রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের নানা অভিযোগ
jugantor
রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের নানা অভিযোগ

  রাজশাহী ব্যুরো  

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২১:৩১:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও উত্ত্যক্তের অভিযোগ এনেছেন তার নিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি নিপীড়ন নিরোধ সেলে ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেন।

সেলের সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা ড. লায়লা আরজুমান বানু বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্ত শিক্ষক চারুকলা অনুষদভুক্ত গ্রাফিক ডিজাইন, কারুশিল্প ও শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের আমিরুল মোমেনীন চৌধুরী।

যৌন নিপীড়ন নিরোধ সেলের সদস্য সচিব ড. লায়লা আরজুমান বানু বলেন, ‘চারুকলা অনুষদের ছাত্রীদের অভিযোগপত্র পেয়েছি। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে।’

ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীরা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন, বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আমিরুল মোমেনীন চৌধুরীর দ্বারা আমরা বিভিন্নভাবে যৌন হয়রানি ও মানসিকভাবে উত্ত্যক্তের শিকার হই। যার কারণে আমরা মানসিকভাবে অনেক বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি। পড়াশুনা এবং অন্য কোনো কাজেই মনোযোগ দিতে পারছি না।

অভিযোগপত্রে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী ছাত্রীরা আরও উল্লেখ করেন, কারণে অকারণে স্যার আমাদেরকে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ ভাষায় মন্তব্য করেন। অফিসে ডেকে বসিয়ে রাখেন। ফ্রি মাইন্ডের কথা বলে নানা রকম ইঙ্গিতপূর্ণ ও অশালীন কথাবার্তা বলেন। অনেক সময় সবার সামনে গায়ে হাত দেন। অন্য নারী শিক্ষকদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেন।

অভিযুক্ত অধ্যাপক আমিরুল মোমেনীন চৌধুরীর কাছে জানতে ফোন দেয়া হলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক সিদ্ধার্থ শঙ্কর তালুকদার বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে ডিটেইলস কিছু না জেনে কোনো মন্তব্য করতে পারব না।

রাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের নানা অভিযোগ

 রাজশাহী ব্যুরো 
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৯:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও উত্ত্যক্তের অভিযোগ এনেছেন তার নিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি নিপীড়ন নিরোধ সেলে ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেন।

সেলের সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা ড. লায়লা আরজুমান বানু বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্ত শিক্ষক চারুকলা অনুষদভুক্ত গ্রাফিক ডিজাইন, কারুশিল্প ও শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের আমিরুল মোমেনীন চৌধুরী।

যৌন নিপীড়ন নিরোধ সেলের সদস্য সচিব ড. লায়লা আরজুমান বানু বলেন, ‘চারুকলা অনুষদের ছাত্রীদের অভিযোগপত্র পেয়েছি। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে।’

ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীরা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন, বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আমিরুল মোমেনীন চৌধুরীর দ্বারা আমরা বিভিন্নভাবে যৌন হয়রানি ও মানসিকভাবে উত্ত্যক্তের শিকার হই। যার কারণে আমরা মানসিকভাবে অনেক বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি। পড়াশুনা এবং অন্য কোনো কাজেই মনোযোগ দিতে পারছি না।

অভিযোগপত্রে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী ছাত্রীরা আরও উল্লেখ করেন, কারণে অকারণে স্যার আমাদেরকে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ ভাষায় মন্তব্য করেন। অফিসে ডেকে বসিয়ে রাখেন। ফ্রি মাইন্ডের কথা বলে নানা রকম ইঙ্গিতপূর্ণ ও অশালীন কথাবার্তা বলেন। অনেক সময় সবার সামনে গায়ে হাত দেন। অন্য নারী শিক্ষকদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেন।

অভিযুক্ত অধ্যাপক আমিরুল মোমেনীন চৌধুরীর কাছে জানতে ফোন দেয়া হলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক সিদ্ধার্থ শঙ্কর তালুকদার বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে ডিটেইলস কিছু না জেনে কোনো মন্তব্য করতে পারব না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন