¦

এইমাত্র পাওয়া

  • চাঁদা না দেয়ায় নরসিংদীর পলাশে সন্ত্রাসীদের হামলায় সাবেক ফুটবলার নাদিরুজ্জামান খন্দকার নিহত
স্বামীর উপস্থিতিতেই স্ত্রীকে ধর্ষণ!

গাজীপুর প্রতিনিধি, ২৫ মে | প্রকাশ : ২৫ মে ২০১৫

এবার ঢাকার অদূরে গাজীপুরে ট্রাকের মধ্যে এক নারীকে তার স্বামীর উপস্থিতিতেই ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে চালকের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের আগে স্বামী-স্ত্রী উভয়কেই নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অর্ধচেতন করে ফেলা হয়। ভুক্তভোগী নারী গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার গ্রামের বাড়ি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ থানায় বলে জানা গেছে। তার ১১ বছরের একটি মেয়ে ও ৮ বছরের এক ছেলে সন্তান রয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তারা প্রাথমিকভাবে শারীরিক নির্যাতনের আলামত পেয়েছেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় কর্মস্থল থেকে ফেরার সময় চলন্ত মাইক্রোবাসে গণধর্ষণের শিকার হন এক গারো তরুণী।
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন গাজীপুরের ভুক্তভোগী নারী জানান, ঢাকার খিলগাঁও এলাকায় ডাক্তার দেখিয়ে শনিবার রাতে বাসায় ফেরার উদ্দেশে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন স্বামী-স্ত্রী। কিন্তু বাস পাচ্ছিলেন না। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে এক ট্রাক চালক এসে তাদের গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার প্রস্তাব দিলে স্বামী-স্ত্রী ওই ট্রাকে উঠে চালকের পাশেই বসেন। অস্বাভাবিক গরম থাকায় রাস্তায় ট্রাক থামিয়ে চালক তাদের ফানটা এনে খাওয়ায়। এর কিছু সময় পরই দুজনের মধ্যে ঘুম ঘুম ভাব দেখা দেয়। এ সময় চালকের কথামতো ওই নারীর স্বামী পেছনের দিকে থাকা সিটে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। এর কিছুক্ষণ পর ট্রাক থামিয়ে চালক গাড়িতেই তাকে ধর্ষণ করে বলে ওই নারী অভিযোগ করেন। তিনি আরও জানান, ধর্ষণের আগে ট্রাকচালক তাকে মারধর করে গলায় কাপড় পেঁচিয়ে বেঁধে রেখেছিল। পরে সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন, সাড়ে ৩ হাজার টাকা রেখে তাদেরকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের তেলিপাড়া এলাকায় নামিয়ে দিয়ে ট্রাক নিয়ে চলে যায়। এলাকাবাসীর সহায়তায় সেখান থেকে রোববার সকাল সোয়া ১০টার দিকে গাজীপুরের হাসপাতালে ভর্তি হন ভুক্তভোগী নারী ও তার স্বামী। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক আবদুস সালাম সরকার জানান, তাদের মধ্যে রোববার দুপুর পর্যন্ত নেশাভাব লক্ষ্য করা গেছে। তাদের কথার মধ্যেও অসংলগ্নতা দেখা যায়। ওই নারী নিজে ধর্ষণের শিকার বলে অভিযোগ করেছেন। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধর্ষণের বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। পরীক্ষার পরই প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। এর আগে কোনো মন্তব্য করা যাচ্ছে না।
তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী নারীর স্বামীর পকেট থেকে ২০০৭ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ইস্যু করা একটি রিকশা/ভ্যান চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স ও একই নামে ইস্যু করা ঢাকার মিরপুর ১৪নং সেকশনের ভিশন অ্যাপারেলস প্রাইভেট লিমিটেড নামের পোশাক কারখানার পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে। তাতে স্থানীয় ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে ঢাকার তিলপাপাড়া। জয়রেদবপুর থানার ওসি খন্দকার রেজাউল হাসান রেজা জানান, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় রোববার রাত পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।

সর্বশেষ খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close