নরসিংদী প্রতিনিধি    |    
প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল, ২০১৭ ১৯:৪১:৩৪ | অাপডেট: ১৮ এপ্রিল, ২০১৭ ২১:৪০:২৯
ঘোড়াশাল ও পলাশ সার কারখানার উৎপাদন ফের বন্ধ
গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়ায় আবারও বন্ধ হয়ে গেছে নরসিংদীর ঘোড়াশাল ও পলাশ সার কারখানার উৎপাদন।

দেশে গ্যাস সংকটের কারণে ১৪২২ ও ৩০৫ মেট্রিক টন ক্ষমতাসম্পন্ন সার কারখানা দুটি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বলে কারখানার একটি সূত্র থেকে জানা গেছে।

সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিসিআইসির অধীনস্থ সার কারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধের নির্দেশ দেয়ায় সোমবার সন্ধ্যায় সার কারখানা দুটিতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয় তিতাস কর্তৃপক্ষ।

সার কারখানা সূত্রে জানা গেছে, ঘোড়াশাল সার কারখানার উৎপাদন ক্ষমতা এক হাজার চারশত ২২ মেট্রিক টন। পলাশ সার কারখানার উৎপাদনক্ষমতা ৩০৫ মেট্রিক টন।

সরকারি সিদ্ধান্তে প্রতি বছরই গ্রীষ্মকালে সার কারখানায় গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ রাখে তিতাস কর্তৃপক্ষ।

কারখানা দুটির উৎপাদন বিভাগ থেকে জানা গেছে, এভাবে চলতে থাকলে চলতি বছরে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হবে এবং দেশীয় ইউরিয়া সারের ঘাটতি দেখা দেবে।

পলাশ সার কারখানার সিবিএর সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, কারখানা দুটি কেপিআই মান-১ বিশিষ্ট উচ্চ প্রযুক্তি সম্পন্ন সার কারখানা।

উৎপাদন বন্ধ থাকার কারণে কারখানার মূল্যবান যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এছাড়া উচ্চ প্রযুক্তি সম্পন্ন কারখানার বিভিন্ন ভেসেলের মূল্যবান ক্যাটালিস্ট সংরক্ষণ করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, উৎপাদন বন্ধ থাকার কারণে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ায় কারখানাগুলো আর্থিকভাবে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। তাছাড়া কারখানার গ্যাস প্রত্যাহারের কারণে উৎপাদন বন্ধ হলে শ্রমিক-কর্মচারীরা কর্মোদ্যম হারিয়ে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ে।

এভাবে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে লাভজনক প্রতিষ্ঠান লোকসানের সম্মুখীন হয় বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে ঘোড়াশাল সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (প্রকৌশলী) অমর কুমার বিশ্বাস বলেন, গ্যাস প্রত্যাহার করে নেয়ায় সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সোমবার থেকে কারখানার উৎপাদন বন্ধ করা হয়। তবে কবে নাগাদ কারখানা চালু করা হবে তা জানাতে পারেননি তিনি।

সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিসিআইসি নিয়ন্ত্রনাধীন এ কারখানা দুটি গত বছরের ৩১ মার্চ গ্যাস সংযোগ বন্ধ করে দিলে কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ প্রায় ৬ মাস বন্ধ থাকার পর  ৬ অক্টোবর গ্যাস সংযোগ দেয়া হলেও বেশ কয়েকবার বন্ধ হয়ে যায়।

অবশেষে কারখানার উৎপাদন পূর্ণমাত্রায় শুরু হলে সোমবার (১৭ এপ্রিল) থেকে গ্যাস বিচ্ছিন্ন করার ফলে পুনরায় বন্ধ হয়ে যায় কারখানা দুটির উৎপাদন।
 
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by