দাওয়াইয়ের নাম হাসি
jugantor
দাওয়াইয়ের নাম হাসি

  বিনোদন ডেস্ক  

২৯ অক্টোবর ২০২০, ২০:৩৬:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

০১.
শিক্ষক : মানুষ পরিবর্তনশীল-এর প্রমাণ দিতে পারবে কে?
বল্টু : আমি স্যার!
শিক্ষক : ঠিক আছে, বল।
বল্টু : আমাদের মহল্লার সিনিয়র এক ভাই যখন আমাদের সঙ্গে আড্ডা দিত আমরা তাকে বড় ভাই বলে ডাকতাম তখন। এরপর তিনি আমার বড় বোনকে পড়াতে আমাদের বাসায় টিউশনি নিলেন। তখন তাকে আমরা স্যার ডাকতাম। এরপর তিনি একদিন আমার বোনকে নিয়ে পালিয়ে গেলেন! এখন আমরা তাকে দুলাভাই ডাকি!

০২.
অফিসের নতুন বড়কর্তা খুব কঠিন মেজাজের লোক। কাউকে একবিন্দু ছাড় দেন না। চাকরির প্রথম দিনই কোনো একটা বিষয় নিয়ে তিনি খুব খেপে গেলেন। রেগেমেগে নিজের কক্ষ থেকে বেরিয়েই একজনকে পাকড়াও করলেন। অফিসের সবার সামনে চিৎকার করে বললেন, ‘তুমি মাসে কত টাকা মাইনে পাও?’
‘পনের হাজার টাকা স্যার।’
বড়কর্তা তাঁর মুখের ওপর পনের হাজার টাকা ছুড়ে মেরে বললেন, ‘এই নাও তোমার এ মাসের মাইনে। বেরিয়ে যাও এখান থেকে। আমি যেন এ অফিসে তোমাকে আর না দেখি!’
লোকটা বেরিয়ে যেতেই বড়কর্তা সবাইকে সাবধান করে দিয়ে বললেন, ‘প্রয়োজন হলে এভাবেই অফিসের প্রত্যেককে বের করে দেব আমি। যাই হোক, ওই লোকটা আমাদের অফিসে কী কাজ করত?’
কর্মচারীদের একজন বলল, ‘স্যার, ও তো আমাদের অফিসের কেউ না! এখানে সে পিৎজা ডেলিভারি দেয়!’
০৩.
এক হোটেলের রিসেপশনিস্ট রাত বারটার সময় একটি ফোন পেল। ফোন তুলতেই এক মাতালের কণ্ঠস্বর ভেসে এলো, ‘আচ্ছা, আপনাদের বারটা কখন খোলে বলুন তো?’
বিনীত ভাবে রিসেপশনিস্ট বলল, ‘স্যার, আগামীকাল দুপুর দুইটার সময় খুলবে।’
ফোন কেটে গেল। ঘন্টাখানেক বাদে আবারও ফোন এলো। এবারও সেই একই কণ্ঠস্বর। তবে এবার আরও জড়িয়ে এসেছে কণ্ঠ। কথাও আরও এলোমেলো, ‘এই ব্যাটা, বারটা কখন খোলে বল তো?’
রিসিপশনিস্ট যতটা সম্ভব মাথা ঠাণ্ডা রেখে বলল, ‘আগামীকাল দুইটার সময়।’

ঘন্টাখানেক পর আবারও ফোন এবং আরো জড়ানো গলায় বলল, ‘তুই কি ঠিক করে বলবি নাকি বলবি নাÑ বারটা কখন খোলে?’
ধৈর্য্য হারিয়ে রিসেপশনিস্ট বলল, ‘স্যার, কাল দুইটার সময় খুলবে। কিন্তু আপনি যদি ততক্ষণ অপেক্ষা
করতে না পারেন, তাহলে আপনি অর্ডার করুন আমি রুম-সার্ভিস পাঠিয়ে দিচ্ছি আপনার কাছে।’
‘ধুর ব্যাটা! বারে কে যেতে চাইছে, আমি তো বার থেকে বেরোতে চাচ্ছি!’ জবাব এলো ওপাশ থেকে।

গ্রন্থনা : রাফিয়া আক্তার

দাওয়াইয়ের নাম হাসি

 বিনোদন ডেস্ক 
২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

০১.
শিক্ষক : মানুষ পরিবর্তনশীল-এর প্রমাণ দিতে পারবে কে?
বল্টু : আমি স্যার!
শিক্ষক : ঠিক আছে, বল।
বল্টু : আমাদের মহল্লার সিনিয়র এক ভাই যখন আমাদের সঙ্গে আড্ডা দিত আমরা তাকে বড় ভাই বলে ডাকতাম তখন। এরপর তিনি আমার বড় বোনকে পড়াতে আমাদের বাসায় টিউশনি নিলেন। তখন তাকে আমরা স্যার ডাকতাম। এরপর তিনি একদিন আমার বোনকে নিয়ে পালিয়ে গেলেন! এখন আমরা তাকে দুলাভাই ডাকি!

০২.
অফিসের নতুন বড়কর্তা খুব কঠিন মেজাজের লোক। কাউকে একবিন্দু ছাড় দেন না। চাকরির প্রথম দিনই কোনো একটা বিষয় নিয়ে তিনি খুব খেপে গেলেন। রেগেমেগে নিজের কক্ষ থেকে বেরিয়েই একজনকে পাকড়াও করলেন। অফিসের সবার সামনে চিৎকার করে বললেন, ‘তুমি মাসে কত টাকা মাইনে পাও?’
‘পনের হাজার টাকা স্যার।’
বড়কর্তা তাঁর মুখের ওপর পনের হাজার টাকা ছুড়ে মেরে বললেন, ‘এই নাও তোমার এ মাসের মাইনে। বেরিয়ে যাও এখান থেকে। আমি যেন এ অফিসে তোমাকে আর না দেখি!’
লোকটা বেরিয়ে যেতেই বড়কর্তা সবাইকে সাবধান করে দিয়ে বললেন, ‘প্রয়োজন হলে এভাবেই অফিসের প্রত্যেককে বের করে দেব আমি। যাই হোক, ওই লোকটা আমাদের অফিসে কী কাজ করত?’
কর্মচারীদের একজন বলল, ‘স্যার, ও তো আমাদের অফিসের কেউ না! এখানে সে পিৎজা ডেলিভারি দেয়!’
০৩.
এক হোটেলের রিসেপশনিস্ট রাত বারটার সময় একটি ফোন পেল। ফোন তুলতেই এক মাতালের কণ্ঠস্বর ভেসে এলো, ‘আচ্ছা, আপনাদের বারটা কখন খোলে বলুন তো?’
বিনীত ভাবে রিসেপশনিস্ট বলল, ‘স্যার, আগামীকাল দুপুর দুইটার সময় খুলবে।’
ফোন কেটে গেল। ঘন্টাখানেক বাদে আবারও ফোন এলো। এবারও সেই একই কণ্ঠস্বর। তবে এবার আরও জড়িয়ে এসেছে কণ্ঠ। কথাও আরও এলোমেলো, ‘এই ব্যাটা, বারটা কখন খোলে বল তো?’
রিসিপশনিস্ট যতটা সম্ভব মাথা ঠাণ্ডা রেখে বলল, ‘আগামীকাল দুইটার সময়।’

ঘন্টাখানেক পর আবারও ফোন এবং আরো জড়ানো গলায় বলল, ‘তুই কি ঠিক করে বলবি নাকি বলবি নাÑ বারটা কখন খোলে?’
ধৈর্য্য হারিয়ে রিসেপশনিস্ট বলল, ‘স্যার, কাল দুইটার সময় খুলবে। কিন্তু আপনি যদি ততক্ষণ অপেক্ষা
করতে না পারেন, তাহলে আপনি অর্ডার করুন আমি রুম-সার্ভিস পাঠিয়ে দিচ্ছি আপনার কাছে।’
‘ধুর ব্যাটা! বারে কে যেতে চাইছে, আমি তো বার থেকে বেরোতে চাচ্ছি!’ জবাব এলো ওপাশ থেকে।

গ্রন্থনা : রাফিয়া আক্তার