মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় মানবসম্পদ উন্নয়নে কাজ করছে আইইউবিএটি

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:২৪ | অনলাইন সংস্করণ

শিক্ষা,

১৯৫২ সালে ভাষার জন্য আন্দোলন এবং জীবনদানের মাধ্যমে তা প্রতিষ্ঠিত করা পৃথিবীর ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত। বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূলভিত্তি হচ্ছে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন। ১৯৭১ সাল। আমাদের জাতীয় ইতিহাসের শ্রেষ্ঠতম অধ্যায় হল একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। এই মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্মলাভ করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। অনেক রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হল স্বাধীনতা , জন্ম নীল এক নতুন দেশ।সার্থক হল কোটি মানুষের স্বপ্ন।

আমাদের মাতৃভূমির যে মাটিতে আমরা দাঁড়িয়ে আছি, ওপরে তাকালে যে আকাশ আমরা দেখতে পাই কিংবা নিঃশ্বাসে যে বাতাস আমরা বুকের ভেতর টেনে নেই, তার সবকিছুর জন্যই আমরা আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে ঋণী।

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দেশের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে যারা কাজ করেছেন তাদের মধে অন্যতম হলেন শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. এম আলিমউল্যা মিয়ান। জ্ঞানগর্ভ ব্যক্তি ও বিভিন্ন শিক্ষামূলক পেশার অধিকারী ড. মিয়ান ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল মোহাম্মদ সফকিউল্লাহ,বীর প্রতীক এর ছোট ভাই । ছোট্ট একটি প্রশ্ন, ছোট একটি আলোর রেখা উঁকি দিয়েছিল দেশপ্রেমিক মেধাবী এই বাঙালির মনে। কিন্তু সেদিনের প্রশ্নটা খুব ছোট হলেও এর উদ্দেশ্য ছিল দিগন্ত জোড়া।

আর সেই ছোট্ট প্রশ্ন আর অনেক বড় উদ্দেশ্যকে সাথী করেই মেধাবী ও দেশপ্রেমিক ড. মিয়ান এদেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কিছু করার লক্ষ্যে ১৯৮০’র দশকে দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক পরিকল্পনা শুরু করেছিলেন; যা ১৯৮৯ সালে একটি কার্যপত্রে রূপ নেয়। সবার জন্য উচ্চ শিক্ষা মূলমন্ত্রের মধ্য দিয়ে ১৯৯১ সালে ড. এম আলিমউল্যা মিয়ান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশে বেসরকারি পর্যায়ে প্রথম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার এন্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি) ।

প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই জ্ঞানভিত্তিক এলাকা উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে আইইউবিএটি। কমিউনিটি পর্যায়ে স্বনির্ভরতা অর্জনের একটি পদক্ষেপ হিসেবে,'জ্ঞানভিত্তিক এলাকা উন্নয়ন ' ধারণার আওতায় আইইউবিএটির দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হচেছ প্রতিটি গ্রাম/মহল্লা থেকে অন্তত একজন করে পেশাদারী গ্র্যাজুয়েট তৈরি করা। এই পরিকল্পনাকে বাস্তব রূপ দেয়ার জন্য এবং 'জ্ঞানভিত্তিক এলাকা উন্নয়ন এর ধারনাকে বাস্তবায়নের জন্য, আইইউবিএটিতে শিক্ষা অর্থায়নের জন্য পারিবারিক সম্পদের সম্পুরক হিসেবে সাহায্যের বিশেষ ব্যবস্থা আছে, যেমন স্কলারশীপ, অনুদান, বেতন মওকুফ, ডেফার্ড পেমেন্ট, শিক্ষাকালিন কর্মসংস্থান, বিশেষ সুবিধা, শিক্ষা অর্থায়ন (আইএমসিএসএল)-এর মাধ্যমে এবং অনুরুপ সাহায্য।

আইইউবিএটির নীতি হল যোগ্যতাসম্পন্ন এবং পেশাদারী উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী সব শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে তাদের পরিবারের আয়ের নিরিখে যথোপযুক্ত শিক্ষা অর্থায়ন ব্যবস্থার মাধ্যমে সুযোগ উন্মুক্ত করে দেয়া। বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়াবার প্রত্যয়। প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এক বড় পথিকৃত, এক বড় অংশীদার ডিজিটালাইজেসন। এর ফলে শিক্ষা, লেনদেনে, ব্যবসা বাণিজ্য, যোগাযোগ সব ক্ষেত্রে অর্জন হচ্ছে অভূতপূর্ব সাফল্য। আইইউবিএটির সময় উপযোগী আধুনিক ,বিজ্ঞানসম্মত শিক্ষার পাঠদান পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের কাছে ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। আইইউবিএটির সার্বিক লক্ষ্য হচ্ছে উপযুক্ত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনার মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও জ্ঞানচর্চা যার মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করা।

একদিন বড় একটি স্বপ্ন নিয়ে তিনি ছোট ছোট যে স্বপ্নের বীজ বুনেছিলেন মনের গহীনে, আজ তা অনেক মানুষের একটি সফল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। নতুন প্রজন্ম উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রিয় বাংলাদেশকে কাঙিক্ষত স্বপ্নচূড়ার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বিজয় দিবসে আইইউবিএটি পরিবারের এটাই প্রত্যাশা।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর
-

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×