ইংল্যান্ডে আমেরিকার এক সৈনিক
jugantor
ইংল্যান্ডে আমেরিকার এক সৈনিক

  আশরাফুল আলম পিনটু  

৩০ জুন ২০২০, ২০:১৫:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আমেরিকার এক সৈন্য তিন মাস ধরে ইউরোপের ফ্রন্টলাইনে লড়ছিল। তিন সপ্তাহের ছুটি দেয়া হল তাকে। সে প্রথমে একটা নৌকা যোগে দক্ষিণ ইংল্যান্ড পৌঁছল। তারপর সেখানে থেকে ট্রেন ধরল লন্ডনের উদ্দেশে। ট্রেনে প্রচণ্ড ভিড়। বসার কোনো জায়গা পেল না।

দাঁড়িয়ে থাকতে না পেরে সে ট্রেনের এ মাথা থেকে ও মাথা পর্যন্ত বসার জায়গা খুঁজতে লাগল। অবশেষে সামনাসামনি সিটের একটা কমপার্টমেন্টে বসার জায়গা পেল। প্রতি সিটে দু’জনের বসার ব্যবস্থা। ব্রিটিশ এক বৃদ্ধা বসে ছিলেন সিটের একপাশে। খালি পাশটায় তার ছোট্ট কুকুর।
‘আমি কি এখানে বসতে পারি।’ বৃদ্ধাকে জিজ্ঞেস করল সৈনিক।

বিরক্ত হলেন বৃদ্ধা। বললেন, ‘তোমরা আমেরিকানরা খুবই অভদ্র! দেখছ না, ওখানে আমার কুকুর বসে আছে!’সৈন্যটি আর একবার পুরো ট্রেন খুঁজে দেখল। কিন্তু কোনো সিটই ফাঁকা পেল না। সে আবার ফিরে এলো সেখানে। বৃদ্ধাকে বলল, ‘দেখুন, আমিও কুকুর খুব ভালোবাসি। আমার বাড়িতে দুটো আছে। এখানে বসে আপনার কুকুরটাকে আমার কোলে রাখতে কোনো অসুবিধা হবে না। বরং খুশিই হব আমি।’

মহিলা জবাব দিলেন, ‘তোমরা আমেরিকানরা শুধু অভদ্রই নও, খুবই উদ্ধতও। তোমরা জঘন্য বিরক্তিকর!’

এ ধরনের মন্তব্য শুনে সৈন্যটি শান্তভাবে এগিয়ে এলো। কুকুরটা তুলে নিয়ে ফেলে দিল জানালা দিয়ে বাইরে। তারপর ফাঁকা জায়গায় বসে পড়ল। বাকহারা হয়ে গেলেন মহিলা।

সামনের সিটে বসে ছিলেন এক বয়স্ক ব্রিটিশ লোক। তিনি বলে উঠলেন, ‘ওহে যুবক, আমি জানি না তোমরা আমেরিকানরা মহিলার বর্ণনার মতো কিনা! কিন্তু আমি জানি, তোমরা আমেরিকানরা অনেক ভুল কাজ করো। রাস্তার ভুল পাশ দিয়ে গাড়ি চালাও। তোমরা কাঁটাচামচ ধরো ভুল হাতে। আর এইমাত্র তুমি ভুল কুকুর ফেলে দিয়েছ জানালা দিয়ে!’

ইংল্যান্ডে আমেরিকার এক সৈনিক

 আশরাফুল আলম পিনটু 
৩০ জুন ২০২০, ০৮:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আমেরিকার এক সৈন্য তিন মাস ধরে ইউরোপের ফ্রন্টলাইনে লড়ছিল। তিন সপ্তাহের ছুটি দেয়া হল তাকে। সে প্রথমে একটা নৌকা যোগে দক্ষিণ ইংল্যান্ড পৌঁছল। তারপর সেখানে থেকে ট্রেন ধরল লন্ডনের উদ্দেশে। ট্রেনে প্রচণ্ড ভিড়। বসার কোনো জায়গা পেল না।

দাঁড়িয়ে থাকতে না পেরে সে ট্রেনের এ মাথা থেকে ও মাথা পর্যন্ত বসার জায়গা খুঁজতে লাগল। অবশেষে সামনাসামনি সিটের একটা কমপার্টমেন্টে বসার জায়গা পেল। প্রতি সিটে দু’জনের বসার ব্যবস্থা। ব্রিটিশ এক বৃদ্ধা বসে ছিলেন সিটের একপাশে। খালি পাশটায় তার ছোট্ট কুকুর।
‘আমি কি এখানে বসতে পারি।’ বৃদ্ধাকে জিজ্ঞেস করল সৈনিক।

বিরক্ত হলেন বৃদ্ধা। বললেন, ‘তোমরা আমেরিকানরা খুবই অভদ্র! দেখছ না, ওখানে আমার কুকুর বসে আছে!’সৈন্যটি আর একবার পুরো ট্রেন খুঁজে দেখল। কিন্তু কোনো সিটই ফাঁকা পেল না। সে আবার ফিরে এলো সেখানে। বৃদ্ধাকে বলল, ‘দেখুন, আমিও কুকুর খুব ভালোবাসি। আমার বাড়িতে দুটো আছে। এখানে বসে আপনার কুকুরটাকে আমার কোলে রাখতে কোনো অসুবিধা হবে না। বরং খুশিই হব আমি।’

মহিলা জবাব দিলেন, ‘তোমরা আমেরিকানরা শুধু অভদ্রই নও, খুবই উদ্ধতও। তোমরা জঘন্য বিরক্তিকর!’

এ ধরনের মন্তব্য শুনে সৈন্যটি শান্তভাবে এগিয়ে এলো। কুকুরটা তুলে নিয়ে ফেলে দিল জানালা দিয়ে বাইরে। তারপর ফাঁকা জায়গায় বসে পড়ল। বাকহারা হয়ে গেলেন মহিলা।

সামনের সিটে বসে ছিলেন এক বয়স্ক ব্রিটিশ লোক। তিনি বলে উঠলেন, ‘ওহে যুবক, আমি জানি না তোমরা আমেরিকানরা মহিলার বর্ণনার মতো কিনা! কিন্তু আমি জানি, তোমরা আমেরিকানরা অনেক ভুল কাজ করো। রাস্তার ভুল পাশ দিয়ে গাড়ি চালাও। তোমরা কাঁটাচামচ ধরো ভুল হাতে। আর এইমাত্র তুমি ভুল কুকুর ফেলে দিয়েছ জানালা দিয়ে!’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন