¦

এইমাত্র পাওয়া

  • অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও সুইডেনের নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা || গওহর রিজভীয় বাসার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ || গতকালের স্বর্ণ আটকের ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় দুই কর্মী বিরুদ্ধে এ্ফআইআর দায়ের করেছে কাস্টমস বিভাগ
প্রধান বিচারপতিকে সংবর্ধনা দেবে না আইনজীবী সমিতি

যুগান্তর রিপোর্ট | প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি ২০১৫

নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাকে সংবর্ধনা দেবে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি। তবে বর্তমান প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনকে বিদায় সংবর্ধনা না দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠনটি। বুধবার দুপুরে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির বিশেষ সাধারণ সভা থেকে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান সংগঠনের সভাপতি খন্দকার মাহবুব হোসেন।
অন্যদিকে সমিতি বিদায় সংবর্ধনা না জানালেও অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের পক্ষ থেকে বিদায় সংবর্ধনা দেয়া হবে। জানতে চাওয়া হলে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, আমরা প্রধান বিচারপতিকে বিদায় সংবর্ধনা জানাব। আজ সকাল সাড়ে ১০টায় এ সংবর্ধনা জানানো হবে। বর্তমান প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন অবসরে যাচ্ছেন ১৬ জানুয়ারি শুক্রবার। সে অনুযায়ী আজ তার শেষ কর্মদিবস। শেষ কর্মদিবসে বার সমিতি ও অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের পক্ষ থেকে তাকে বিদায় সংবর্র্ধনা জানানোর রীতি রয়েছে।
সংবর্ধনা দেয়া হবে কী হবে না তা নিয়ে বুধবার এক বিশেষ সাধারণ সভার আয়োজন করে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি। বেলা ২টার পরে অনুষ্ঠিত এ সাধারণ সভায় সমিতির সাধারণ সদস্যরা বক্তব্য রাখেন। পরে সমিতির সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানিয়ে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, বিচার বিভাগকে রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিণত করার জন্য দায়ী বিচারপতি বর্তমান প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন।
তিনি বলেন, তিনি এমনভাবে বেঞ্চ গঠন করে দিয়েছেন, যেখানে জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের ভূমিকা ছিল নগণ্য। কনিষ্ঠ বিচারকদের মোশন ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা এসব কীর্তিকলাপ উল্লেখ করে বর্তমান প্রধান বিচারপতিকে একটি নথি পাঠাব, যাতে ভবিষ্যৎ প্রধান বিচারপতি এসব বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি রেখে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন।
আইনজীবী সমিতির সাধারণ সভার রেজুলেশনে বলা হয়- বর্তমান প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন সুপ্রিমকোর্টকে স্বাধীন রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। রাজনৈতিক চিন্তা-চেতনার বিষয় মাথায় রেখে বিচার কাজ করেছেন। নিু আদালতগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর সুপ্রিমকোর্টে আইনজীবীদের ওপর বহিরাগতদের হামলার বিষয়ে তিনি কোনো কথা বলেননি এবং ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। গত ৪৩ বছরের ইতিহাসে সুপ্রিমকোর্ট বারের সভাপতি ও সম্পাদককে পুলিশ গ্রেফতার করেনি। কিন্তু গত বছর সভাপতি ও সম্পাদককে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতি কোনো কথা বলেননি। সর্বস্তরে দুর্নীতি এবং আইনজীবী ও বেঞ্চ অফিসারদের মধ্যে ঘুষ লেনদেন বেড়েছে। তিনি আইনজীবী সমিতির সঙ্গে কখনও কোনো আলোচনা করেননি।
সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, প্রধান বিচারপতি সংবিধানের রক্ষক। কিন্তু হাইকোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে নেয়ার বিরুদ্ধে তিনি কোনো ভূমিকা পালন করেননি। এতেই বোঝা যায়, এ বিষয়ে তার মত ছিল। শনিবার দায়িত্ব নেবেন নতুন প্রধান বিচারপতি।
প্রথম পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close