ঢাবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর, ছাত্রলীগের ৭ নেতাকে বহিষ্কার

  ঢাবি প্রতিনিধি ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ২১:৫১ | অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ধার দেয়া ক্যালকুলেটর ফেরত চাওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধর করার ঘটনায় সাত ছাত্রলীগ নেতাকে বিভিন্ন মেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে একজনকে স্থায়ী পাঁচজনকে দুই বছর এবং একজনকে এক বছরের জন্য বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি এদের হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

রোববার বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী।

স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত হলেন- শাখা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক ও মার্কেটিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. ওমর ফারুক। দুই বছরের জন্য বহিষ্কার হয়েছেন- শাখা ছাত্রলীগের সদস্য সামিউল ইসলাম সামি (সমাজবিজ্ঞান বিভাগ), আহসান উল্লাহ (দর্শন বিভাগ), সহ-সম্পাদক মোঃ রুহুল আমিন বেপারী (গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ), প্রশিক্ষণ বিষয়ক উপ-সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান হিমেল (উর্দু বিভাগ), সহ-সম্পাদক ফারদিন আহমেদ মুগ্ধ (লোক প্রশাসন বিভাগ)। এরা প্রত্যেকেই দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

এছাড়া ঘটনায় প্ররোচনা দেয়ার দায়ে হল ছাত্রলীগের সহসভাপতি এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. আরিফুল ইসলামকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কারের বিষয়ে সোমবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী যুগান্তরকে বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সোমবার দুপুরের বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা কমিটির সভা এ সিদ্ধান্ত নেয়। একাডেমিক ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি তাদের হল থেকেও আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে। আগামীকাল (মঙ্গলবার) বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের সভায় বিষয়গুলো চূড়ান্ত হবে।

প্রসঙ্গত, ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হলের ছাত্র এবং দুর্যোগবিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের এহসান রফিককে মেরে রক্তাক্ত করে শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এতে ওই শিক্ষার্থীর শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক জখম হয় এবং বাম চোখের কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরের দিন তাকে হল ছাত্রলীগের সভাপতির কক্ষে আটকে রাখা হয়।

অপকর্মের দায় থেকে মুক্তি পেতে তার বিরুদ্ধে ‘শিবির’ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনা হয়। বর্তমানে এহসান গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহে অবস্থান করছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চেন্নাইয়ে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.