তৃণভোজী উট পাখির পেটে মিলল দেড় কেজি লোহা!

  বাকৃবি প্রতিনিধি ০৩ জুলাই ২০১৯, ২০:২১ | অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উটপাখিকে অস্ত্রোপচার করা হয়
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উটপাখিকে অস্ত্রোপচার করা হয়

পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় ও ওজন বিশিষ্ট হলো উট পাখি। খাদ্যাভাসের দিক থেকে উটপাখি সাধারণত তৃণভোজী হলেও অনেক সময় এরা পোকামাকড় ও অনেক অখাদ্য বস্তু খেয়ে থাকে।

সাধারণত অপ্রাপ্তবয়স্ক পাখিগুলো অখাদ্য খেয়ে ফেলে। নেত্রকোণার এক চিড়িয়াখানায় থাকা মাত্র আট মাস বয়সী দুটি উট পাখি বিভিন্ন লৌহ জাতীয় অখাদ্য বস্তু খেয়ে ফেলায় সংকটাপন্ন অবস্থায় পড়ে।

বুধবার নেত্রকোণা থেকে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অবস্থিত ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালে আনা হলে পরীক্ষার মাধ্যমে পাখিটির পাকস্থলিতে অখাদ্য বস্তুর উপস্থিতি টের পাওয়া যায়।

পরে পাখিটির ভেন্ট্রিকুলোস্টমি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সফলতা পায় ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালের পরিচালক এবং সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল আলম ও তার দল।

অস্ত্রোপাচার দলে অন্যান্য সদস্যরা হলেন একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুল আলম, ড. রুখসানা আমিন রুনা ও ডা. মোহাম্মদ রাগীব মুনীফ।

কয়েক ঘণ্টার অস্ত্রোপচারের পর পাখিটির পাকস্থলী থেকে ৪১টি তারকাটা, ১টি চা চামচ, ১টি প্লাস্টিক সিরিঞ্জ, ১টি প্লাস্টিক পেনিয়াম, ২ টাকা ও ৫ টাকার কয়েন, ১২টি টিনের চাকতি, ৫টি নাট-বোল্ট, বিভিন্ন আকৃতির প্লাস্টিক ও কাচের টুকরো, চিপস ও চকলেটের প্যাকেটের খণ্ড এবং অসংখ্য পাথর ও ইটের ছোট ছোট টুকরো বের করা হয়। যার মোট ওজন প্রায় দেড় কেজি।

কয়েক ঘণ্টার অস্ত্রোপচারের পর উটপাখির পাকস্থলী থেকে বের করা হয় দেড় কেজি লোহা

অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল আলম বলেন, আমরা পাখিটির ব্যাপারে শংকিত ছিলাম। তবে অপারেশনের পর পাখিটিকে ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় রাখা হয়েছে। বর্তমানে পাখিটি সুস্থ আছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

-

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×