প্রিন্ট সংস্করণ    |    
প্রকাশ : ২১ এপ্রিল, ২০১৭ ০৪:৫৫:৩৯
পরিবহন খাত ঘিরে বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্র অব্যাহত
রাজধানীর গণপরিবহন খাত নিয়ে বহুমাত্রিক ষড়যন্ত্র চলছে। ফায়দা হাসিলের জন্য চক্রান্ত চলছে এ সেক্টরে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির।

সিটিং সার্ভিস ইস্যুতে সফল হওয়ায় এবার প্রস্তাবিত সড়ক পরিবহন আইনে সাজার বিধান ও জরিমানা কমানোর দাবিতে ধর্মঘটসহ নানান কর্মসূচির কথা ভাবা হচ্ছে। এ অবস্থায় প্রভাবশালীরা এ খাতের ওপর আরও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছেন।

চলতি বছরের শেষদিকে চার হাজার নতুন বাস নামানোর ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ‘এক রুটে এক কোম্পানি’ নীতিতে গাড়ি চালানোর প্রক্রিয়া চলছে। এসব প্রক্রিয়া সফল হলে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন ছোট ব্যবসায়ীরা। এত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্যই হঠাৎ সিটিং সার্ভিস বন্ধের ঘোষণা এবং তা কার্যকর করা হয়। এতে সরকার পিছু হটায় এ খাত নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা দ্বিগুণ উৎসাহে মাঠে নামতে যাচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পরিবহনের সঙ্গে জড়িত এক নেতা বলেন, যাত্রীদের জিম্মি করে ভাড়া বাড়ানোর জন্যই সিটিং সার্ভিস বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়নি। এর পেছনে অন্য ষড়যন্ত্র আছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, বর্তমান নেতাদের কাছ থেকে পরিবহন খাতের নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নিয়ে আরও প্রভাবশালীদের কাছে হস্তান্তর করা। এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে বর্তমান নেতাদের কেউ কেউ জড়িত।

তিনি বলেন, পরিবহন খাতকে শুধু ব্যবসার দৃষ্টিতে দেখা হচ্ছে না। ব্যবসার বাইরেও অনেক কিছু ভাবা হচ্ছে। এর মধ্যে নতুন নিয়ন্ত্রণ আরোপের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, নতুন হিসাব-নিকাশে অনেক প্রভাবশালী এমনকি সরকারের নীতি-নির্ধারকদের কেউ কেউ পিছিয়ে পড়তে পারেন।

যারা এগিয়ে আসবেন তারাও সরকারের ঘনিষ্ঠ। নতুন নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তারা দ্রুতই মাঠের নিয়ন্ত্রণ নেবেন। ফলে খুব শিগগিরই এ খাতের একক নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে আরও প্রভাবশালীদের হাতে। তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর গাড়ি চলবে। সাধারণ পরিবহন ব্যবসায়ীরা জিম্মি হয়ে পড়বেন। পরিবহন মালিকদের কাছে যাত্রীদের জিম্মিদশা কাটবে না। তবে সরকারের অসহায়ত্বের বিষয়টি কিছুটা লাঘব হতে পারে।

বর্তমানে পরিবহন সেক্টরে প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত নৌমন্ত্রী শাজাহান খান এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গাসহ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কয়েকজন সংসদ সদস্য। তারা পরিবহন সংশ্লিষ্ট সরকারের বিভিন্ন কমিটিতেও রয়েছেন। মালিক ও শ্রমিকদের দাবি আদায়সহ সব ধরনের কর্মসূচি বিভিন্ন কমিটি থেকেই নির্ধারণ করে দেয়া হয়।

জানা গেছে, বর্তমানে ঢাকা ও আশপাশের রুটগুলোয় এক বা একাধিক মালিকের সমন্বয়ে গঠিত কোম্পানির আওতায় বাস ও মিনিবাস চলাচল করছে। এবার প্রত্যেক রুটেই একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে উদ্যোগী হয়েছেন প্রভাবশালীরা। এরই অংশ হিসেবে ‘এক রুটে এক কোম্পানি’ নীতিতে গাড়ি চালানোর কাজ শুরু হয়েছে। ঢাকা ও আশপাশ এলাকা ৭-৮টি রুটে ভাগ করা হবে। প্রতিটি রুটেই একক কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

সব বাস-মিনিবাসকে ওই কোম্পানির আওতায় এসে যাত্রী পরিবহন করতে হবে। সব গাড়ির আয় জমা হবে কোম্পানির নামে। একটি গাড়ি যত টাকাই আয় করুক, মালিকরা নির্ধারিত হারে মাসিক মুনাফা পাবেন।

এর বাইরে আলাদাভাবে কেউ গাড়ি চালাতে পারবেন না। সূত্র জানায়, ২০১২ সালের আগে অর্থাৎ পাঁচ বছরের বেশি পুরনো গাড়িগুলো ঢাকার ভেতরে চলতে পারবে না।

এগুলোকে যাত্রী পরিবহন থেকে অন্যত্র সরিয়ে নিতে বাধ্য করা হবে। গত পাঁচ বছরে ঢাকার রাস্তায় ২ হাজার থেকে আড়াই হাজার নতুন গাড়ি নেমেছে। বাকি দুই হাজার গাড়িই ৫ বছরের বেশি পুরনো। ‘এক রুটে এক কোম্পানি’ নীতিতে গাড়ি চলাচল প্রক্রিয়া বাস্তবায়িত হলে ওই দুই হাজার গাড়িকে ঢাকার ভেতরের রুট ছাড়তে হবে। নতুন গাড়ি নামিয়ে শূন্যতা পূরণ করা হবে।

বর্তমানে মতিঝিল, গুলিস্তান থেকে মোহাম্মদপুর রুটে ৯টি বাস কোম্পানির গাড়ি চলাচল করছে। গুলিস্তান থেকে মিরপুর রুটে ২০টির বেশি বাস কোম্পানির গাড়ি রয়েছে। এ রুটে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যসহ আওয়ামী লীগের কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার বাস চলাচল করছে। একইভাবে অন্যান্য রুটেও একাধিক কোম্পানির গাড়ি চলছে। বর্তমানে ঢাকায় চার হাজার থেকে সাড়ে চার হাজার গাড়ি চলাচল করে।

এমন পরিস্থিতিতে পরিবহন খাতে প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়াতে ‘এক রুটে এক কোম্পানি’ নীতিতে গাড়ি চালানোর কাজ চলছে।

বৃহস্পতিবার নতুন চার হাজার গাড়ি নামানোর ঘোষণা দেয়া হয়। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক বলেন, ঢাকার গণপরিবহন সংকট লাঘবে বিদেশ থেকে চার হাজার বাস আনা হবে। এসব বাস পরিচালনার জন্য সাতটি আলাদা কোম্পানির হাতে ছেড়ে দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, সাতটি পৃথক হোল্ডিং কোম্পানি গঠন করে তাদের হাতে বাসগুলো দেয়া হবে। আশা করছি, এ বছরই কিছু বাস আমরা নামাতে পারব।

প্রভাবশালীদের এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে নারাজ সাধারণ ব্যবসায়ীরা। একাধিক পরিবহন মালিক নাম গোপন রাখার শর্তে বলেন, পরিবহন খাতের নিয়ন্ত্রণ প্রভাবশালী, রাজনৈতিক কর্মী ও মস্তানদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। কোনো মালিক তাদের বিরুদ্ধে কথা বললেই তার বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। তারা বলেন, পরিবহন খাতে এমন অরাজক পরিস্থিতির কারণে অনেক প্রকৃত ব্যবসায়ী এ খাত ছেড়ে দিয়েছেন।

ওই স্থান দখল করেছেন রাজনৈতিক নেতারা। এ কারণে পরিবহন খাতে চাঁদাবাজিও বেড়েছে। তারা আরও বলেন, বর্তমানে যানজটের কারণে ট্রিপ কমে অর্ধেক হয়েছে। গুলিস্তান-মিরপুর রুটে আগে ৪-৫ রাউন্ড ট্রিপ হতো, এখন তা কমে ৩ রাউন্ড ট্রিপে দাঁড়িয়েছে। একদিকে ট্রিপ কমে যাওয়ায় আয় কমেছে, অপরদিকে চাঁদাবাজি বেড়েছে। এসব কারণে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা এ ব্যবসা ছেড়ে দিচ্ছেন।

পৃথক একটি সূত্র জানায়, নতুন নিয়ন্ত্রণ আরোপের আগেই গণপরিবহনের বিভিন্ন দিক আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। এর মধ্যে সিটিং সার্ভিসের সংজ্ঞা নিরূপণ করা থাকবে। নির্ধারণ করা হবে যাত্রীপ্রতি ভাড়া। কোন ধরনের বাসকে সিটিং সার্ভিস বলা হবে তাও নির্ধারণ করে দেয়া হবে। যাতে যে কোনো বাস নিজেদের সিটিং সার্ভিস দাবি করতে না পারে। যাত্রীদের সঙ্গে ভাড়াসহ নতুন কোনো ইস্যুতে খুব দ্রুত বিরোধ তৈরি না হয়। এসব বিষয়ে আগে থেকেই পরিকল্পনা করে সিটিং সার্ভিস বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয় বলে জানা গেছে।

সূত্রটি জানায়, তারা বেশ কিছুদিন ধরে পরিবহন খাতের ওপর নতুন নিয়ন্ত্রণ আরোপের চেষ্টা করছেন। কিন্তু কিছুতেই পেরে উঠছিলেন না। কাজেই এবার সির্টিং সার্ভিসের মতো ইস্যু কেন্দ্র করে মাঠ গরম করে তোলেন। তারা জানতেন হঠাৎ করেই সিটিং সার্ভিস বন্ধ হলে যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়বে। এতে সরকার বেকায়দায় পড়বে। সেক্ষেত্রে দাবি মানতে বাধ্য হবে। সরকার পিছু হটায় তাদের ধারণাই সত্য হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজপথে গাড়ির বহরই প্রমাণ করে পরিবহন মালিকরা ইচ্ছাকৃতভাবে বাস-মিনিবাস বন্ধ রেখে যাত্রীদের দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। এটা যে তাদের পরিকল্পিত পদক্ষেপ ছিল তা স্পস্ট। এতে তারা সফল হয়েছেন। সিটিং সার্ভিসের বৈধতা আদায় করে নিয়েছেন। এখন যে নিয়মকানুন হবে নতুনরা তা নিজেদের মতো তৈরি করে নেবেন। সে অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালিত হবে।

তবে রাজধানীতে সিটিং সার্ভিস বন্ধের পেছনে কোনো ষড়যন্ত্র ছিল না বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খোন্দকার এনায়েত উল্যাহ। তিনি বলেন, সরকার নির্ধারিত ভাড়া আদায় ও যাত্রীদের ভালোর জন্য সিটিং সার্ভিস বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু যাত্রী হয়রানির কারণে বিআরটিএ সিটিং সার্ভিসকে আইনি কাঠামোতে আনার কথা জানিয়েছে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঢাকার পরিবহন খাত ডেভেলপ করার চেষ্টা করছি। ঢাকার সব বাস এক কোম্পানির আওতায় এনে পুরো ঢাকায় ৭-৮টি রুটে বিভক্ত করে গাড়ি চালানোর প্রক্রিয়া চলছে। ৪-৫ শতাংশ ব্যাংক ঋণে নতুন গাড়ি নামানো হবে। ওই সব গাড়িতে নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। বিষয়টি নিয়ে অর্থমন্ত্রী ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের সঙ্গেও বৈঠক করেছি।

সিটিং সার্ভিস বন্ধের পেছনেও ছিল ষড়যন্ত্র : একাধিক পরিবহন ব্যবসায়ী জানান, আইনি বৈধতা না থাকলেও গত দেড় যুগ ধরে সিটিং সার্ভিস বাস ও মিনিবাস চলাচল করে আসছে। আরামে যাতায়াত করতে অনেকেই সিটিং সার্ভিস বেছে নিচ্ছেন। কিন্তু রহস্যজনক কারণে হঠাৎ করেই গত ৪ এপ্রিল এসব সিটিং সার্ভিস বন্ধের ঘোষণা দেয় ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি।

বিষয়টি সাধারণ মালিকরা না জানায় তারা ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপত্তিও জানান। কেউ কেউ এর বিরোধিতাও করেন। তবুও মালিক সমিতির কয়েকজন নেতা তাদের ওই সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতির প্রচার সম্পাদক ও প্রভাতী বনশ্রী পরিবহনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল মনসুর বুলবুল বলেন, যে কোনো প্রস্তাবে বাস মালিকদের আপত্তি থাকতে পারে। কিন্তু সংগঠন যখন কোনো সিদ্ধান্ত দেবে, তা সবাইকে মানতে হবে। সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।

দেখা গেছে, সিটিং সার্ভিস বন্ধের দিন গত রোববার থেকে গাড়ি চলাচল কমে যাওয়ায় যাত্রীরা অনেকটা তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েন। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার সিটিং সার্ভিসের বাস-মিনিবাস ১৫ দিন চলাচলের সুযোগ দেয় বিআরটিএ। ওই সময়ে অভিযান না চালানোর সিদ্ধান্ত দেয় সরকারি এ সংস্থাটি। পরিবহন মালিকরা জানান, এখন সিটিং সার্ভিসের জন্য বাড়তি ভাড়া নির্ধারণের দাবি জানাবেন তারা।

তবে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বাসের ভাড়া নির্ধারণ করা হয় ব্যয় বিশ্লেষণের মাধ্যমে। বর্তমান ব্যয় বিশ্লেষণে প্রতিটি গাড়িতে গড়ে ৮০ শতাংশ যাত্রী উঠবে- এমন পরিসংখ্যান ধরা হয়েছে। আর সিটিং সার্ভিসগুলোতে ১০০ ভাগ যাত্রী বহন করে। বর্তমান ভাড়াতেই তারা বাড়তি সুবিধা নিচ্ছে। নতুন করে ভাড়া বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই তাদের।

সড়ক পরিবহন আইনে সাজা কমাতে আসছে পরিবহন ধর্মঘটসহ নানা কর্মসূচি : প্রস্তাবিত ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৭’-এর বিভিন্ন ধারায় উল্লিখিত সাজা ও জরিমানার বিধান কমাতে আন্দোলনে নামছেন পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা। নৌমন্ত্রী শাজাহান খানের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন ধারাবাহিক আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ধর্মঘটসহ নানা কঠোর কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে তাদের দাবি আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এ সংগঠনটি। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেয়া। মালিক-শ্রমিক যৌথ কনভেনশন আয়োজন করা হবে।

এরপরও দাবি আদায় না হলে পরিবহন ধর্মঘটের মতো কঠোর কর্মসূচিতে যাবেন তারা। পাশাপাশি সড়ক আইনে সাজার পরিমাণ কমানোর প্রস্তাবনা তৈরি করতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহকে আহ্বায়ক ও শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলীকে যুগ্ম-আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।


 
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by