রাবি ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইলের ঘটনায় ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার
jugantor
রাবি ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইলের ঘটনায় ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

  রাজশাহী ব্যুরো  

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২২:১৩:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রাজশাহীর প্রাইভেট বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ছাত্রকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

তদন্ত বিশ্ববিদ্যালয় গঠিত এ সংক্রান্ত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অভিযুক্ত তিন ছাত্রকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। রাতে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমকে অবহিত করা হয়।

বহিষ্কার হওয়া তিন ছাত্র হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও মানবাধিকার বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্র বায়েজিদ আহমেদ প্লাবন ওরফে তারিক ও ইখতিয়ার রহমান রাফসান আহমেদ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ৭ম সেমিস্টারের ছাত্র তারেক মাহমুদ জয়।

বিষয়টি কর্তৃপক্ষ তাদের পরিবারকেও জানিয়ে দিয়েছেন। এই তিন ছাত্র ওই ছাত্রী ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলে সরাসরি জড়িত প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার ড. মো. মহিউদ্দীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, রাবির এক ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত রাবি অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র মাহফুজুর রহমান সারদের তিন সহযোগী বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব শিক্ষার্থী। তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা তদন্তাধীন ও বিচারাধীন।

ঘটনা অবহিত হওয়ার পরপরই বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করে। কমিটি ওই ঘটনার সঙ্গে তিনজনের জড়িত থাকার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করে উপাচার্য বরাবর প্রতিবেদন দিয়েছেন। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়টির ছাত্র শৃঙ্খলা ও বিধিমালা অনুযায়ী সাময়িকভাবে তাদের ছাত্রত্ব বাতিল করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৪ জানুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মতিহার থানার কাজলার সাকোপাড়ার একটি ছাত্রাবাসে রাবির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলের ঘটনা ঘটে। পুলিশ গত শনিবার ও রোববার ঘটনায় জড়িত রাবির ছাত্র মাহফুজ সারদ ও বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ছাত্রকে গ্রেফতার করেন।

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ছাত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা ছাত্রী ও তার বন্ধু মাহফুজকে অস্ত্রের মুখে ওপেন সেক্স করতে বাধ্য করেন এবং মোবাইল ফোনে তারা তা ধারণ করেন। এই ভয় দেখিয়ে ছাত্রীটির কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এই ঘটনায় ২৭ জানুয়ারি মতিহার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা হয়েছে।

রাবি ছাত্রীকে ব্ল্যাকমেইলের ঘটনায় ৩ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

 রাজশাহী ব্যুরো 
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রাজশাহীর প্রাইভেট বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ছাত্রকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। 

তদন্ত বিশ্ববিদ্যালয় গঠিত এ সংক্রান্ত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অভিযুক্ত তিন ছাত্রকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। রাতে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমকে অবহিত করা হয়। 

বহিষ্কার হওয়া তিন ছাত্র হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও মানবাধিকার বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্র বায়েজিদ আহমেদ প্লাবন ওরফে তারিক ও ইখতিয়ার রহমান রাফসান আহমেদ  ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ৭ম সেমিস্টারের ছাত্র তারেক মাহমুদ জয়। 

বিষয়টি কর্তৃপক্ষ তাদের পরিবারকেও জানিয়ে দিয়েছেন। এই তিন ছাত্র ওই ছাত্রী ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলে সরাসরি জড়িত প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানানো হয়েছে।  

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার ড. মো. মহিউদ্দীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, রাবির এক ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত রাবি অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র মাহফুজুর রহমান সারদের তিন সহযোগী বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব শিক্ষার্থী। তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা তদন্তাধীন ও বিচারাধীন। 

ঘটনা অবহিত হওয়ার পরপরই বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করে। কমিটি ওই ঘটনার সঙ্গে তিনজনের জড়িত থাকার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করে উপাচার্য বরাবর প্রতিবেদন দিয়েছেন। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়টির ছাত্র শৃঙ্খলা ও বিধিমালা অনুযায়ী সাময়িকভাবে তাদের ছাত্রত্ব বাতিল করা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, গত ২৪ জানুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মতিহার থানার কাজলার সাকোপাড়ার একটি ছাত্রাবাসে রাবির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলের ঘটনা ঘটে। পুলিশ গত শনিবার ও রোববার ঘটনায় জড়িত রাবির ছাত্র মাহফুজ সারদ ও বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ছাত্রকে গ্রেফতার করেন। 

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ছাত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা ছাত্রী ও তার বন্ধু মাহফুজকে অস্ত্রের মুখে ওপেন সেক্স করতে বাধ্য করেন এবং মোবাইল ফোনে তারা তা ধারণ করেন। এই ভয় দেখিয়ে ছাত্রীটির কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এই ঘটনায় ২৭ জানুয়ারি মতিহার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন