নিউইয়র্কে ১৯ বছরে পদার্পণের অনুষ্ঠান

প্রবাসীদের কণ্ঠস্বর হোক যুগান্তর

  যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৫:০১ | অনলাইন সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের জ্যাকসন হাইটসের বাংলাদেশ প্লাজায় যুগান্তরের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কেক কাটা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের জ্যাকসন হাইটসের বাংলাদেশ প্লাজায় যুগান্তরের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কেক কাটা হয়।

‘সত্যের সন্ধানে নির্ভীক’ অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শুরু হওয়া দৈনিক যুগান্তর পার করলো আঠারোটি বছর। ধারাবাহিক অগ্রযাত্রায় পত্রিকার স্লোগান ‘পাঠককের অন্তর জুড়ে’। এবার প্রবাসীদের কণ্ঠস্বর হোক যুগান্তর এই প্রত্যয় ব্যক্ত হলো নিউইয়র্কে পত্রিকাটির ঊনিশ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে।

বুধবার জ্যাকসন হাইটসের বাংলাদেশ প্লাজায় ছিমছাম অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানটির শুভ সূচনা হয় কেক কাটার মধ্য দিয়ে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন।

অনুষ্ঠানে নিউইয়র্কের কনসাল জেনারেল শামীম আহসান ছাড়াও লেখক, শিল্পী, সাহিত্যিক, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারা সবাই বলেছেন, যুগান্তর বাংলাদেশের মানুষের হৃদয় জয় করেছে। এখন প্রবাসী পাঠকের কণ্ঠস্বর হয়ে তাদের মণিকোঠায় স্থান করে নিতে হবে।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালক যুগান্তর-এর যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি হাসানুজ্জামান সাকী পত্রিকার ঊনিশ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলমের শুভেচ্ছা সবার কাছে পৌঁছে দেন। এসময় তিনি যুগান্তর অনলাইনের মাধ্যমে প্রবাসীদের বিভিন্ন সংবাদ গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হচ্ছে বলে জানান।

মাসুদ বিন মোমেন বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে দেশের পাঠকপ্রিয় পত্রিকা হিসেবে যুগান্তর একটি বিশেষ স্থানে পৌঁছেছে। এ সময় তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুগান্তরের রিপোর্টিয়ের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু সময় যুগান্তর নিউইয়র্ক ও ঢাকা অফিস থেকে জাতিসংঘ বাংলাদেশ মিশনের সাথে যেভাবে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছে তাতে বোঝা যায় যে দেশের ক্রান্তিকালে দেশের স্বার্থটাই তাদের কাছে সবচেয়ে প্রাধান্য পায়।

শামীম আহসান বলেন, বস্তুনিষ্ঠ ও অনুসন্ধানী রিপোর্টিং দিয়ে যুগান্তর পাঠকের মনে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। তিনি আশা করেন, যুগান্তরের সেই ধারবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, গণমাধ্যমকে সবার আগে দেশের স্বার্থ দেখতে হবে। কোনো অসঙ্গতি দেখতে তা যেমন তুলে ধরতে হবে তেমনি দেশ ও দশের এবং সরকারের সাফল্যও খাটো করে দেখলে চলবে না।

সাপ্তাহিক আজকাল-এর সম্পাদক মনজুর আহমদ বলেন, আমি যুগান্তরের জন্ম দেখেছি। এখন এর তারুণ্য দেখছি। সব বয়সেই যুগান্তর সমান শক্তিশালী।

সাপ্তাহিক ঠিকানার প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ ফজলুর রহমান বলেন, একটি পত্রিকা ঊনিশ বছর সমান তালে এগিয়ে যাচ্ছে, এটি সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। ঊনিশ বছর নি:সন্দেহে একটি মাইল ফলক।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, বাঙালী সম্পাদক কৌশিক আহমেদ, বর্ণমালা সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, চিত্রশিল্পী খুরশিদ আলম সেলিম, কলামিস্ট সুব্রত বিশ্বাস, ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার এটর্নি মঈন চৌধুরী, কমিউনিটি বোর্ড সদস্য আইনজীবী মোহাম্মেদ এন মজুমদার, জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (মিডিয়া) নূর এলাহী মিনা, আইনজীবী নাসরীন আহমেদ প্রমুখ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ অভিনেত্রী রেখা আহমেদ, জাতিসংঘ সদর দপ্তরের উচ্চপদস্ত কর্মকর্তা কর্নেল (অব.) রেজা, অধ্যাপিকা হুসনে আরা, কবি তমিজ উদ্দীন লোদী, কবি কাজী আতীক, বাংলা পত্রিকার সম্পাদক ও টাইম টিভির সিইও আবু তাহের, সাংবাদিক ও টকশোর আলোচক মনির হায়দার, প্রবাস সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ, সেইফেস্টের প্রতিষ্ঠাতা মাজেদা এ উদ্দিন, ব্যবসায়ী আরিফ আহমেদ, ব্যবসায়ী আফতাব আহমেদ বাপ্পী, সাংবাদিক মনিজা রহমান, আলোকচিত্র সাংবাদিক নিহার সিদ্দিকী, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নিউইয়র্ক-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সহসভাপতি মনোয়ারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শিবলী চৌধুরী কায়েস, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবিএম সালাউদ্দিন আহমেদ, প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার ব্যুরো প্রধান ইব্রাহিম চৌধুরী খোকন, বিশেষ প্রতিনিধি সাহেদ আলম,

বাংলাদেশ সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে (একাংশ) নেতা ইমরান আনসারী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শামসুদ্দিন আজাদ, মনসুর খান, সাধারণ সম্পাদক আবদুস সামাদ আজাদ, আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মালেক, শাহানারা রহমান, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত মেকআপ আর্টিস্ট এম এম জসীম, গীতিকার মেহফুজ আহমেদ, বাংলাদেশের ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন নেতা ইঞ্জিনিয়ার ওয়ালিউল্লাহ সিকদার, আইটিভির কর্নধার মাওলানা মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, শোটাইম মিউজিকের কর্নধার আলমগীর খান আলম, এটিএন বাংলার নিউজ এডিটর কানু দত্ত, আজকাল-এর নির্বাহী সম্পাদক শাহাব উদ্দিন সাগর, বাণিজ্যিক প্রধান আবুবকর সিদ্দিক, প্রধান আলোকচিত্রী এ হাই স্বপন, তাওহীদা সুমি, নরুল গনি নজরুল,

সঙ্গীতশিল্পী সায়েরা রেজা ও শাহ মাহবুব, চ্যানেল-৫২ এর কর্নধার এনাম চৌধুরী ও ফারাহ হাসিন, টিভি অনুষ্ঠান নির্মাতা ফাহিম ফিরোজ, সাহিত্যিক পলি শাহিনা, লেখক ভায়লা সেলিনা, শায়লা আফতাব, টাইম টিভির আউট রিচ ও কমিউনিটি অ্যাফেয়ার্স এডিটর সৈয়দ ইলিয়াস খসরু, সিনিয়র নিউজ প্রেজেন্টার মিজান খন্দকার ও সাদিয়া খন্দকার, ক্যামেরাপারসন মোহাম্মদ সোলায়মান, আইটি বিষয়ক কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান মিলন, মডেল ও কোরিওগ্রাফার পিয়াল হোসেন, আইটিভির সিনিয়র ক্যামেরাপারসন রিসান রাসুল, যুগান্তরের সাবেক সহ-সম্পাদক শাকিল মামুদ, নোয়াখালী ব্যুরো প্রধান রুদ্র মাসুদ প্রমুখ।

ঘটনাপ্রবাহ : যুগান্তর বর্ষপূর্তি-১৮

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter