‘কওমি মাদ্রাসায় সরকারি প্রণোদনা দিতে হবে’
jugantor
‘কওমি মাদ্রাসায় সরকারি প্রণোদনা দিতে হবে’

  যুগান্তর ডেস্ক  

২১ এপ্রিল ২০২১, ২৩:১৪:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

‘কওমি মাদ্রাসায় সরকারি প্রণোদনা দিতে হবে’

কওমি মাদ্রাসায় সরকারি প্রণোদনা দেওয়ার দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর সংগঠন আঞ্জুমানে দাওয়াতে ইসলাহ বাংলাদেশ।

বুধবার সংগঠনটির যুগ্ম-মহাসচিব মুফতি নাসির উদ্দীন কাসেমী ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা কামরুল ইসলাম এক যৌথ বিবৃতিতে এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, করোনা একটি অদৃশ্য শক্তি। এটি যে কারো শরীরেই সংক্রমিত হতে পারে। তাই করোনার কারণে স্কুল-কলেজ যদি বন্ধ থাকে, তাহলে কওমি মাদ্রাসাও বন্ধ থাকবে, এটাই যুক্তির কথা। কিন্তু স্কুল-কলেজ এবং আলিয়া মাদ্রাসা চলে সরকারি বেতন-ভাতায়। সেখানে প্রতি মাসে শিক্ষকরা সরকারি বেতন পাচ্ছেন। পক্ষান্তরে কওমি মাদ্রাসাগুলো চলে জনগণের অনুদানে। মাদ্রাসা বন্ধ থাকলে জনগণ অনুদান দেওয়াও বন্ধ করে দেয়। ফলে শিক্ষকদের বেতন দেওয়া সম্ভব হয় না। শিক্ষকদের জীবন-জীবিকা নির্বাহে বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়।

তারা বলেন, সব কওমি মাদ্রাসার পক্ষ থেকে সরকারের কাছে আমাদের জোর দাবি, এগুলোকে যেন করোনার এই সময়ে সরকারি আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, আঞ্জুমানে দাওয়াতে ইসলাহ বাংলাদেশ আল্লামা শাহ আহমদ শফী প্রতিষ্ঠিত আধ্যাত্মিক সংগঠন। সংগঠনটির আমিরের দায়িত্ব পালন করছেন আহমদ শফীর ছেলে মাওলানা আনাস মাদানী।

‘কওমি মাদ্রাসায় সরকারি প্রণোদনা দিতে হবে’

 যুগান্তর ডেস্ক 
২১ এপ্রিল ২০২১, ১১:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
‘কওমি মাদ্রাসায় সরকারি প্রণোদনা দিতে হবে’
ফাইল ছবি

কওমি মাদ্রাসায় সরকারি প্রণোদনা দেওয়ার দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীর সংগঠন আঞ্জুমানে দাওয়াতে ইসলাহ বাংলাদেশ।

বুধবার সংগঠনটির যুগ্ম-মহাসচিব মুফতি নাসির উদ্দীন কাসেমী ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা কামরুল ইসলাম এক যৌথ বিবৃতিতে এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, করোনা একটি অদৃশ্য শক্তি। এটি যে কারো শরীরেই সংক্রমিত হতে পারে। তাই করোনার কারণে স্কুল-কলেজ যদি বন্ধ থাকে, তাহলে কওমি মাদ্রাসাও বন্ধ থাকবে, এটাই যুক্তির কথা। কিন্তু স্কুল-কলেজ এবং আলিয়া মাদ্রাসা চলে সরকারি বেতন-ভাতায়। সেখানে প্রতি মাসে শিক্ষকরা সরকারি বেতন পাচ্ছেন। পক্ষান্তরে কওমি মাদ্রাসাগুলো চলে জনগণের অনুদানে। মাদ্রাসা বন্ধ থাকলে জনগণ অনুদান দেওয়াও বন্ধ করে দেয়। ফলে শিক্ষকদের বেতন দেওয়া সম্ভব হয় না। শিক্ষকদের জীবন-জীবিকা নির্বাহে বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়।

তারা বলেন, সব কওমি মাদ্রাসার পক্ষ থেকে সরকারের কাছে আমাদের জোর দাবি, এগুলোকে যেন করোনার এই সময়ে সরকারি আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, আঞ্জুমানে দাওয়াতে ইসলাহ বাংলাদেশ আল্লামা শাহ আহমদ শফী প্রতিষ্ঠিত আধ্যাত্মিক সংগঠন। সংগঠনটির আমিরের দায়িত্ব পালন করছেন আহমদ শফীর ছেলে মাওলানা আনাস মাদানী।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন