¦

এইমাত্র পাওয়া

  • শুক্রবার রাজধানীতে সমাবেশ না করার না করার সিদ্ধান্ত মহানগর আওয়ামী লীগের || শর্তসাপেক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি পেয়েছে বিএনপি
জীবনানন্দের স্মৃতিধন্য ধানসিঁড়ি এখন মরা খাল

রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি | প্রকাশ : ২৪ অক্টোবর ২০১৩

‘আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায়’ রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ তার আবার আসিব ফিরে অমর কবিতার মাধ্যমে
ধানসিঁড়ি নদীকে তুলে ধরেছিলেন। এরপর নানা গান আর ইতিহাস ঐতিহ্যের পথ ধরে ঝালকাঠির রাজাপুরের ধানসিড়ি নদী পরিচিতি পায় আন্তর্জাতিক নানা অঙ্গনে। রূপসী বাংলার সেই কবির ৫৯তম
মৃত্যুবার্ষিকী ছিল ২২ অক্টোবর। দেশের বিভিন্ন স্থানে যখন রূপসী বাংলার এই কবির মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হল, ঠিক সে সময়ে ধানসিঁড়ি নদীর দিকে তাকালে যে কেউ দীর্ঘশ্বাস ছাড়াবে। কবির মৃত্যুবার্ষিকীর এ সময় অনেক পর্যটক ধানসিঁড়ি দেখতে এসে নিরাশ হয়ে ফিরে গেছেন। পর্যটকদের পাশাপাশি এলাকাবাসীর জোর দাবি, ঐতিহ্যবাহী ধানসিঁড়ি রক্ষা ও নদীতীরে পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের। সরেজমিনে ধানসিঁড়ির পাড়ে গিয়ে দেখা গেছে, এককালের স্ট্রিমার ও লঞ্চ চলা ধানসিঁড়ি এখন মরা খাল মাত্র। বড়জোর আট থেকে দশ ফুট প্রস্থের নদীও এখন স্থান বিশেষে দখলের মহোৎসব চলছে। মাঝে মধ্যে কচুরিপানায় ভর্তি থাকায় নৌকা চলাও বন্ধ হয়ে গেছে। ধানসিঁড়ি তীরবর্তী হাইলাকাঠি এলাকার বাসিন্দা এনায়েত হোসেন বলেন, খালের যে অবস্থা, আগে তো দু-একটা নৌকা চলত, এখন আর নৌকাও চলতে পারে না। এক বছর আগে খাল কাটার নাম করে শুধু লুটপাটের মহোৎসব করা হয়েছে। বরিশাল থেকে ধানসিঁড়ি নদী দেখতে আসা সৈকত আহম্মেদ জানান, ঐতিহ্যবাহী
ধানসিঁড়ি নদীর বর্তমান যে অবস্থা তা দেখে হতাশা না হয়ে উপায় নেই। সরকারের উচিত এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম বলেন, সরকারের প্রতি আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি ধানসিঁড়ি নদী খনন করে নদীতীরে একটি পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন করা। এ ব্যাপারে স্থানীয়রা সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছে।
 

বাংলার মুখ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close