একুশের চেতনায় শহীদদের স্মরণ করল ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি
jugantor
একুশের চেতনায় শহীদদের স্মরণ করল ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:২৩:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

একুশের চেতনায় শহীদদের স্মরণ করল ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি

একুশের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে প্রতিবারের ন্যায় এবারো রাজধানীর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পালিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস।

শুক্রবার ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাবের আয়োজনে ৭১ মিলনায়তনে শহীদদের স্মরণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

মহান একুশের দিন ভোর ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গন থেকে প্রক্টর প্রফেসর ড. গোলাম মওলা চৌধুরী, স্টুডেন্ট এফেয়ার্স পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমান রাজু ও উর্ধ্বতন সহকারি পরিচালক ( গণসংযোগ) মোঃ আনোয়ার হাবিব কাজলের নেতৃত্বে একটি র‌্যালী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সকাল ১১টার দিকে ধানমণ্ডিতে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়।

জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। এরপর ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে নিহত রফিক-সালাম-বরকত-জব্বারসহ নাম না জানা সকল শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। স্মরণ করা হয় জাতীর সূর্য সন্তানদের। এ সময় অনুষ্ঠানস্থলে এক অন্যরকম আবেগী দৃশ্যের অবতারণা হয়।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন নিউট্রেশন এন্ড ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের সহযোগী প্রধান ড. আমির আহমেদ। একুশের চেতনা বুকে ধারণ করে মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার জন্য উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্ধুত করে বক্তব্য দেন এন্টারপ্রেনারশিপ ডিপার্টমেন্ট প্রধান কামরুজ্জামান দিদার।

সাংস্কৃতিক পর্বের শুরুতেই শহীদদের স্মরণে ইন্সট্রুমেন্টাল মিউজিক পরিবেশন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার ক্লাব অলস্টার্স ড্যাফোডিলের পারফর্মাররা। এরপর ক্লাবটির প্রেসিডেন্ট ইলিয়াস নবি ফয়সালের নির্দেশনায় ও সকল ক্লাবের অংশগ্রহণে পরিবেশিত হয় একটি নৃত্যনাট্য। থাকে সংগঠনটির চিফ আর্টিস্টিক ডিরেক্টর মুশফিকুর রহমানের সম্পাদনা এবং নির্দেশনায় বায়ান্নর কবিতাসমগ্র নিয়ে ‘ভাষা যুদ্ধের কাব্য’ আবৃত্তি পরিবেশনা।

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল আহমেদ মেরাজ ও শাফি রহমানের রচনায় এবং আহমেদ মেরাজের নির্দেশনায় নাটক ‘একটি ভাষার মুক্তি’। পঞ্চমবারের মতো নাটকটি মঞ্চায়ন হয়েছে। ছিল ভাষা শহীদদের নিয়ে ডিবেটিং সোসাইটির প্লানচ্যাট বিতর্ক। দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্যের সঙ্গে মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা করে কালচারাল ক্লাব। এছাড়া পুরো অনুষ্ঠানজুরে ছবি তোলার দায়িত্বে ছিল ফটোগ্রাফিক সোসাইটি।

এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে এটিকে আরো সাফল্যমণ্ডিত করে তোলেন ড্যাফোডিল প্রথম আলো বন্ধুসভা, মার্কেটিং ক্লাব, কমিউনিকেশন ক্লাব, ভলান্টিয়ার সার্ভিস ক্লাব, ইংলিশ লিটারারি ক্লাব ও ডিআইইউ চেঞ্জ টুগেদার ক্লাবের সদস্যরা।

অনুষ্ঠানের প্রধান তত্বাবধায়ক মুশফিকুর রহমান বলেন, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে প্রতিবছর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সকল ক্লাবের অংশগ্রহনে ‘চেতনায় একুশ’ নামের অনুষ্ঠানটি হয়ে থাকে।

একুশের চেতনায় শহীদদের স্মরণ করল ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৯:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
একুশের চেতনায় শহীদদের স্মরণ করল ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি
ছবি: সংগৃহীত

একুশের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে প্রতিবারের ন্যায় এবারো রাজধানীর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে পালিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস। 

শুক্রবার ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাবের আয়োজনে ৭১ মিলনায়তনে শহীদদের স্মরণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

মহান একুশের দিন ভোর ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গন থেকে প্রক্টর প্রফেসর ড. গোলাম মওলা চৌধুরী, স্টুডেন্ট এফেয়ার্স পরিচালক সৈয়দ মিজানুর রহমান রাজু ও উর্ধ্বতন সহকারি পরিচালক ( গণসংযোগ) মোঃ আনোয়ার হাবিব কাজলের নেতৃত্বে একটি র‌্যালী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর সকাল ১১টার দিকে ধানমণ্ডিতে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়।

জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। এরপর ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে নিহত রফিক-সালাম-বরকত-জব্বারসহ নাম না জানা সকল শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। স্মরণ করা হয় জাতীর সূর্য সন্তানদের। এ সময় অনুষ্ঠানস্থলে এক অন্যরকম আবেগী দৃশ্যের অবতারণা হয়।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন নিউট্রেশন এন্ড ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের সহযোগী প্রধান ড. আমির আহমেদ। একুশের চেতনা বুকে ধারণ করে মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার জন্য উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্ধুত করে বক্তব্য দেন এন্টারপ্রেনারশিপ ডিপার্টমেন্ট প্রধান কামরুজ্জামান দিদার।

সাংস্কৃতিক পর্বের শুরুতেই শহীদদের স্মরণে ইন্সট্রুমেন্টাল মিউজিক পরিবেশন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার ক্লাব অলস্টার্স ড্যাফোডিলের পারফর্মাররা। এরপর ক্লাবটির প্রেসিডেন্ট ইলিয়াস নবি ফয়সালের নির্দেশনায় ও সকল ক্লাবের অংশগ্রহণে পরিবেশিত হয় একটি নৃত্যনাট্য। থাকে সংগঠনটির চিফ আর্টিস্টিক ডিরেক্টর মুশফিকুর রহমানের সম্পাদনা এবং নির্দেশনায় বায়ান্নর কবিতাসমগ্র নিয়ে ‘ভাষা যুদ্ধের কাব্য’ আবৃত্তি পরিবেশনা। 

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল আহমেদ মেরাজ ও শাফি রহমানের রচনায় এবং আহমেদ মেরাজের নির্দেশনায় নাটক ‘একটি ভাষার মুক্তি’। পঞ্চমবারের মতো নাটকটি মঞ্চায়ন হয়েছে। ছিল ভাষা শহীদদের নিয়ে ডিবেটিং সোসাইটির প্লানচ্যাট বিতর্ক। দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্যের সঙ্গে মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা করে কালচারাল ক্লাব। এছাড়া পুরো অনুষ্ঠানজুরে ছবি তোলার দায়িত্বে ছিল ফটোগ্রাফিক সোসাইটি।

এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে এটিকে আরো সাফল্যমণ্ডিত করে তোলেন ড্যাফোডিল প্রথম আলো বন্ধুসভা, মার্কেটিং ক্লাব, কমিউনিকেশন ক্লাব, ভলান্টিয়ার সার্ভিস ক্লাব, ইংলিশ লিটারারি ক্লাব ও ডিআইইউ চেঞ্জ টুগেদার ক্লাবের সদস্যরা। 

অনুষ্ঠানের প্রধান তত্বাবধায়ক মুশফিকুর রহমান বলেন, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে প্রতিবছর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সকল ক্লাবের অংশগ্রহনে ‘চেতনায় একুশ’ নামের অনুষ্ঠানটি হয়ে থাকে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন