কোটা সংস্কারের দাবি

শাবির প্রধান ফটকে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০১৮, ০৯:১৪ | অনলাইন সংস্করণ

  শাবি প্রতিনিধি

কোটা সংস্কারের দাবিতে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা অবস্থান নিয়েছেন। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার সকাল ৭টার দিকে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূলফটকে কোটা সংস্কারের দাবিতে অবস্থান নিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনকারীরা এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের দুই পাশে দাঁড়িয়ে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। এর আগে দেশজুড়ে চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সমর্থন জানিয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। সেই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসভবনে ভাঙচুর ও শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলায় ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সমর্থনের কথা জানান। কোটা সংস্কার আন্দোলন প্রসঙ্গে শাবি ভিসি বলেন, ‘কোটা সংস্কারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অত্যন্ত যৌক্তিক। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে মেধাবীদের প্রয়োজন। মেধাবীরা সামনে এগিয়ে আসলে আমাদের দেশ আরও এগিয়ে যাবে। তাই আমি চাই মেধার যথাযথ মূল্যায়ন করা হোক।’ এ সময় তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। তাই সর্বজনস্বীকৃত যৌক্তিক এ দাবি সরকার অবশ্যই বিবেচনা করবে। বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন শাবি ভিসি। এ সময় শাবি ভিসি সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসভবনে হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জড়িতদের চিহ্নিত করার আহ্বান জানান। এর আগে রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ ও ছাত্রলীগ হামলা চালায়। এ অভিযোগে সোমবার দিনব্যাপী ছাত্র ধর্মঘট ডেকেছিলেন শাবিপ্রবির আন্দোলনকারীরা। তারা সকাল ৭টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়ে ধর্মঘট কার্যকর করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ভোর ৬টা থেকেই শাহপরান হল ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে শাখা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের উদ্দেশ্যে যাতায়াতকারী প্রত্যেককে তারা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে ব্যানারও কেড়ে নেন ছাত্রলীগ নেতারা।