরনের সুইসাইডাল ভেস্টের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নারীসহ চার জঙ্গি আত্মাহুতি দিয়েছে।

পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট ও র‌্যাব কর্মকর্তারা বলছেন, হামলার ধরন দেখে তাদের মনে হচ্ছে এটি নব্য জেএমবির কাজ এবং খুবই পরিকল্পিত হামলা। তবে শুরুতেই র‌্যাব সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করার কারণে জঙ্গি হামলার টার্গেট সফল হতে পারেনি।

ফের আত্মঘাতী হামলা কেন : কারণ যাই হোক না কেন সাম্প্রতিক সময়ে নব্য জেএমবির জঙ্গিরা সুইসাইডাল ভেস্টের মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করছে। এর আগে তারা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যার পথ বেছে নেয়। গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলা করে একেবারে আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে। এখন তৃতীয় ধাপে সাম্প্রতিক সময়ে শুরু হয়েছে সুইসাইডাল ভেস্টের মাধ্যমে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ। গত বছর ডিসেম্বরে আশকোনায় হাজী ক্যাম্পের পাশের একটি বাড়িতে সুইসাইডাল ভেস্টের মাধ্যমে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটায় এক নারী। এরপর বুধবার রাতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দুটি জঙ্গি আস্তানার একটিতে অভিযান চালানোর সময় আত্মঘাতী বিস্ফোরণে এক নারীও শিশুসহ ৫ জন নিহত হয়। এরপর শুক্রবার ফের একই কায়দায় আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল র‌্যাব ক্যাম্পে।

সুইসাইডাল ভেস্ট কী : এটি দেখতে ফতুয়া বা হাতাকাটা গেঞ্জির মতো। এটা বেল্টের মতোও হয়, যা জঙ্গি-সন্ত্রাসী আত্মঘাতী হামলা চালাতে ব্যবহার করে। এ পোশাক থাকে বিস্ফোরক ভর্তি। ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে মিরপুরের একটি জঙ্গি আস্তানা থেকে কয়েকটি সুইসাইডাল ভেস্ট উদ্ধার করেছিল পুলিশ। এছাড়া চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর ঘাঁটি বানৌজা ঈসা খাঁনের ভেতরে বানৌজা পতেঙ্গা মসজিদে বিস্ফোরণের পর আটক আবদুল মান্নানের কাছ থেকে বোমাসহ কয়েকটি সুইসাইডাল ভেস্ট উদ্ধার করা হয়।

আইএসের দায় স্বীকার -বিবিসি : ঢাকায় র‌্যাবের একটি অস্থায়ী ক্যাম্পে আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে তথাকথিত ইসলামিক স্টেট (আইএস)। আইএসের সংবাদ মাধ্যম ‘আমাক’-এ জানানো হয়েছে ঢাকায় র‌্যাবের একটি সামরিক ক্যাম্প লক্ষ্য করে একজন আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী হামলা চালিয়েছে। মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামের মাধ্যমে এ হামলার ঘটনার দায় স্বীকার করেছে আইএস। শুক্রবার জুমার নামাজের সময় র‌্যাবের একটি অস্থায়ী শিবির লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালানো হয়। এতে এক যুবক নিহত হয়। হামলায় দু’জন র‌্যাব সদস্য আহত হয়েছেন।


 
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by