পবিপ্রবিতে উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিভাজন সৃষ্টির অভিযোগ জিয়া পরিষদের
দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৫ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) উপাচার্যের বিরুদ্ধে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিভাজন সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগটি করে বিশ্ববিদ্যালয়টির জিয়া পরিষদের কর্মকর্তা ইউনিট।
রেজিস্ট্রারকে করা শোকজপত্রের স্বাক্ষর ইস্যুতে সংগঠনটির সহ-সভাপতি ও উপাচার্য দপ্তরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. শাহজালালকে ব্যাখ্যা তলব করে দেওয়া চিঠিতে এ অভিযোগ তোলা হয়।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যায় জিয়া পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম শাহাদাত হোসেন মিয়ার স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই জাতীয়তাবাদী আদর্শের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করে নিজের মতাদর্শের সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া পরিষদের কর্মকর্তা ইউনিটের সদস্যরা উপাচার্যের এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন। তবে সম্প্রতি জিয়া পরিষদের সহসভাপতি ও উপাচার্য দপ্তরের কর্মকর্তা মো. শাহজালালের স্বাক্ষরিত বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর পাঠানো একটি বেআইনি শোকজ চিঠিকে কেন্দ্র করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট মহলে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, যা সংগঠনের ভাবমূর্তিকেও ক্ষুণ্ন করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে শুক্রবারের অনলাইন সাধারণ সভায় ওই কর্মকর্তার বরাত দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তার সম্মতি ছাড়াই স্ক্যান করা স্বাক্ষর ব্যবহার করে ওই শোকজ চিঠি ইস্যু করা হয়েছে।
এমতাবস্থায় ঘটনার সার্বিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে আগামী ১৬ মার্চের মধ্যে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে সংগঠনটির সহসভাপতি ও উপাচার্য দপ্তরে কর্মকর্তা মো. শাহজালালকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
শোকজ চিঠির বিষয়ে জিয়া পরিষদের সহ-সভাপতি ও উপচার্য কার্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. শাহজালাল জানান, তিনি ক্যাম্পাসের বাইরে ছিলেন। এটি ঠিক যে তার স্বাক্ষরটি স্ক্যান করে বসানো হয়েছে। তবে এটাও সত্য যে, উপাচার্য তাকে চিঠির বিষয়বস্তু ও স্বাক্ষরের বিষয়ে আগেই জানিয়েছিলেন।
রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে অভিযোগের বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করা একজন বিএনপিপন্থি মানুষ। কোনোভাবেই জামায়াতপন্থি নন। তাদের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
