শহিদ ও মুক্তিযোদ্ধা ছাত্র-শিক্ষকদের স্মরণে ঢাবির ভূতত্ত্ব বিভাগের ব্যতিক্রমী আয়োজন

  যুগান্তর ডেস্ক    ২৭ মার্চ ২০১৯, ০১:১৮ | অনলাইন সংস্করণ

শহিদ ও মুক্তিযোদ্ধা ছাত্র-শিক্ষকদের স্মরণে ঢাবির ভূতত্ত্ব বিভাগের ব্যতিক্রমী আয়োজন
শহিদ ও মুক্তিযোদ্ধা ছাত্র-শিক্ষকদের স্মরণে ঢাবির ভূতত্ত্ব বিভাগের ব্যতিক্রমী আয়োজন। ছবি-সংগৃহীত

মহান মুক্তিযুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের দুই শহিদ শিক্ষার্থী ও একজন শহিদ শিক্ষক স্মরণে ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছে বিভাগটি। ভূতত্ত্ব বিভাগের এ তিন শহিদদের স্মরণে নির্মাণ করা হয় স্মৃতিফলক ‘আগ্নেয়-৭১’। পাশাপাশি ভূতত্ত্ব বিভাগের মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ পরিবার ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠকদের দেয়া হয়েছে বিশেষ সম্মাননা।

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক এম এ লতিফ মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। অনুষ্ঠানে ভূতত্ত্ব বিভাগের ৭ জন মুক্তিযোদ্ধা, ৩ শহিদ পরিবার ও ৩ জন মুক্তিযোদ্ধের সংগঠককে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে সম্মাননাপ্রাপ্ত শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারগুলো হচ্ছে- ভূতত্ত্ব বিভাগের সিনিয়র লেকচারার শহিদ মো. আব্দুল মুকতাদির , ভূতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী শহিদ বরদাকান্ত তরফদার ও শহিদ মো. আবুল কাসেম। সম্মাননাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা হলেন- ড. হুমায়ুন আশরাফ, মো. জয়নাল আবেদীন, মো. মকবুল-ই-ইলাহী, বীর বিক্রম লে. ক. (অব.) মো. মনোয়ার হোসেন, খন্দকার ফজল হাসান, অধ্যাপক ড. মো. হোসেন মনসুর ও খোন্দকার শাহজাহান। এছাড়া তিন সংগঠক হলেন প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান ড. মো. আব্দুল লতিফ, ড. খন্দকার মোশারফর হোসেন ও ড. খলিলুর রহমান চৌধুরী।

এর আগে শহিদজায়া তাহমিনা মুকতাদিরকে সঙ্গে নিয়ে বিভাগ প্রাঙ্গণে ‘আগ্নেয়-৭১’ স্মৃতিফলক উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আখতারুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবসে শহিদদের স্মরণে পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব আয়োজন করা হয়েছে, এর মধ্যে ভূতত্ত্ব বিভাগের এ আয়োজনটি অন্যরকম। এভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করতে পেরে আমরা গর্বিত।’

মুক্তিযুদ্ধে ভূতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আব্দুল লতিফের অসমান্য অবদানের কথা স্মরণ করেন বক্তারা।

তারা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে তিনি অর্থসংগ্রহকারী হিসেবে কাজ করেছেন। এ বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন মুক্তিযুদ্ধের এ সংগঠক।’

সম্মাননাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, ‘স্বাধীনতার এতো বছর পরে এসে নিজ বিভাগ থেকে এ সম্মাননা পেয়ে মনে হচ্ছে, এটাই জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।’

ভূতত্ত্ব অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি ড. এ এ এম শামসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আর্থ অ্যান্ড ইনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ভূতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ।

এছাড়াও অতিথি হিসিবে উপস্থিত ছিলেন ভূতত্ত্ব বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা লে. ক (অব.) মো. মনোয়ার হোসেন, বীর বিক্রম প্রমুখ।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর
-

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×