•       কোনো দলকে নির্বাচনে আনতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করবে না নির্বাচন কমিশন: সিইসি
হাসিব বিন শহিদ    |    
প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:০০:০০ | অাপডেট: ১৮ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:১৯:২৫
এক যুগ ধরে সাক্ষী অনুপস্থিত
ঝুলছে তিন হাজার মামলা
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত : সংশ্লিষ্টদের ‘ম্যানেজ’ করে সাক্ষীদের অনুপস্থিতি নিশ্চিত করার অভিযোগ * জামিন পাচ্ছেন গুরুতর অপরাধের আসামিরা * একেকটি মামলায় শতাধিক দফা সময় চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ
শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ থানার পুটিয়া তালুবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম ওরফে সায়েদুল। ২০০১ সালের সেপ্টেম্বরে রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় অস্ত্রসহ গ্রেফতার হন তিনি। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সায়েদুলের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে তেজগাঁও থানায় ৯২(৯)০১ নম্বর মামলাটি দায়ের করে। তদন্ত শেষে ২০০২ সালের জানুয়ারিতে আদালতে এ মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করা হয়। ২০০২ সালের ২৮ এপ্রিল মামলাটির একমাত্র আসামি সায়েদুলের বিরুদ্ধে চার্জ (অভিযোগ) গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করেন আদালত। চার্জ গঠনের ১৫ বছর পরও অদ্যাবধি কোনো সাক্ষীই আদালতে সাক্ষ্য দেননি। চার্জশিটে মামলার বাদী তেজগাঁও থানার তৎকালীন এসআই তরিকুল ইসলাম ও তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) এসআই মোমিনুল ইসলামসহ পুলিশের ছয় সদস্য ও তিন পথচারীকে মামলার সাক্ষী করা হয়। আদালতে সাক্ষ্য না দেয়ায় ইতিমধ্যেই তাদের বিরুদ্ধে ‘অজামিনযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা’ জারি করেছেন আদালত।

গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরও কোনো সাক্ষীকে আদালতে হাজির করতে পারছেন না দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তারা। এ মুহূর্তে ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন ওই মামলায় কয়েক বছর ধরে সময় আবেদন করে চলেছে রাষ্ট্রপক্ষ। আর আদালতও তা মঞ্জুর করে সাক্ষী হাজিরের জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করছেন। ইতিমধ্যেই সাক্ষী হাজিরের জন্যই এই আদালতে শতাধিক দফা তারিখ পড়েছে। এর আগে মামলাটি অন্য আদালতে থাকা অবস্থায়ও একইভাবে অসংখ্য দফায় সাক্ষী হাজিরার তারিখ পড়েছে। এভাবেই প্রায় ১৬ বছর ধরে ঝুলে আছে মামলাটির বিচার কাজ। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর আসামি সায়েদুল বর্তমানে জামিনে আছেন।

মামলাটির নথি ঘেঁটে পাওয়া গেছে উল্লিখিত সব তথ্য। শুধু এই মামলায়ই নয়, ঢাকা মহানগর দায়রা জজশিপের ১৬টি আদালতে সাক্ষীর অভাবে প্রায় তিন হাজার মামলার বিচার কাজ এক যুগের বেশি সময় ধরে ঝুলে আছে। এর মধ্যে ২৩ বছরের পুরনো মামলাও রয়েছে। এসব মামলায় বারবার নির্ধারিত তারিখে সাক্ষীদের হাজির করতে ব্যর্থ হচ্ছে পুলিশ। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাক্ষী খুুঁজে পাওয়া যাচ্ছে কিনা- তা প্রতিবেদন দিয়ে আদালতকে জানানো হয় না। কখনও কখনও ‘ঠিকানা অনুসারে সাক্ষীদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না’- এ মর্মে আদালতে দায়সারা প্রতিবেদন দাখিল করা হচ্ছে। ফৌজদারি আইনের ১৭১(২) উপধারায় বলা আছে, সাক্ষী হাজির করা পুলিশের কাজ। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রেই আসামি পক্ষ সংশ্লিষ্টদের ‘ম্যানেজ’ করেই সাক্ষীদের আদালতে হাজির না করার ব্যবস্থা করেন। আর সাক্ষী হাজির না হওয়ায় যাবতীয় সুবিধা পাচ্ছে আসামি পক্ষ। কারণ বছরের পর বছর বিচারাধীন থাকায় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করা দুরূহ হয়ে পড়ে রাষ্ট্রপক্ষের।

জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বুধবার যুগান্তরকে বলেন, যেসব পুলিশ কর্মকর্তা আদালতে সাক্ষী হাজিরের ক্ষেত্রে গাফিলতি করছেন- সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিশেষ করে মামলা করে যেসব পুলিশ সদস্য আদালতে সাক্ষী দিতে উপস্থিত হচ্ছে না- তাদের কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হবে না। যে কোনো মামলায় বিচার কাজ দীর্ঘ হোক, এটা কারই কাম্য নয়। অনুসন্ধানে জানা গেছে, সায়েদুলের বিরুদ্ধে দায়ের করা অস্ত্র মামলার বাদী তেজগাঁও থানার তৎকালীন এসআই তরিকুল ইসলাম, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) এসআই মোমিনুল ইসলাম, মামলা রেকর্ড কর্মকর্তা (আরও) এসআই মো. হাবিবুর হক প্রধান, কনস্টেবল আবদুল আজিজ (নং ২৫৩৭), হাসেম আলী (নং ৬৭৭২), কামরুজ্জামান (নং ১১৪০৪), চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার পূর্ব আলোনিয়া গ্রামের মো. রুহুল আমিন, মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার বাগাকান্দি গ্রামের মো. আসাদ বেপারি ও চাঁদপুর জেলার সদর থানার বাকেরপুর গ্রামের মোস্তফা- কেউই এ দীর্ঘ সময়ে আদালতে সাক্ষ্য দেননি। ওই পুলিশ সদস্যদের খোঁজ নিতে তেজগাঁও থানায় যোগাযোগ করা হলে থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম বুধবার যুগান্তরকে বলেন, মামলাটি অনেক পুরনো। সাধারণত একটি থানায় দুই থেকে তিন বছরের বেশি সময় কোনো কর্মকর্তা কর্মরত থাকেন না। বদলি হয়ে অন্যত্র চলে যান। ওই সব কর্মকর্তা ও কনস্টেবলও বদলি হয়ে অন্যত্র চলে গেছেন। তবে পুলিশের কোন সদস্য কোথায়, কবে বদলি হয়ে যাচ্ছেন- তা রাজধানীর রাজারবাগে পুলিশের এসিআরও শাখায় লিপিবদ্ধ থাকে।

এদিকে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন আদালতের পৃথক ৩০টি হত্যা ও অস্ত্র মামলার নথি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ওইসব মামলায় সাক্ষী হিসেবে ১০০ জনের বেশি পুলিশ সদস্য ও ২৭০ জনের বেশি সাধারণ সাক্ষীকে খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ। প্রতিটি মামলার চার্জশিটে সাক্ষীদের স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা উল্লেখ রয়েছে। আদালত প্রথমে সাক্ষীদের ওই ঠিকানা অনুসারে সমন পাঠানোর আদেশ দেন। পরে তাদের বিরুদ্ধে অজামিনযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এক যুগেও একজনেরও সাক্ষ্য হয়নি- এমন মামলার নজিরও অসংখ্য। ফলে এসব মামলার ভবিষ্যৎ এক রকম অনিশ্চিত বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের। তাদের মতে, সাক্ষীর অভাবে একদিকে গুরুতর অপরাধের আসামিরা জামিনে মুক্ত হয়ে যাচ্ছেন। অপরদিকে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ায় অনেক আসামি বিনা বিচারে বছরের পর বছর কারাগারে পার করছেন।

ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি কাজী নজিবুল্লাহ হিরু যুগান্তরকে বলেন, সাধারণত মাদক ও অস্ত্র মামলার ক্ষেত্রে পুলিশ চার্জশিটে ভাসমান লোকদের সাক্ষী করে। ফলে তাদের (সাক্ষী) খুঁজে পাওয়া যায় না। অনেক সাক্ষী আছেন, যারা পরবর্তী সময়ে সাক্ষ্য দিতে রাজিও হন না। এছাড়া পুলিশের কিছু খামখেয়ালি আছে। থানা পুলিশ সাক্ষীদের প্রতি সমন গেলে আগ্রহ দেখানোর চেয়ে ওয়ারেন্ট নিয়ে খুব বেশি ব্যস্ত থাকেন। থানায় সমন গেলে তারা (পুলিশ) বিষয়টাকে খুব একটা বেশি পাত্তাই দিতে চায় না। আবার বিশিষ্ট সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সাধারণ সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিতে ভয় পায়। সেজন্য চাঞ্চল্যকর মামলাগুলোয় দিনের পর দিন সাক্ষী হচ্ছে না। আমাদের দেশে সাক্ষীদের ‘সুরক্ষার’ ব্যবস্থা নেই। এমনও দেখা গেছে, সাক্ষী দিয়ে আদালত থেকে বের হয়ে রাস্তায় গিয়েছে, আর ওই সাক্ষীকে মেরে ফেলা হয়েছে- এমন নমুনাও রয়েছে। এছাড়া কিছু কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের ‘ম্যানেজ’ করে সাক্ষীর অনুপস্থিতি নিশ্চিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মূলত এসব কারণে সাক্ষী হাজির হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, মামলা বছরের পর বছর ঝুলে থাকায় সম্পূর্ণ দোষ পুলিশের নয়। একটি নির্দিষ্ট সময় পর সাক্ষী না এলে প্রতিটি বিচারকের ক্ষমতা দেয়া আছে তারা (বিচারক) মামলাগুলো নিষ্পত্তি করতে পারেন। এটা সম্পূর্ণই বিচারকের ওপর নির্ভরশীল। সিলেটের শিশু রাজন হত্যার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, পুলিশ-আইনজীবী-বিচারক মিলে ইচ্ছা করলেই বিচার কাজ দ্রুত হওয়া সম্ভব।

জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি মো. আবদুল্লাহ আবু যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন আদালতে সাক্ষী না এলে মামলা হালকা হয়ে যায়। এতে আসামিপক্ষ সুবিধা নেয়। সাক্ষী হাজিরের দায়িত্ব পুলিশের। আর মামলার চার্জশিট দেয়ও পুলিশ। তারাই নাম-ঠিকানা যাচাই-বাছাই চার্জশিটে সাক্ষীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। আবার সাক্ষী হাজিরের সময় হলে তারাই (পুলিশ) ঠিকানা অনুসারে ওই সব সাক্ষীকে খুঁজে পান না। সব ক্ষেত্রেই এ বিষয়টি মেনে নেয়া যায় না। তবে অনেক সময় সাক্ষী স্থান পরিবর্তন করায় তাদের নতুন ঠিকানা পাওয়া যায় না। ফলে তাদের সাক্ষ্য গ্রহণও আর সম্ভব হয় না। কিন্তু তাদের সন্ধান পুলিশের হাতের নাগালের বাইরে নয়। ঢাকা মহানগর দায়রা জজশিপের ১৬টি আদালতে মোট ৫০ হাজারের বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে ১০ বছরের অধিক সময় ধরে পুলিশ আদালতে সাক্ষী হাজির করতে ব্যর্থ হচ্ছে- এমন প্রায় ৫ থেকে ৭ শতাংশ (আড়াই থেকে সাড়ে তিন হাজার) মামলা রয়েছে। সাক্ষী হিসেবে এসব মামলায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যও আদালতে সাক্ষ্য দিতে হাজির হচ্ছেন না।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) জনসংযোগ শাখার উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, প্রতিটি সাক্ষীকে আদালতে হাজির করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়। তবে ঠিকানা পরিবর্তন করলে সে ক্ষেত্রে সাক্ষী খুঁজে পাওয়া যায় না। আবার তদন্ত কর্মকর্তারাও অনেক সময় বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকেন। দেখা যায়, যে সময়ে সাক্ষী দিতে আদালত থেকে সমন আসে, ততক্ষণে ওই কর্মকর্তা অন্যত্র বদলি হয়ে যান। সব কর্মকর্তাকে যথাযথ সময়ে মামলায় সাক্ষ্য দেয়ার নির্দেশনা দেয়া আছে। তবে বাস্তব প্রেক্ষাপটে ঠিক কতজন পুলিশ সদস্য আদালতে সাক্ষ্য দিচ্ছে না- এমন কোনো তথ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি।

২৩ বছরের পুরনো মামলা : ঢাকা মহানগরের একটি আদালতে মাদকদ্রব্য আইনে দায়ের করা একটি মামলা দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে বিচারাধীন রয়েছে। ১৯৯৪ সালের এপ্রিল মাসে রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় এ মামলাটি দায়ের করা হয়। যার নম্বর কোতোয়ালি থানা ৩০(০৪)৯৪। এ মামলার আসামি মেহেদী হাসান ইতিমধ্যেই জামিনে আছেন। ২০০২ সালের ১৯ আগস্ট এ মামলায় চার্জ গঠন করেন আদালত। আর চার্জ গঠনের পর ১৪ বছরে আট মাস পার হলেও অদ্যাবধি সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়নি। মোট ১১ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে। অবশিষ্ট সাক্ষীদের মধ্যে তৎকালীন ডিএমপির সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক শেখ মো. আলী হায়দার, সিআইডির আরেক পুলিশ পরিদর্শক পরিতোষ বণিক, কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার তুলা পুষকুরনী গ্রামের মো. শাহজাহান ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার শ্যামবাড়ী গ্রামের মো. ইউনুস চৌধুরী রয়েছে। বাকি ৬, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর সাক্ষীর নাম-ঠিকানা চার্জশিটে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়নি। সাক্ষ্য না আসায় যুগ যুগ ধরে ঝুলে আছে মামলাটির বিচার কাজ। এ মামলাটিও ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

অপর একটি মামলার নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, রাজধানীর লালবাগের বেগম বাজার এলাকার বাসিন্দা মো. মুকিম ওরফে জাফর। ২০০১ সালের আগস্টে রাজধানীর রমনা এলাকায় অস্ত্রসহ গ্রেফতার হন তিনি। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে জাফরের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে রমনা থানায় ৪৮(৮)০১ নম্বর মামলাটি দায়ের করে। তদন্ত শেষে ২০০২ সালে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়। ২০০২ সালের ১৪ নভেম্বর মামলার একমাত্র আসামি জাফরের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন আদালত। চার্জ গঠনের ১৪ বছর পার হলেও অদ্যাবধি ৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ বাকি রয়েছে। দীর্ঘদিন কারাভোগের পর জাফর বর্তমানে জামিনে আছেন। এই মামলাটিও ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন।


 
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by