প্রিন্ট সংস্করণ    |    
প্রকাশ : ১৩ আগস্ট, ২০১৭ ০৫:০০:২২
বাংলাদেশে মাছ চাষে নীরব বিপ্লব
আইএফপিআরআইয়ের সমীক্ষা
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ মাছ চাষে নীরব বিপ্লব সাধিত হয়েছে। তিন দশকে মাছের উৎপাদন প্রায় ২৫ গুণ বেড়েছে এবং মাছ চাষীরা তাদের উৎপাদিত মাছের ৭৫ শতাংশ এখন বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করছে।

ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইন্সটিটিউটের (আইএফপিআরআই) সর্বশেষ সমীক্ষায় এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে প্রধানত নিজেদের পারিবারিক প্রয়োজনের মাছ চাষের প্রচলিত ধারণা বদলে গেছে। ভোক্তাদেরও এখন নিজের পুকুর থেকে মাছ খাওয়ার সঙ্গে বাজার থেকেও মাছ কেনার হার অনেক বেড়েছে।

এ প্রসঙ্গে গবেষণা সমন্বয়ক সমীক্ষার প্রধান লেখক রিকার্ডো হারনান্ডেজ বলেন, আমি বিস্মিত হয়েছি যে উৎপাদনের পাশাপাশি পল্লী ও শহরের মাছ ব্যবসায়ী, উপকরণ ও মাছের খাদ্য অনেক খাতে বেড়ে উঠেছে।

সমীক্ষায় বলা হয়, বাড়তি চাহিদা, প্রযুক্তির উন্নয়ন যোগাযোগ ও অবকাঠামো, লাখ লাখ পুকুর মালিক এবং ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগে বাংলাদেশে মাছের উৎপাদন দ্রুতগতিতে বেড়েছে।
গবেষক বলেন, সরকার এ অগ্রযাত্রায় মাছের রেণু উৎপাদনে বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও রাস্তাঘাট নির্মাণের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। হারনান্ডেজ বলেন, খাদ্য তৈরির কারখানা, হ্যাচারি, চাষী ও ব্যবসায়ীর পাশাপাশি মাছের খাবার ও রেণু ক্রয়ের হার বেড়ে চলছে। প্রতিষেধকের ব্যবহার, শ্রমিক নিয়োগ ও বিনিয়োগও বাড়ছে।

সমীক্ষায় বলা হয়, আগে গ্রামের মাছ চাষীরা মূলত স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে মাছ বিক্রি করত। কিন্তু এখন তারা তাদের উৎপাদিত মাছের দুই তৃতীয়াংশ ছোট-বড় শহরের আড়তদারদের কাছে বিক্রি করছে। মাছের চাষ বাড়ার ফলে শহর ও গ্রামের দরিদ্র পরিবারগুলোর খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন এসেছে। চাল ছাড়াও তারা এখন মাছের মাধ্যমে পুষ্টির জোগান বাড়িয়েছে।
 
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by