মুফতী ফয়জুল্লাহ    |    
প্রকাশ : ২০ জুন, ২০১৭ ০১:৫৭:১০ | অাপডেট: ২০ জুন, ২০১৭ ০২:২২:৪৫
রোযাদারের মৌলিক সাফল্যই তাকওয়া অর্জন

মাহে রমজান পবিত্র কুরআন নাজিলের মাস। রহমত,মাগফিরাত, জাহান্নাম থেকে মুক্তির মাস। বরকতের মাস। আত্মশুদ্ধির মাস। আল্লাহর সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধির মাস। তাকওয়া অর্জনের মাস। রোজাদারদের দো'আ কবুলের মাস। পবিত্র লাইলাতুল কদর এর মাস। (লাইলাতুল কদর এমন একটি রাত,যে রাতে ইবাদত করা এক হাজার মাস ইবাদত করার চেয়েও উত্তম।)
 
এমন মহিমান্বিত একটি মাস পালনের জন্য নিশ্চয়ই আমরা শারীরিক, মানসিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। মাহে রামাযানের একটি মুহূর্তও যেনো আমরা অবহেলায় বিনষ্ট না করি। রামাযান মাসেই আমরা যেন আমাদের অনাকাঙ্ক্ষিত পাপাচারগুলো মোচন করাতে পারি। 
 
মহান আল্লাহর কাছে যেন আমরা নিজেদেরকে আরও গ্রহণযোগ্যভাবে সমর্পণ করতে পারি। সাহাবায়ে কেরামের পথ অনুসরণ করে রমজানকে পরিপূর্ণভাবে কাজে লাগানোর জন্য সচেতন থাকি।
 
আমাদেরকে পবিত্র মাহে রামাযানকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার জন্যে কিছুটা পরিকল্পনা হাতে নিতে পারি। যেহেতু পবিত্র কুরআন নাজিলের মাস মাহে রমজান সেহেতু এ মাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত রোজাসহ অন্যন্য ইবাদতের সঙ্গে সঙ্গে আমরা প্রত্যেকেই কুরআন-কেন্দ্রিক একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারি।
 
তাকওয়া 
 
রোযার মূল লক্ষ্য,মূল কথা,মূল দাবী এবং মূল আবেদন হচ্ছে,' তাকওয়া'। 
 
মহান আল্লাহ সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন, ‘‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোযা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।’’ (সূরা বাকারা, আয়াত ১৮৩)।
 
রোযাদারের জীবনে মৌলিক সাফল্যই হচ্ছে তাকওয়া অর্জন। ব্যক্তির চিন্তা-চেতনাসহ জীবনের সর্বক্ষেত্রে বিপ্লব আসে তাকওয়ার গুণে। তাকওয়া আরও বিপ্লব আনে রাজনীতি,সভ্যতা, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে। 
 
তাকওয়ার ফলে মানুষ আলোকিত মানুষে পরিণত হয়। আলোকিত মানুষের সংখ্যাবৃদ্ধিতে দেশ আলোকিত হয় এবং দেশে সৎ ও নেককর্ম, শিক্ষা-দীক্ষা, মানবতা ও উচ্চতর সংস্কৃতির এক মহান সভ্যতা গড়ে ওঠে। যেমনটি আমরা দেখতে পাই ইসললামের প্রাথমিক সোনালী যুগে।
 
আসুন, আমরা তাকওয়া অর্জন করি। জীবনের সর্বক্ষেত্রে মহান আল্লাহর বিধান কায়েম করার চেষ্টা করি। সাফল্যের মালিক তিনিই।

লেখক: মুফতী ফয়জুল্লাহ, ইসলামী চিন্তাবিদ
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর
মাহে রমজান বিভাগের অারও খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by