ইউজিসি চেয়ারম্যান
২ বছরের মধ্যে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন
জাককানইবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৪ পিএম
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়কে ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। একই সঙ্গে তিনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।
বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত টিএসসি ভবনের অডিটোরিয়ামে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও ওরিয়েন্টেশন বক্তা হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. মামুন আহমেদ বলেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়কে ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের আওতায় আনা হবে। শিক্ষক স্বল্পতাসহ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো সমাধানে ইউজিসি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করবে।
নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা সবাই মেধাবী। তবে শুধু মেধা নয়, অধ্যবসায়ের কারণেই তোমরা ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছ। তোমরা যে যেখান থেকেই আসো না কেন, সবাই সমান। কবি নজরুলের আদর্শে এখানে উঁচু-নিচুর কোনো ভেদাভেদ নেই। শুধু পড়াশোনা করলেই হবে না, এক্সট্রা কারিকুলাম কার্যক্রমেও দক্ষ হতে হবে। নিজেকে আগামী দিনের জন্য প্রস্তুত করে একজন যোগ্য মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশের প্রশংসা করে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়টিতে আধুনিক অবকাঠামোর পাশাপাশি মনোরম ও সবুজ পরিবেশ রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও গবেষণার জন্য সহায়ক।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়াসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ডা. মাহাবুবুর রহমান। এছাড়া বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও নবীন শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে তাদের হাতে ফোল্ডার, নোটবুক, কলম ও একাডেমিক ক্যালেন্ডার তুলে দেওয়া হয়। নবীন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকেও কয়েকজন শিক্ষার্থী তাদের অনুভূতি প্রকাশ করেন।
