সুফিয়া কামাল হল

‘অপতথ্য প্রচার করায় ৩ ছাত্রীকে অভিভাবকদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে’

  যুগান্তর রিপোর্ট ২০ এপ্রিল ২০১৮, ১২:৪৬ | অনলাইন সংস্করণ

মো. আখতারুজ্জামান

ফেসবুকের মাধ্যমে অপতথ্য প্রচার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করায় সুফিয়া কামাল হলের তিন ছাত্রীকে তাদের অভিভাবকের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

শুক্রবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা জানান ঢাবি উপাচার্য।

বৃহস্পতিবার রাতের ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে আখতারুজ্জামান বলেন, সুফিয়া কামাল হলের ছাত্রীদের হল থেকে বের করে দেয়া হয়নি। তিন শিক্ষার্থীকে অভিভাবকের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে মাত্র। ফেসবুকের মাধ্যমে অপতথ্য প্রচার করে বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছিল ছাত্রীরা। হলের শৃঙ্খলা রক্ষায় এটি করা হয়েছে বলে জানান উপাচার্য।

গভীর রাতে কেন তাদের বের করে দেয়া হল এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অভিভাবকদের বিকালেই ডাকা হয়েছিল। কিন্তু তারা আসতে দেরি করেছেন বলে হস্তান্তরে একটু রাত হয়ে গেছে। কিন্তু সাধারণ এ ঘটনা নিয়ে একটি মহল গুজব ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেন উপাচার্য।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে সুফিয়া কামাল হলের অন্তত ৫০ ছাত্রীকে হল ত্যাগে বাধ্য করে বলে হল প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে।

খবর পেয়ে সাংবাদিকরা ও বিভিন্ন হলের আবাসিক ছাত্ররা হলটির সামনে গিয়ে অবস্থান নেন।

পরে বৃহস্পতিবার রাতেই উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান যুগান্তরের কাছে সুফিয়া কামাল হলের ছাত্রীদের হয়রানির অভিযোগ নাকচ করেন।

তিনি বলেন, ছাত্রীদের হয়রানির অভিযোগ সত্য নয়; এগুলো গুজব। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে একটি দুষ্টচক্র গভীর ষড়যন্ত্রে নেমেছে। হয়রানির মতো কিছু হচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত হল কর্তৃপক্ষ ছাত্রীদের একের পর এক বের করে দেয়।

গভীর রাতে অভিভাবকদের সুফিয়া কামাল হল থেকে তাদের সন্তানকে এসে নিয়ে যেতে দেখা যায়।

এ সময় হল প্রশাসনের নিষেধের কারণে ছাত্রীদের অভিভাবকরা সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

প্রসঙ্গত সুফিয়া কামাল হল কর্তৃপক্ষ ছাত্রী লাঞ্ছনাসহ ১১ এপ্রিল সংঘটিত ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে।

সেই কমিটি ছাত্রী লাঞ্ছনার অভিযোগ থেকে ছাত্রলীগ নেত্রী এশাকে অব্যাহতি দিয়ে উল্টো ২৬ ছাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণের সুপারিশ করে।

তবে এশা ছাত্রীদের ডেকে নিয়ে বিভিন্ন হুমকি-ধমকি ও হয়রানি করলেও তাতে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন।

ঘটনাপ্রবাহ : কোটাবিরোধী আন্দোলন ২০১৮

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter