জোকস দি-বস

  সত্যজিৎ বিশ্বাস ৩০ জুন ২০২০, ১৯:১৬:১০ | অনলাইন সংস্করণ


১ম বন্ধু : বউ মানে কী জানিস?

২য় বন্ধু : এটা আবার কেমন প্রশ্ন হল? বউ মানে তো বউ।

১ম বন্ধু : মোটেও না। ‘ব’ মানে বস, ‘উ’ মানে উঠ। বউ মানে কথায় কথায় বসা আর ওঠা!

গাইড : কী, আমাদের দেশে ঘুরতে কেমন লাগছে?

ট্যুরিস্ট : খুব ভালো লাগছে। কিন্তু একটা ব্যাপার ঠিক বুঝতে পারছি না। তোমাদের সেতুর রেলিংয়ে বাঁশ, ট্রেনের স্লিপারে বাঁশ, বিল্ডিংয়ের রডের জায়গায় বাঁশ, ব্যাপারটা কী? এটা কী তোমাদের দেশের ঐতিহ্য?

গাইড : ঠিক ধরেছ, সব জায়গায় বাঁশ দেয়াটা আমাদের ঐতিহ্য!

১ম বন্ধু : কী রে, মন দিয়ে কী এত লিখছিস?

২য় বন্ধু : সমাজ বদলের ওপর একটা আর্টিকেল।

১ম বন্ধু : লেখালিখি করে যা বদল করার এখনই করে নে। বিয়ের পর আর পারবি না।

২য় বন্ধু : কেন, বিয়ের পর কী সমস্যা?

১ম বন্ধু : বিয়ের পর নিজের ইচ্ছায় টেলিভিশনে একটা চ্যানেলও বদলাতে পারবি না আর সমাজ বদল!

সাংবাদিক : আচ্ছা, আপনি এত ঘনঘন দল বদল করেন কেন?

রাজনীতিবিদ (প্রচণ্ড বিরক্তি নিয়ে) : এটা আপনি কী বললেন? আমি কখন দল বদলালাম? আমি তো দল করি একটাই। সেটা সরকারি দল। ঘন ঘন সরকার বদল হলে সেই দোষ তো আর আমার না, তাই না?

মাদকবিরোধী সম্মেলনে ভাষণ দিচ্ছিলেন এক নেতা। একপর্যায়ে বললেন, আমি যদি এক বালতিতে পানি আর আরেক বালতিতে মদ ভরে গাধার সামনে রাখি, বলুন তো গাধাটা কোন বালতিতে মুখ দেবে? পানির বালতিতে নাকি মদের বালতিতে?

সবাই সমস্বরে : পানির বালতিতে।

নেতা : বলেন তো কেন?

পেছন থেকে এক যুবক : জেনুইন গাধা বলে!

স্কুল শিক্ষিকা : ২০ বছর আগে যে জšে§ছে, আগামী ১০ বছর পরে তার বয়স কত হবেÑ কে বলতে পারবে, হাত তোল।
বিল্টু (হাত তোলে) : আচ্ছা মিস, উনি কি পুরুষ না মহিলা?

স্কুল শিক্ষিকা : কেন, পুরুষ-মহিলা দিয়ে কী হবে?

বিল্টু : না মানে দু’জনের জন্য দুই হিসাব তো, তাই!

ছেলে : আচ্ছা বাবা, আÍমর্যাদা কী জিনিস?

বাবা : আÍমর্যাদা হচ্ছে একটা মহৎ গুণ।

ছেলে : এ গুণ কাদের থাকে, আর কাদের থাকে না?

বাবা : ব্যাচেলরদের থাকে, বিবাহিতদের থাকে না!


মেয়ে মুখ ফুলিয়ে গিয়েছে মায়ের কাছে।

মেয়ে : আচ্ছা মা, আমি কি ঝগড়াটে?

মা : না তো।

মেয়ে : আমি কি কথায় কথায় মুখ ঝামটা দিই?

মা : তা দিবি কেন?

মেয়ে : বাবার মানিব্যাগ থেকে টাকা চুরি করি?

মা : এসব কথা তোকে কে বলেছে, বল তো?

মেয়ে : তাহলে বাবা কেন বলে, তুই হয়েছিস তোর মায়ের মতো?

কোম্পানির মালিক : বিদেশে কিছু প্রতিনিধি পাঠাতে চাই। যারা ওখানে গিয়ে কোম্পানির কিছু প্রোডাক্ট বিক্রি করবে। পারবেন?

চাকরিপ্রার্থী : পারব না মানে? শুধু কোম্পানির প্রোডাক্ট কেন, চাইলে কোম্পানিটাও বিক্রি করে দিয়ে আসতে পারি।

কোম্পানির মালিক : ইয়ে, আপনি দেখছি ওভার কোয়ালিফাইড! আমরা আরেকটু কম দক্ষ লোক খুঁজছি।

ভদ্রলোক : ওয়েটার, স্যুপের বাটিতে এটা কী?
ওয়েটার (চামচ দিয়ে নেড়েচেড়ে) : স্যার, মনে তো হচ্ছে টিকটিকি।

ভদ্রলোক : কী বললে? স্যুপের মধ্যে টিকটিকি?

ওয়েটার : এত অবাক হওয়ার কী আছে? গরমটা কী পড়েছে দেখেছেন?

ভদ্রলোক : গরমের সঙ্গে স্যুপের মধ্যে টিকটিকির কী সম্পর্ক?

ওয়েটার : প্যাথেটিক সম্পর্ক।

ভদ্রলোক : প্যাথেটিক সম্পর্ক মানে?

ওয়েটার : দেয়ালের গরমে টিকতে না পেরে মনে হয় গরম স্যুপে ঝাঁপ দিয়ে পড়ে সুইসাইড করেছে!

প্রেমিক : ওগো, তোমার হাসিতে তো সোনা ঝরে।

প্রেমিকা : সব কুড়িয়ে নাও। বিয়ের সময় যৌতুক চেও না আবার।

প্রেমিকা : আমার যদি অন্য কোথাও বিয়ে হয়ে যায়, তখন?

প্রেমিক : বিয়ের সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্ক কী, বুঝলাম না! তখন তো আরও বেশি করে ভালোবাসব।

ছেলেটি : আপনার মতো সুন্দরী আর কোথাও দেখিনি।

মেয়েটি : আমিও যদি আপনার সম্পর্কে একই কথা বলতে পারতাম, তাহলে খুশি হতাম।

ছেলেটি : মিথ্যে বলা একটা আর্ট! সবাই আমার মতো পারে না।

মেয়েটি : বিয়ের পর আমাকে এখনকার মতো ভালোবাসবে?

ছেলেটি : কার বিয়ের পর? আমার না তোমার?

১ম বন্ধু : আগামীকাল আমার বিয়ে।

২য় বন্ধু : বলিস কী! তাহলে তো আজ তোর জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিন।

১ম বন্ধু : আরে গাধা, বিয়ে আজ না আগামীকাল।

২য় বন্ধু : সে জন্যই তো আজ বললাম। কাল বিয়েটা হয়ে গেলেই বুঝবি, গাধা কে, আমি না তুই?

স্ত্রী হারিয়ে থানায় হাজির হয়েছে কুদ্দুস সাহেব।

মতিন সাহেব : আমার স্ত্রীকে খুঁজে পাচ্ছি না।

পুলিশ অফিসার : আপনার স্ত্রীর বৈশিষ্ট্য কী?

মতিন সাহেব : বদমেজাজি। চিৎকার-চেঁচামেচি ছাড়া কথাই বলতে পারে না।

পুলিশ অফিসার : তাহলে খুঁজছেন কেন?

মেয়ে (টেলিফোনে) : মা, আমার জীবন শেষ।

মা : কেন, কী হয়েছে?

মেয়ে : আমি আর তোমাদের জামাইয়ের সংসার করব না।

মা : আরে বাবা, কী হয়েছে বলবি তো?

মেয়ে : কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের সংসারে আরেকজন আসছে। আমরা দু’জন থেকে তিনজন হতে যাচ্ছি।

মা : এ তো সুখবর। আল্ট্রাসোনোগ্রাম করিয়েছিস? কে আসছে, নাতি না নাতনি?

মেয়ে : সতীন আসছে। তোমাদের জামাই আরেকটা বিয়ে করতে যাচ্ছে।

আরও খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত