‘মৃত্যু কার কখন দুয়ারে আসে কেউ বলতে পারে না’
jugantor
‘মৃত্যু কার কখন দুয়ারে আসে কেউ বলতে পারে না’

  শাবি প্রতিনিধি  

০১ অক্টোবর ২০২০, ১২:৪১:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

‘মৃত্যু কার কখন দুয়ারে আসে কেউ বলতে পারে না’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) শিক্ষার্থী আছিয়া আক্তার।

তিনি ফেসবুকে স্ট্যাটাসে লিখেছেন– ‘আমার ব্যবহারে কেউ কোনো দিন কষ্ট পেলে দয়া করে আমায় মাফ করবেন। কারণ মৃত্যু কার কখন দুয়ারে আসে আমরা কেউ বলতে পারি না; আল্লাহপাক সবাইকে ভালো রাখবেন।’

বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে বগুড়ার সদর থানার মঠুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তবে প্রেমজনিত কারণে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

নিহত আছিয়া আক্তার বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বগুড়ার সদর থানার মঠুরা গ্রামের মো. জালাল উদ্দীনের মেয়ে।

তবে তার আগে মৃত্যু নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন আছিয়া।

তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন– ‘আমার ব্যবহারে কেউ কোনো দিন কষ্ট পেলে দয়া করে আমায় মাফ করবেন। কারণ মৃত্যু কার কখন দুয়ারে আসে আমরা কেউ বলতে পারি না; আল্লাহপাক সবাইকে ভালো রাখবেন।’

আছিয়ার ভাই আল আমীন বলেন, আমি প্রায় রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বারান্দায় বসে পড়াশোনা করে রাত ১টার দিকে রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। পরে মা ফজরের নামাজ পড়ার জন্য ঘুম থেকে জেগে দেখেন আছিয়া গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছে। পরে আমরা তাকে নামিয়ে থানায় এসেছি।

বাংলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আশ্রাফুল করিম বলেন, এই মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেয়ার মতো নয়। আমরা তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি।

বগুড়ার সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির বলেন, ঘটনা আমরা জেনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশকে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত তিন মাসে এ নিয়ে বাংলা বিভাগের দুই শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। এর আগে গত ৬ আগস্ট দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তোরাবি বিনতে হক মায়ের সঙ্গে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে তার নিজ বাড়িতে আত্মহত্যা করেছেন।

‘মৃত্যু কার কখন দুয়ারে আসে কেউ বলতে পারে না’

 শাবি প্রতিনিধি 
০১ অক্টোবর ২০২০, ১২:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘মৃত্যু কার কখন দুয়ারে আসে কেউ বলতে পারে না’
আছিয়া আক্তার। ছবি: যুগান্তর

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) শিক্ষার্থী আছিয়া আক্তার। 

তিনি ফেসবুকে স্ট্যাটাসে লিখেছেন– ‘আমার ব্যবহারে কেউ কোনো দিন কষ্ট পেলে দয়া করে আমায় মাফ করবেন। কারণ মৃত্যু কার কখন দুয়ারে আসে আমরা কেউ বলতে পারি না; আল্লাহপাক সবাইকে ভালো রাখবেন।’

বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে বগুড়ার সদর থানার মঠুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তবে প্রেমজনিত কারণে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

নিহত আছিয়া আক্তার বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বগুড়ার সদর থানার মঠুরা গ্রামের মো. জালাল উদ্দীনের মেয়ে। 

তবে তার আগে মৃত্যু নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন আছিয়া। 

তিনি ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন– ‘আমার ব্যবহারে কেউ কোনো দিন কষ্ট পেলে দয়া করে আমায় মাফ করবেন। কারণ মৃত্যু কার কখন দুয়ারে আসে আমরা কেউ বলতে পারি না; আল্লাহপাক সবাইকে ভালো রাখবেন।’

আছিয়ার ভাই আল আমীন বলেন, আমি প্রায় রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বারান্দায় বসে পড়াশোনা করে রাত ১টার দিকে রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। পরে মা ফজরের নামাজ পড়ার জন্য ঘুম থেকে জেগে দেখেন আছিয়া গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছে। পরে আমরা তাকে নামিয়ে থানায় এসেছি।

বাংলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. আশ্রাফুল করিম বলেন, এই মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেয়ার মতো নয়। আমরা তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি।

বগুড়ার সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির বলেন, ঘটনা আমরা জেনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশকে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত তিন মাসে এ নিয়ে বাংলা বিভাগের দুই শিক্ষার্থী আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। এর আগে গত ৬ আগস্ট দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তোরাবি বিনতে হক মায়ের সঙ্গে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে তার নিজ বাড়িতে আত্মহত্যা করেছেন।

 
আরও খবর