শিল্পী নাগ    |    
প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০:০০ | অাপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০৪:৩৭:৪৬
পরিবারেও নারী শ্রমিকের জীবন নিরাপদ হতে হবে
বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক এবং অপ্রাতিষ্ঠানিকভাবে নারী শ্রমিকরা কাজ করছেন, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নারীদের অধিকারের কথা উচ্চারিত হলেও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে যারা রয়েছেন তারা আড়ালেই থেকে যাচ্ছেন। নারী শ্রমিক হিসেবে যেমন তার কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা প্রয়োজন তেমনি পরিবারেও তার জীবন নিরাপদ হতে হবে। শ্রমিকদের নিয়ে নীতিমালা হলেও প্রায়োগিক সুবিধা এখনও নিশ্চিত হচ্ছে না, এজন্য সরকারের উদ্যোগগুলোকে কার্যকর করতে হবে। আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট এবং জাতীয় নারী শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র আয়োজিত নারী শ্রমিক সম্মেলনে মানবাধিকার কর্মী ও আমরাই পারি জোটের চেয়ারপার্সন অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল এ কথা বলেন।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে খুব কম সংখ্যক শ্রমিক রয়েছেন যারা ট্রেড ইউনিয়নের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ট্রেড ইউনিয়ন সব শ্রমিকের জন্য কী ধরনের সুরক্ষা দিতে পারে সে সংক্রান্ত তথ্যও মাঠ পর্যায়ে অপ্রতুল। এছাড়া অপ্রাতিষ্ঠানিকভাবে আয়মূলক কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত নারীদের ট্রেড ইউনিয়নে যুক্ত হওয়ার সুযোগ খুব কমই দেখা যায়।

প্রধান অতিথি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মিকাইল শিপারের মতে, শ্রমিক কল্যাণের জন্য সরকারের ১৭০ কোটি টাকা তহবিল রয়েছে। যার মাত্র ৩ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। কোনো নারী নির্মাণ শ্রমিক দুর্ঘটনায় মারা গেলে ২ লাখ টাকা, চিকিৎসার জন্য ১ লাখ টাকা এবং গর্ভকালীন অবস্থায় কোনো নারী শ্রমিক অসুস্থ হলে তাকে ২৫ হাজার টাকা দেয়া হয়। যে কোনো ঝুঁকির জন্য ইন্সুরেন্সের সঙ্গে সম্পৃক্ত শ্রমিকরা এ সুবিধা পাবেন। এছাড়া বেতনসহ চার মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটির ব্যবস্থাও সরকার নিচ্ছে। পাশাপাশি গৃহকর্মীদের জন্য নীতিমালা তৈরি হয়েছে। এসব নীতিমালার যথার্থ প্রচারে বেসরকারি সংস্থাকে উদ্যোগ নিতে হবে।

অক্সফ্যাম ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধি এম.বি. আখতার বলেন, নারীর চরিত্র নিয়ে সবসময় শংকায় থাকতে হয়, কর্মক্ষেত্রে একজন নারী শ্রমিককে সবসময় প্রমাণ করতে হয় তার চরিত্র ভালো। শ্রমিকদের মর্যাদার প্রশ্নে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোটের জাতীয় সমন্বয়কারী জিনাত আরা হকের মতে, নারী শ্রমিকরা বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের শিকার হন, নিজের আয়ের খরচের বিষয়ে তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না, কর্মক্ষেত্রে নানা রকম হয়রানির শিকার হয়। এসব ক্ষেত্রে নারী শ্রমিকদের কথা বলতে হবে এবং শ্রমিকের অধিকার সম্পর্কে তাদের জানতে হবে।




 
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by