সৃজনী প্রকাশকের বিরুদ্ধে ইবি শিক্ষকের মামলা
jugantor
সৃজনী প্রকাশকের বিরুদ্ধে ইবি শিক্ষকের মামলা

  ইবি প্রতিনিধি  

১৬ নভেম্বর ২০১৯, ২১:৫৫:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

সংবাদ সম্মেলন

ভারতের এক বইমেলায় ‘সৃজনী প্রকাশনী’ থেকে প্রকাশিত ‘দ্য গ্রেট মিথোলোজি’ শিরোনামে একটি বই প্রকাশ করা হয়। ওই বইয়ের লেখক হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. মনজুর রহমানের নাম ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই বইটির সঙ্গে ‘গ্রিক পুরান কথা শিরোনামে’ ১৯৬০ সালে তুলি-কলম থেকে প্রকাশিত সুধাংশু রঞ্জন ঘোষের লেখা বইয়ের মিল পাওয়া গেছে। বইটি ভারতে প্রকাশ হলে ভারতীয় এক পাঠক বইটির সঙ্গে শুধাংশু ঘোষের বইয়ের লেখার হুবহু মিল আছে এমন বেশ কয়েকটি পৃষ্ঠার ছবি তুলে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। এর পর থেকে লেখক ও পাঠক সমাজে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করে।

এদিকে ‘দ্য গ্রেট মিথোলোজি’ পুস্তকে নিজের স্বত্ব নেই দাবি করে সৃজনী প্রকাশকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ইবি শিক্ষক ড. মনজুর রহমান। ১৪ নভেম্বর তিনি ঝিনাইদহ সদরের বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালত এই মামলা দায়ের করেন। মামলায় স্বত্বধিকারী সৃজনী প্রকাশনীর প্রকাশক মশিউর রহমানকে বিবাদী করা হয়েছে।

তিনি দাবি করেন, স্বত্বাধিকারী সৃজনী প্রকাশনী ৪০/৪১ আহাম্মদ কমপ্লেক্স’র ঢাকা-১১০০ কর্তৃক প্রকাশিত ‘দ্য গ্রেট মিথোলোজি’ পুস্তকের লেখকের নামের জায়গায় আমার নাম ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই বইয়ের লেখক আমি কোনো দিনই ছিলাম না বা তাদের কাছে কোনো পাণ্ডুলিপি জমা দেইনি। কে বা কারা আমার নাম ব্যবহার করে প্রকাশকের সঙ্গে ঐক্যতায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে প্রকাশ করেছে।

আর অন্য কারোর বই ষড়যন্ত্র করে আমার নামে চালিয়ে দেয়ায় ইকুইটি মতে বা এস. আর অ্যাক্ট-এর ৪২ ধারায় মামলা করেছি।

শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস কর্ণরে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।

জানা গেছে, তিনি ইতিপূর্বে সৃজনী প্রকাশনা থেকে তার কয়েকটি বই প্রকাশ করেন। ওই প্রকাশকের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা ও সখ্য রয়েছে বলেও জানান ড. মনজুর রহমান।

এ বিষয়ে সৃজনী প্রকাশক মশিউর রহমান বলেন, লেখকের নামের বিষয়টি ভুলবশত হয়েছে। বইটি প্রকাশের সময় আমি ভারতে ছিলাম। যার ফলে আমার ম্যানেজার ভুলবশত বইটির লেখকের জায়গায় অধ্যাপক ড. মনজুর নাম দিয়েছে। তবে আমি বাংলাদেশ এসে বইটি ডেসট্রয় (ধ্বংস) করে দিয়েছি। বর্তমানে কেউ বইটি খুঁজে পাবে না। তাছাড়া এ ঘটনার জন্য আমি ড. মনজুর কাছে মোবাইলে দুঃখ প্রকাশ করেছি।

সৃজনী প্রকাশকের বিরুদ্ধে ইবি শিক্ষকের মামলা

 ইবি প্রতিনিধি 
১৬ নভেম্বর ২০১৯, ০৯:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সংবাদ সম্মেলন
সংবাদ সম্মেলন। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের এক বইমেলায় ‘সৃজনী প্রকাশনী’ থেকে প্রকাশিত ‘দ্য গ্রেট মিথোলোজি’ শিরোনামে একটি বই প্রকাশ করা হয়। ওই বইয়ের লেখক হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. মনজুর রহমানের নাম ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই বইটির সঙ্গে ‘গ্রিক পুরান কথা শিরোনামে’ ১৯৬০ সালে তুলি-কলম থেকে প্রকাশিত সুধাংশু রঞ্জন ঘোষের লেখা বইয়ের মিল পাওয়া গেছে। বইটি ভারতে প্রকাশ হলে ভারতীয় এক পাঠক বইটির সঙ্গে শুধাংশু ঘোষের বইয়ের লেখার হুবহু মিল আছে এমন বেশ কয়েকটি পৃষ্ঠার ছবি তুলে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। এর পর থেকে লেখক ও পাঠক সমাজে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করে।

এদিকে ‘দ্য গ্রেট মিথোলোজি’ পুস্তকে নিজের স্বত্ব নেই দাবি করে সৃজনী প্রকাশকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ইবি শিক্ষক ড. মনজুর রহমান। ১৪ নভেম্বর তিনি ঝিনাইদহ সদরের বিজ্ঞ সহকারী জজ আদালত এই মামলা দায়ের করেন। মামলায় স্বত্বধিকারী সৃজনী প্রকাশনীর প্রকাশক মশিউর রহমানকে বিবাদী করা হয়েছে। 

তিনি দাবি করেন, স্বত্বাধিকারী সৃজনী প্রকাশনী ৪০/৪১ আহাম্মদ কমপ্লেক্স’র ঢাকা-১১০০ কর্তৃক প্রকাশিত ‘দ্য গ্রেট মিথোলোজি’ পুস্তকের লেখকের নামের জায়গায় আমার নাম ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই বইয়ের লেখক আমি কোনো দিনই ছিলাম না বা তাদের কাছে কোনো পাণ্ডুলিপি জমা দেইনি। কে বা কারা আমার নাম ব্যবহার করে প্রকাশকের সঙ্গে ঐক্যতায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে প্রকাশ করেছে। 

আর অন্য কারোর বই ষড়যন্ত্র করে আমার নামে চালিয়ে দেয়ায় ইকুইটি মতে বা এস. আর অ্যাক্ট-এর ৪২ ধারায় মামলা করেছি। 

শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেস কর্ণরে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন। 

জানা গেছে, তিনি ইতিপূর্বে সৃজনী প্রকাশনা থেকে তার কয়েকটি বই প্রকাশ করেন। ওই প্রকাশকের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা ও সখ্য রয়েছে বলেও জানান ড. মনজুর রহমান।

এ বিষয়ে সৃজনী প্রকাশক মশিউর রহমান বলেন, লেখকের নামের বিষয়টি ভুলবশত হয়েছে। বইটি প্রকাশের সময় আমি ভারতে ছিলাম। যার ফলে আমার ম্যানেজার ভুলবশত বইটির লেখকের জায়গায় অধ্যাপক ড. মনজুর নাম দিয়েছে। তবে আমি বাংলাদেশ এসে বইটি ডেসট্রয় (ধ্বংস) করে দিয়েছি। বর্তমানে কেউ বইটি খুঁজে পাবে না। তাছাড়া এ ঘটনার জন্য আমি ড. মনজুর কাছে মোবাইলে দুঃখ প্রকাশ করেছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন