একটি অলৌকিক গাড়ি দুর্ঘটনা
jugantor
একটি অলৌকিক গাড়ি দুর্ঘটনা

  আশরাফুল আলম পিনটু  

০৭ অক্টোবর ২০২০, ২০:০৪:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

এক লোক আর এক মহিলা গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়ল। নিজেরাই যে যার গাড়ি চালাচ্ছিল। আর কেউ ছিল না গাড়িতে। মুখোমুখি সংঘর্ষ। দুটো গাড়িই ভেঙে চুরমার। বিশেষ করে সামনের দিকটা। কঠিন খারাপ অবস্থা।

তবে আশ্চর্যের ব্যাপার, তাদের দুজনের কিছুই হয়নি। দুজনেই অক্ষত। তারা হামাগুড়ি দিয়ে কোনোমতে বেরিয়ে এলো ভাঙা গাড়ির ভেতর থেকে। লোকটির দিকে তাকিয়ে মহিলা হেসে বলল, ‘ব্যাপারটা খুব মজার! কাকতালীয়ও বলতে পারেন। আপনি একজন পুরুষ, আমি নারী। আর আমরাই কিনা দুর্ঘটনা ঘটালাম!

আমাদের গাড়ির দিকে দেখুন, খুব ভয়াবহ অবস্থা। সব ভেঙে শেষ। কিছুই বাকি নেই। কিন্তু আমাদের সৌভাগ্যই বলতে হবে। আমরা দুজনই অক্ষত রয়েছি। এটা নিশ্চয় ঈশ্বরের একটা ইশারা।’ লোকটাও হেসে বলল, ‘হ্যাঁ, ঘটনাটা কাকতালীয়ই বটে।’

মেয়েটা বলল, ‘ঈশ্বর হয়তো চেয়েছেন, এভাবে আমাদের পরিচয় হবে। আমরা বন্ধুত্ব করব। আর বাকি দিনগুলো শান্তিতে কাটিয়ে দেব একসঙ্গে।’ লোকটা জবাব দিল, ‘আমি আপনার সঙ্গে একমত। নিশ্চয় এটা ঈশ্বরেরই ইচ্ছে।’ মেয়ে বলল, ‘আবার দেখুন, আরেকটা অলৌকিক ব্যাপার। আমার গাড়ি পুরো তছনছ হয়ে গেছে কিন্তু মদের বোতলটা আস্ত আছে। একটুও ভাঙেনি।’ লোকটা বোতলের দিকে লোভাতুর চোখে তাকাল। বলল, ‘খুব দামি মদ দেখছি! আমার খুব পছন্দের।’ ‘হ্যাঁ, আমারও পছন্দের। ঈশ্বর চাইছেন, আমরা এটা পান করে আমাদের সৌভাগ্য উদযাপন করি।’

মেয়েটা বোতল তুলে নিয়ে লোকটাকে দিল। খুশিতে মাথা ঝাঁকাল লোকটা। বোতলের ছিপি খুলল। তারপর অনেকখানি মদ ঢালল গলায়। ঢক ঢক করে পান করল। বোতলটা ফেরত দিল মহিলাকে। মহিলা বোতল নিল কিন্তু নিজে না খেয়ে বোতলের মুখ বন্ধ করল। একটু পর আবার দিল লোকটার হাতে। লোকটা ছিপি খুলে আবার খেল। এবার লম্বা চুমুক।

তারপর বোতলটা মহিলার দিকে বাড়িয়ে ধরে জানতে চাইল, ‘আপনি খাবেন না?’ মহিলা জবাব দিল, ‘এখনই না। আপনি আরেকটু খান।’ লোকটা বলল, ‘আপনি খাচ্ছেন না কেন? কারণটা কী?’ মহিলা : কারণ কিছুই নয়। আমি এখন শুধু পুলিশের জন্য অপেক্ষা করছি। আর আপনি নিশ্চয় জানেন, মদ খেয়ে গাড়ি চালানোর শাস্তি কী!’

একটি অলৌকিক গাড়ি দুর্ঘটনা

 আশরাফুল আলম পিনটু 
০৭ অক্টোবর ২০২০, ০৮:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

এক লোক আর এক মহিলা গাড়ি দুর্ঘটনায় পড়ল। নিজেরাই যে যার গাড়ি চালাচ্ছিল। আর কেউ ছিল না গাড়িতে। মুখোমুখি সংঘর্ষ। দুটো গাড়িই ভেঙে চুরমার। বিশেষ করে সামনের দিকটা। কঠিন খারাপ অবস্থা।

তবে আশ্চর্যের ব্যাপার, তাদের দুজনের কিছুই হয়নি। দুজনেই অক্ষত। তারা হামাগুড়ি দিয়ে কোনোমতে বেরিয়ে এলো ভাঙা গাড়ির ভেতর থেকে। লোকটির দিকে তাকিয়ে মহিলা হেসে বলল, ‘ব্যাপারটা খুব মজার! কাকতালীয়ও বলতে পারেন। আপনি একজন পুরুষ, আমি নারী। আর আমরাই কিনা দুর্ঘটনা ঘটালাম!

আমাদের গাড়ির দিকে দেখুন, খুব ভয়াবহ অবস্থা। সব ভেঙে শেষ। কিছুই বাকি নেই। কিন্তু আমাদের সৌভাগ্যই বলতে হবে। আমরা দুজনই অক্ষত রয়েছি। এটা নিশ্চয় ঈশ্বরের একটা ইশারা।’ লোকটাও হেসে বলল, ‘হ্যাঁ, ঘটনাটা কাকতালীয়ই বটে।’ 

মেয়েটা বলল, ‘ঈশ্বর হয়তো চেয়েছেন, এভাবে আমাদের পরিচয় হবে। আমরা বন্ধুত্ব করব। আর বাকি দিনগুলো শান্তিতে কাটিয়ে দেব একসঙ্গে।’ লোকটা জবাব দিল, ‘আমি আপনার সঙ্গে একমত। নিশ্চয় এটা ঈশ্বরেরই ইচ্ছে।’ মেয়ে বলল, ‘আবার দেখুন, আরেকটা অলৌকিক ব্যাপার। আমার গাড়ি পুরো তছনছ হয়ে গেছে কিন্তু মদের বোতলটা আস্ত আছে। একটুও ভাঙেনি।’ লোকটা বোতলের দিকে লোভাতুর চোখে তাকাল। বলল, ‘খুব দামি মদ দেখছি! আমার খুব পছন্দের।’ ‘হ্যাঁ, আমারও পছন্দের। ঈশ্বর চাইছেন, আমরা এটা পান করে আমাদের সৌভাগ্য উদযাপন করি।’ 

মেয়েটা বোতল তুলে নিয়ে লোকটাকে দিল। খুশিতে মাথা ঝাঁকাল লোকটা। বোতলের ছিপি খুলল। তারপর অনেকখানি মদ ঢালল গলায়। ঢক ঢক করে পান করল। বোতলটা ফেরত দিল মহিলাকে। মহিলা বোতল নিল কিন্তু নিজে না খেয়ে বোতলের মুখ বন্ধ করল। একটু পর আবার দিল লোকটার হাতে। লোকটা ছিপি খুলে আবার খেল। এবার লম্বা চুমুক।

তারপর বোতলটা মহিলার দিকে বাড়িয়ে ধরে জানতে চাইল, ‘আপনি খাবেন না?’ মহিলা জবাব দিল, ‘এখনই না। আপনি আরেকটু খান।’ লোকটা বলল, ‘আপনি খাচ্ছেন না কেন? কারণটা কী?’ মহিলা : কারণ কিছুই নয়। আমি এখন শুধু পুলিশের জন্য অপেক্ষা করছি। আর আপনি নিশ্চয় জানেন, মদ খেয়ে গাড়ি চালানোর শাস্তি কী!’