অনলাইন ডেস্ক    |    
প্রকাশ : ১৮ জুলাই, ২০১৭ ০০:০৪:৪৫ | অাপডেট: ১৮ জুলাই, ২০১৭ ০০:১০:১৭
বসিরহাটের দাঙ্গায় জামায়াত দায়ী: মমতা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বসিরহাটের দাঙ্গা প্রসঙ্গে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে শোনা গেল বাংলাদেশের জামায়াতের নাম।

তিনি বলেছেন, রাজ্যে অশান্তি পাকাতে বাংলাদেশ থেকে জামায়তের লোক ঢোকানো হয়েছে।

ভারতীয়র একাধিক গণমাধ্যম মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রকাশ করেছে।

খবরে বলা হয়, জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশই নয়, সরকারের হাতে নথি রয়েছে বলেও দাবি করেছেন মমতা। রাজ্যের গোয়েন্দা দফতর তেমনই রিপোর্ট দিয়েছে। বাংলার ওই সীমান্তবর্তী এলাকায় গোষ্ঠী সংঘর্ষ বাধাতে জামায়াতের লোকজনকে ব্যবহার করা হয়েছে বলে খবর পান গোয়েন্দারা। তবে সরকারিভাবে তা স্বীকার করা হয়নি।

সোমবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নিজের ভোট দেয়ার পর সাংবাদিক সম্মেলনে গোয়েন্দাদের কাছে সেই রিপোর্টই প্রকাশ করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ফেক পোস্ট করে দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা হয়েছিল। সেই সঙ্গেই তিনি প্রশ্ন তোলেন, সাতক্ষীরা থেকে জামায়াতের লোক কী করে ঢুকল? সীমান্ত কারা খুলে দিয়েছিল, কেন খুলে দিয়েছিল? এ ব্যাপারে বিস্তারিত কাগজপত্র সরকারের হাতে রয়েছে বলেও হুশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

বর্ধমানের খাগড়াগড় বিস্ফোরণের সময় জামায়াতের নাম উঠে এসেছিল। জামায়াতের অস্তিত্ব রয়েছে বলে দাবি জানিয়ে বিজেপি আক্রমণ করে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে। এখন সেই ঘটনার তদন্ত করছে এনআইএ। এবার বসিরহাটের দাঙ্গাতেও জামায়াতের নামই শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীর মুখে।

এ প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী সব জানেন। এত দিন মুখ খোলেননি। এখন বুঝে গেছেন বিজেপি সব ফাঁস করে দেবে। রাজ্যের মানুষও বুঝে গিয়েছে কোথায় কারা গোলমাল পাকাচ্ছে। সত্যকে যে বেশি দিন চেপে রাখা যায় না সেটাই বুঝিয়ে দিলেন মাননীয়া। আর বিএসফকে দোষ না দিয়ে বসিরহাটে তার পুলিশ কী করছিল সেই জবাব দিন মুখ্যমন্ত্রী।
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর
আন্তর্জাতিক বিভাগের অারও খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by