অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খানের জন্মদিন পালিত
jugantor
অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খানের জন্মদিন পালিত

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০১ মার্চ ২০২১, ০০:০২:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খানের জন্মদিন রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) পালিত হয়েছে।

আধুনিক, সংস্কৃতিমনা, বন্ধুবৎসল, চমৎকার একজন মানুষ হিসেবে তিনি সবার কাছে পরিচিত।

টাঙ্গাইলে জন্ম নেওয়া মুক্তিযোদ্ধা এই চিকিৎসক এ দেশের সব চিকিৎসক, পেশাজীবী, নাগরিক এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৮৪ থেকে বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশনের সহসভাপতি, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর তিনি দেশের সব প্রগতিশীল পেশাজীবী সংগঠন নিয়ে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ গড়ে তোলেন। এ সংগঠনের মহাসচিব হিসেবে দেশের প্রয়োজনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

প্যাথলজি বিশেষজ্ঞ এই মেডিকেল শিক্ষক দীর্ঘদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ, আইপিজিএমআর, বিএসএমএমউতে শিক্ষকতা করেছেন।

তিনি আইপিজিএমআর শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯০ সালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ৯০-এর গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

ডা. কামরুল ১৯৯০ সালে বিএমএ’র কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে ডা. মাজেদ ও ডা. জালালের নেতৃতে সারা দেশ সফর করে চিকিৎসক আন্দোলন গড়ে তোলেন।

তিনি বিসিএস কেন্দ্রীয় সমন্বয় পরিষদের যুগ্ম-মহাসচিব ছিলেন। তিনি বিএমডিসি, বিএমআরসির কেন্দ্রীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। তিনি গান্ধী আশ্রম ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ছিলেন।

ডা. কামরুল উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। মেডিকেল ছাত্রাবস্থায় তিনি সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান সন্ধানীর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং সম্পাদক, সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির দুইবার সভাপতি ছিলেন।

অধ্যাপক ডা. কামরুল পারমানবিক যুদ্ধবিরোধী- শান্তিতে নোবেল বিজয়ী সংগঠন IPPNW (১৯৮৫) এবং ICAN(২০১৭)-এর দক্ষিণ এশিয়ার সহ-সভাপতির দ্বিতীয়বারের মতো দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৭ সালে তিনি নরওয়ের অসলোতে নোবেলগ্রহীতা দলের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ডা. কামরুল যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগদান করে সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তার প্রায় ২৫টি প্রকাশিত বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ রয়েছে।

তিনি দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় কলামিস্ট হিসেবে নিয়মিত লিখছেন এবং দেশের বিভিন্ন টেলিভিশনের টক শোতে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, মেডিকেল শিক্ষার উন্নয়ন এবং মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

‘বাঙ্গালির মুক্তির ইতিহাস; বঙ্গবন্ধু থেকে বঙ্গবন্ধুকন্যা’ নামে তার একটি বই প্রকাশিত হয়েছে। অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান বাংলাদেশের মেডিকেল শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ২০১৬ তে 7th Asia,s Education Excellence Award-এ সন্মানিত হন ।

অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খানের জন্মদিন পালিত

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০১ মার্চ ২০২১, ১২:০২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খানের জন্মদিন রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) পালিত হয়েছে।

আধুনিক, সংস্কৃতিমনা, বন্ধুবৎসল, চমৎকার একজন মানুষ হিসেবে তিনি সবার কাছে পরিচিত।

টাঙ্গাইলে জন্ম নেওয়া মুক্তিযোদ্ধা এই চিকিৎসক এ দেশের সব চিকিৎসক, পেশাজীবী, নাগরিক এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৮৪ থেকে বাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশনের সহসভাপতি, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পদে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। 

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর তিনি দেশের সব প্রগতিশীল পেশাজীবী সংগঠন নিয়ে পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ গড়ে তোলেন। এ সংগঠনের মহাসচিব হিসেবে দেশের প্রয়োজনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। 

প্যাথলজি বিশেষজ্ঞ এই মেডিকেল শিক্ষক দীর্ঘদিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ, আইপিজিএমআর, বিএসএমএমউতে শিক্ষকতা করেছেন।

তিনি আইপিজিএমআর শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯০ সালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ৯০-এর  গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

ডা.  কামরুল ১৯৯০ সালে বিএমএ’র কেন্দ্রীয় নেতা হিসেবে ডা. মাজেদ ও ডা. জালালের নেতৃতে সারা দেশ সফর করে চিকিৎসক আন্দোলন গড়ে তোলেন। 

তিনি বিসিএস কেন্দ্রীয় সমন্বয় পরিষদের যুগ্ম-মহাসচিব ছিলেন। তিনি বিএমডিসি, বিএমআরসির কেন্দ্রীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। তিনি গান্ধী আশ্রম ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ছিলেন।

ডা. কামরুল উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। মেডিকেল ছাত্রাবস্থায় তিনি সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান সন্ধানীর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং সম্পাদক, সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির দুইবার সভাপতি ছিলেন।

অধ্যাপক ডা.  কামরুল পারমানবিক যুদ্ধবিরোধী- শান্তিতে নোবেল বিজয়ী সংগঠন IPPNW (১৯৮৫) এবং ICAN(২০১৭)-এর দক্ষিণ এশিয়ার সহ-সভাপতির দ্বিতীয়বারের মতো  দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৭ সালে তিনি নরওয়ের অসলোতে নোবেলগ্রহীতা দলের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ডা. কামরুল যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগদান করে সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তার প্রায় ২৫টি প্রকাশিত বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ রয়েছে। 

তিনি দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় কলামিস্ট হিসেবে নিয়মিত লিখছেন এবং দেশের বিভিন্ন টেলিভিশনের টক শোতে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, মেডিকেল শিক্ষার উন্নয়ন এবং মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। 

‘বাঙ্গালির মুক্তির ইতিহাস; বঙ্গবন্ধু থেকে বঙ্গবন্ধুকন্যা’ নামে তার একটি বই প্রকাশিত হয়েছে। অধ্যাপক ডা.  কামরুল হাসান খান বাংলাদেশের মেডিকেল শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ২০১৬ তে 7th Asia,s Education Excellence Award-এ সন্মানিত হন ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন