•       অতি উৎসাহী হয়ে সরকার ও আমলাতন্ত্রের জন্য বিব্রতকর কিছু না করতে কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের প্রতি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের আহ্বান
কোর্ট রিপোর্টার    |    
প্রকাশ : ২০ জুন, ২০১৭ ০০:০০:০০
সাফাতসহ পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ
রাজধানীর বনানীর ‘দ্য রেইনট্রি’ হোটেলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) গ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আগামী ৯ জুলাই এ মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ (অভিযোগ) গঠন সংক্রান্ত শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।
সোমবার ঢাকার দুই নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সফিউল আজম মামলার চার্জশিট গ্রহণ করে এ আদেশ দেন। চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন- আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদ, তার দুই বন্ধু নাঈম আশরাফ ওরফে এইচএম হালিম ও সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন ও দেহরক্ষী রহমত আলী।
আদালত সূত্র জানায়, চার্জশিটে আসামি সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফের বিরুদ্ধে দুই তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ এবং অপর তিন আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে শুধু দেহরক্ষী রহমত আলী ছাড়া বাকি সবাই ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমানে সব আসামি কারাগারে রয়েছেন। গত ৮ জুন ঢাকা মহানগর পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের পুলিশ পরিদর্শক ইসমত আরা এমি তদন্ত শেষে এ চার্জশিট দাখিল করেন। পরে তা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে বদলি করা হয়। গত ১২ জুন মামলার নথি ট্রাইব্যুনালে প্রাপ্তির পর বিচারক অভিযোগ আমলে নেয়ার শুনানির দিন ধার্য করেছিলেন। সেই অনুযায়ী আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয়ার জন্য সোমবার দিন ধার্য ছিল। এদিন আসামিদের কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
চার্জশিটে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও সহায়তার অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে- এই মর্মে আসামিদের কৃত অপরাধের বিচার হওয়া প্রয়োজন এবং বিচার প্রক্রিয়া শেষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
চার্জশিটে বলা হয়েছে, এ মামলায় সব আসামি গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে কারাগারে আছেন। প্রধান আসামি সাফাতের দেহরক্ষী ছাড়া সবাই ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার পারিপার্শ্বিকতা, উদ্ধারকৃত আলমত ও সাক্ষীদের জবানবন্দি ছাড়াও সার্বিক তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও সহায়তার অভিযাগ প্রমাণিত হয়েছে। আসামিদের দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সাফাত ও নাঈম ধর্ষণে সরাসরি অংশ নেন এবং অন্য তিনজন তাদের সহযোগিতা করেছেন বলে অভিযোগ আনা হয়েছে। চার্জশিটে মোট ৪৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
তবে গত পহেলা জুন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসকরা মেডিকেল পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত না পাওয়ার কথা জানান।
প্রসঙ্গত, ধর্ষণের ঘটনার ৪০ দিন পর গত ৬ মে বনানী থানায় অভিযোগপত্রভুক্ত পাঁচজনকে আসামি করে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা করেন ধর্ষণের শিকার হওয়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী। মামলার এজাহারে বলা হয়, এক পরিচিত ব্যক্তির জন্মদিনের পার্টিতে অংশ নিতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হন তারা। বনানীর দ্য রেইনট্রি হোটেলের দুটি কক্ষে আটকে রেখে তাদের ধর্ষণ করা হয়।



  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by