স্পোর্টস রিপোর্টার    |    
প্রকাশ : ২১ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:০০:০০ | অাপডেট: ২১ এপ্রিল, ২০১৭ ০৯:২০:৫৬
শুভ-অশুভ শুভাগত
কাল সকালে মিরপুর শেরেবাংলায় প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন যখন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রুফি এবং আয়ারল্যান্ড সফরের জন্য দল ঘোষণা করছেন, শুভাগত হোম তখন ফতুল্লায়। ব্রাদার্স ইউনিয়নের (২৯৫/৮) বিপক্ষে ঢাকা প্রিমিয়ার লীগের ম্যাচ খেলেছেন আবাহনীর (৩২৭/৬) হয়ে। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় শুনলেন তিনি দলে নেই। ১৭ বলে ৪৪ রান করার পর ৪৫ রানে তিন উইকেট নিয়ে আবাহনীর ৩২ রানের জয়ে অবদান রাখা শুভাগতকে শুনতে হল, ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে স্পিনারের প্রয়োজন কম বলে তিনি ব্রাত্য হয়ে রইলেন। এই ম্যাচে বিফলে গেল ব্রাদার্সের ওপেনার জুনায়েদ সিদ্দিকের শতক (১১৪)।

এদিকে বিকেএসপিতে আট ওভারে ৩৮ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকা শফিউল ইসলাম পেলেন সুখবর। আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ এবং আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রুফি- দুই দলেই আছেন এই পেসার। শুভাগতের আবাহনীর মতো শফিউলের গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সও এদিন জিতেছে। মুশফিকুর-মাশরাফির লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ (১৫৬/১০) শোচনীয়ভাবে আট উইকেটে হেরেছে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের (১৫৭/২) কাছে।

বিকেএসপিতে অপর ম্যাচে ঢের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে। শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব (২৩৫/৭) পাঁচ রানে জয়ী হয় প্রাইম দোলেশ্বরের (২৩০/৭) বিপক্ষে। শেখ জামাল অধিনায়ক আবদুর রাজ্জাক আট ওভারে ৩৯ রানে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন।

ফতুল্লায় শুভাগতর অলরাউন্ড নৈপুণ্যে বিফলে গেছে জুনায়েদ সিদ্দিকের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি। আবাহনীর ৩২৭ রান তাড়ায় ব্রাদার্স ২৯৫ রানের বেশি করতে পারেনি। সাতে নেমে শুভাগত খেললেন ১৭ বলে ৪৪ রানের খুনে ইনিংস। এরপর নতুন বল হাতে নিলেন তিন উইকেট। তার পারফরম্যান্সকে পূর্ণতা দিয়েছে একটি ক্যাচ, দলের জয় ও ম্যাচসেরার পুরস্কার।

আগের দুই ম্যাচে ৫৯ ও ৭৭ রানের পর মাহমুদউল্লাহ এবার অপরাজিত ৪২ বলে ৪৯। শেষ ১০ ওভারে আবাহনী তোলে ১০৪ রান। জুনায়েদের ব্যাটে ব্রাদার্সের জবাবটাও খারাপ হচ্ছিল না। জুনায়েদ লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে নিজের পঞ্চম সেঞ্চুরি করেন ১০২ বলে। বাঁ-হাতি ওপেনার করেছেন ১১২ বলে ১১৪। জুনায়েদের আউটেই ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে ব্রাদার্স।

বিকেএসপিতে রূপগঞ্জের বিপক্ষে আবু হায়দার ও পারভেজ রসুলের দারুণ বোলিংয়ে ছোট লক্ষ্য পাওয়া গাজী গ্রুপ জিতেছে সহজেই। নাসির হোসেনের দল জিতেছে আট উইকেটে। আয়ারল্যান্ড সফরের দলে ডাক পাওয়া নাসিরও খুশি ম্যাচ শেষ করে আসায়। টানা তিন ম্যাচে অপরাজিত থাকলেন তিনি। নাসির ১২ বলে তিনটি চারে অপরাজিত থাকেন ১৫ রানে। জহুরুল ইসলাম অপরাজিত ৬২। মুমিনুল হকের ব্যাট থেকে আসে ৪৪ রান।

আসল কাজটা আগেই সেরে ফেলেছেন হায়দার ও ভারতীয় অলরাউন্ডার পারভেজ রসুল। বৃষ্টির জন্য ৪৭ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে রূপগঞ্জকে গুটিয়ে দিয়েছেন খুব কম রানে। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৪৪ ওভারে মুশফিকুর রহিমের দল অলআউট হয় ১৫৬ রানে। ৯২ রানে আট উইকেট হারানো রূপগঞ্জের ইনিংস দেড়শ’ ছাড়ায় মোশাররফ হোসেন ও মোহাম্মদ শরীফের দৃঢ়তায়। ২৬ রানে চার উইকেট নিয়ে তরুণ বাঁ-হাতি পেসার হায়দার জেতেন ম্যাচসেরার পুরস্কার। রসুল আঁটসাঁট বোলিংয়ে ১৭ রানে নেন তিন উইকেট।


 
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by