সমালোচনার মুখে ডিনের পদ ছাড়লেন বেরোবি ভিসি
jugantor
সমালোচনার মুখে ডিনের পদ ছাড়লেন বেরোবি ভিসি

  বেরোবি প্রতিনিধি  

১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৯:৩৬:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ভিসি প্রফেসর ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর বিরুদ্ধে শিক্ষকদের করা সংবাদ সম্মেলনের পর প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন পদ ছেড়েছেন।

শুক্রবার রাতে এই পদে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

পরদিন জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গত বুধবার ভিসির অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও স্বেচ্ছাচারিতাসহ অর্ধশতাধিক অভিযোগ এনে সংবাদ সংবাদ সম্মেলন করেন ভিসিবিরোধী শিক্ষকদের নতুন সংগঠন অধিকার সুরক্ষা পরিষদ।

সূত্র জানায়, শিক্ষকদের ওই সব অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর সরকারের সর্বোচ্চ মহলে কড়া সমালোচনার পর ভিসির নিজের দায়িত্বে রাখা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন পদটি ছেড়ে দেন।

এ বিষয়ে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের সাবেক ডিন প্রফেসর ড. একে এম ফরিদ-উল ইসলাম বলেন, ২০১৭ সালের ২২ নভেম্বর দুই বছরের জন্য ডিন হিসেবে যোগদান করি। গত বছরের নভেম্বরে দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর ওই অনুষদে যোগ্য শিক্ষক থাকার পরও ভিসি নিজে ডিন পদ নিজের দায়িত্বে রেখেছিলেন।

নতুন ডিন ড.মিজানুর রহমান যথাযথ নিয়ম অনুযায়ী ডিন নিয়োগ হওয়া প্রয়োজন উল্লেখ করে বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে একাডেমিক দিককে এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট অনুষদ থেকে ডিন নিয়োগ দেয়া উচিত।

বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক দেয়া ভিসির নিয়োগের শর্ত লঙ্ঘন করে ক্যাম্পাসে ধারাবাহিক অনুপস্থিত থাকা, ঢাকার লিয়াজোঁ অফিসে সব বোর্ড ও সভা করা, নারী শিক্ষকের সঙ্গে গোপন ছবি ও নাচ ভাইরাল এবং সেই শিক্ষকের বোনকে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি করে প্রথম বানানো, ব্যক্তিগত সংস্থা জানিপপের কাজে গাড়ি ব্যবহার, একাডেমিক ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ, ৩ অনুষদের ডিন ও এক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, ট্রেজারার পদ ও ড. ওয়াজেদ রিসার্চ ইন্সটিটিউটের পরিচালক পদ আঁকড়ে রাখা, ইউজিসির নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জোর করে ঢাকায় রাখা, নিজের মাকে নিয়োগ বোর্ডের এক্সপার্ট বানানোর অভিযোগ করা হয়।

এর পরদিন বর্তমান ভিসির আমলে সদ্য নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা নবপ্রজন্ম শিক্ষক পরিষদ গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আবদুল্লাহ আল মাহবুবের উপস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলনে ভিসির নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় গুণগত ও অবকাঠামোগতসহ নানা সুবিধা পাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন। এ ছাড়াও স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের দখলদারিত্ব ও নিয়োগ বাণিজ্য করতে ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন।

সমালোচনার মুখে ডিনের পদ ছাড়লেন বেরোবি ভিসি

 বেরোবি প্রতিনিধি 
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৭:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ভিসি প্রফেসর ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর বিরুদ্ধে শিক্ষকদের করা সংবাদ সম্মেলনের পর প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন পদ ছেড়েছেন।

শুক্রবার রাতে এই পদে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

পরদিন জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে গত বুধবার ভিসির অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও স্বেচ্ছাচারিতাসহ অর্ধশতাধিক অভিযোগ এনে সংবাদ সংবাদ সম্মেলন করেন ভিসিবিরোধী শিক্ষকদের নতুন সংগঠন অধিকার সুরক্ষা পরিষদ।

সূত্র জানায়, শিক্ষকদের ওই সব অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর সরকারের সর্বোচ্চ মহলে কড়া সমালোচনার পর ভিসির নিজের দায়িত্বে রাখা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন পদটি ছেড়ে দেন।

এ বিষয়ে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের সাবেক ডিন প্রফেসর ড. একে এম ফরিদ-উল ইসলাম বলেন, ২০১৭ সালের ২২ নভেম্বর দুই বছরের জন্য ডিন হিসেবে যোগদান করি। গত বছরের নভেম্বরে দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর ওই অনুষদে যোগ্য শিক্ষক থাকার পরও ভিসি নিজে ডিন পদ নিজের দায়িত্বে রেখেছিলেন।

নতুন ডিন ড.মিজানুর রহমান যথাযথ নিয়ম অনুযায়ী ডিন নিয়োগ হওয়া প্রয়োজন উল্লেখ করে বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থে একাডেমিক দিককে এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট অনুষদ থেকে ডিন নিয়োগ দেয়া উচিত।

বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক দেয়া ভিসির নিয়োগের শর্ত লঙ্ঘন করে ক্যাম্পাসে ধারাবাহিক অনুপস্থিত থাকা, ঢাকার লিয়াজোঁ অফিসে সব বোর্ড ও সভা করা, নারী শিক্ষকের সঙ্গে গোপন ছবি ও নাচ ভাইরাল এবং সেই শিক্ষকের বোনকে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি করে প্রথম বানানো, ব্যক্তিগত সংস্থা জানিপপের কাজে গাড়ি ব্যবহার, একাডেমিক ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ, ৩ অনুষদের ডিন ও এক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, ট্রেজারার পদ ও ড. ওয়াজেদ রিসার্চ ইন্সটিটিউটের পরিচালক পদ আঁকড়ে রাখা, ইউজিসির নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জোর করে ঢাকায় রাখা, নিজের মাকে নিয়োগ বোর্ডের এক্সপার্ট বানানোর অভিযোগ করা হয়।

এর পরদিন বর্তমান ভিসির আমলে সদ্য নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা নবপ্রজন্ম শিক্ষক পরিষদ গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আবদুল্লাহ আল মাহবুবের উপস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলনে ভিসির নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয় গুণগত ও অবকাঠামোগতসহ নানা সুবিধা পাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন। এ ছাড়াও স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের দখলদারিত্ব ও নিয়োগ বাণিজ্য করতে ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন