রাবির হলে হলে নিষিদ্ধ পপি ফুল!
jugantor
রাবির হলে হলে নিষিদ্ধ পপি ফুল!

  রাজশাহী ব্যুরো  

১৬ মার্চ ২০২০, ১৮:৪৪:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের বাগানে পপি ফুল

পপি ফুল। একে আফিম ফুলও বলা হয়। কারণ এ ফুল থেকেই তৈরি হয় ‘আফিম’। পপি ফুল দুই প্রজাতির। এক প্রজাতির ফুলের রস থেকে আফিম তৈরি হয়, অন্য প্রজাতি থেকে হয় না।

কিন্তু দেশে সব ধরনের পপির চাষ নিষিদ্ধ হলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কয়েকটি আবাসিক হলে দেখা যায় পপি ফুলের গাছ। শুধু তাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ-মখদুম ও শহীদ শামসুজ্জোহা হলের বাগানে পাওয়া গেছে দুইটি গাঁজার গাছ।

সরেজমিন দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের ৫টি আবাসিক হলের বাগানে রয়েছে নিষিদ্ধ ‘আফিম’ তৈরির পপি গাছ। বাগানের অন্যান্য ফুল গাছের আড়ালে বেড়ে উঠছে এ গাছ। বেশিরভাগ গাছেই ফুটেছে লাল ও সাদা রঙের ফুল। কিছু গাছে ফলও ধরেছে।

জিয়াউর রহমান হলের বাগানে প্রায় ৪০টি, মাদার বক্স হলের বাগানে প্রায় ১০টি, শহীদ শামসুজ্জোহা হলের বাগানে প্রায় ১০০টি, সৈয়দ আমীর আলী হলের বাগানে ২০টি এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ভেতরের বাগানে ৬-৭টি পপি ফুলের গাছ পাওয়া গেছে।

হলগুলোতে দায়িত্বরত মালিরা বলছেন, অনেক আগে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য বাগানে পপি গাছ লাগানো হয়েছিল। কিন্তু সেগুলো তুলে ফেলা দেয়া হয়েছে। হয়তো গাছ থেকে বীজ পড়ে বর্তমানে গাছগুলো জন্ম নিয়েছে। আমরা নতুন করে কোনো গাছ লাগাইনি।

শহীদ শামসুজ্জোহা হলের মালি সিদ্দিক আলী বলেন, বাগানে বিভিন্ন জাতের ফুল গাছ রয়েছে। এ বছরও আমরা নতুন নতুন অনেক ফুল গাছ লাগিয়েছি। কিন্তু পপি গাছ লাগাইনি। এ সব গাছ অনেক আগে লাগানো হলেও প্রশাসনের নির্দেশে সেগুলো তুলে ফেলা হয়েছিল।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের রাজশাহী কার্যালয়ের উপ-পরিচালক লুৎফর রহমান বলেন, পপি গাছ দুই প্রজাতির হয়। এর একটি থেকে রস সংগ্রহ করে ‘আফিম’ তৈরি করা গেলেও অন্য প্রজাতি থেকে রস সংগ্রহ করা যায় না। কিন্তু বাংলাদেশে সব ধরনের ‘পপি’ গাছ লাগানো নিষেধ। সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য বাগানে লাগানোও বৈধ নয়।

জানতে চাইলে শহীদ শামসুজ্জোহা হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মো. জুলকার নায়েন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। হলে কর্তব্যরত মালির সঙ্গে কথা বলে দেখছি।

রাবির হলে হলে নিষিদ্ধ পপি ফুল!

 রাজশাহী ব্যুরো 
১৬ মার্চ ২০২০, ০৬:৪৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের বাগানে পপি ফুল
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের বাগানে পপি ফুল

পপি ফুল। একে আফিম ফুলও বলা হয়। কারণ এ ফুল থেকেই তৈরি হয় ‘আফিম’। পপি ফুল দুই প্রজাতির। এক প্রজাতির ফুলের রস থেকে আফিম তৈরি হয়, অন্য প্রজাতি থেকে হয় না।

কিন্তু দেশে সব ধরনের পপির চাষ নিষিদ্ধ হলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কয়েকটি আবাসিক হলে দেখা যায় পপি ফুলের গাছ। শুধু তাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ-মখদুম ও শহীদ শামসুজ্জোহা হলের বাগানে পাওয়া গেছে দুইটি গাঁজার গাছ।

সরেজমিন দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের ৫টি আবাসিক হলের বাগানে রয়েছে নিষিদ্ধ ‘আফিম’ তৈরির পপি গাছ। বাগানের অন্যান্য ফুল গাছের আড়ালে বেড়ে উঠছে এ গাছ। বেশিরভাগ গাছেই ফুটেছে লাল ও সাদা রঙের ফুল। কিছু গাছে ফলও ধরেছে।

জিয়াউর রহমান হলের বাগানে প্রায় ৪০টি, মাদার বক্স হলের বাগানে প্রায় ১০টি, শহীদ শামসুজ্জোহা হলের বাগানে প্রায় ১০০টি, সৈয়দ আমীর আলী হলের বাগানে ২০টি এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ভেতরের বাগানে ৬-৭টি পপি ফুলের গাছ পাওয়া গেছে।

হলগুলোতে দায়িত্বরত মালিরা বলছেন, অনেক আগে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য বাগানে পপি গাছ লাগানো হয়েছিল। কিন্তু সেগুলো তুলে ফেলা দেয়া হয়েছে। হয়তো গাছ থেকে বীজ পড়ে বর্তমানে গাছগুলো জন্ম নিয়েছে। আমরা নতুন করে কোনো গাছ লাগাইনি।

শহীদ শামসুজ্জোহা হলের মালি সিদ্দিক আলী বলেন, বাগানে বিভিন্ন জাতের ফুল গাছ রয়েছে। এ বছরও আমরা নতুন নতুন অনেক ফুল গাছ লাগিয়েছি। কিন্তু পপি গাছ লাগাইনি। এ সব গাছ অনেক আগে লাগানো হলেও প্রশাসনের নির্দেশে সেগুলো তুলে ফেলা হয়েছিল।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের রাজশাহী কার্যালয়ের উপ-পরিচালক লুৎফর রহমান বলেন, পপি গাছ দুই প্রজাতির হয়। এর একটি থেকে রস সংগ্রহ করে ‘আফিম’ তৈরি করা গেলেও অন্য প্রজাতি থেকে রস সংগ্রহ করা যায় না। কিন্তু বাংলাদেশে সব ধরনের ‘পপি’ গাছ লাগানো নিষেধ। সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য বাগানে লাগানোও বৈধ নয়।

জানতে চাইলে শহীদ শামসুজ্জোহা হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মো. জুলকার নায়েন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। হলে কর্তব্যরত মালির সঙ্গে কথা বলে দেখছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন