ভিসির অনিয়ম তদন্তে ঈদের আগেই রাবিতে যাবে কমিটি
jugantor
ভিসির অনিয়ম তদন্তে ঈদের আগেই রাবিতে যাবে কমিটি

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৭ মে ২০২১, ১৬:১১:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

ভিসির অনিয়ম তদন্তে ঈদের আগেই রাবিতে যাবে কমিটি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বিদায়ী উপাচার্য এম আবদুস সোবহান তার মেয়াদের শেষ কর্মদিবসে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষা করে বিভিন্ন পদে অবৈধ ও বিধিবহির্ভূতভাবে যে জনবল নিয়োগ দিয়েছেন, তার তদন্তকাজ শুরু হচ্ছে আগামী রোববার থেকে।

সরেজমিনে তদন্তের জন্য কমিটি ঈদের আগেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে।

এই ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করা তদন্ত কমিটির প্রধান বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক মুহম্মদ আলমগীর শুক্রবার এ তথ্য জানান।

চার সদস্যের এই কমিটির সদস্যরা হলেন ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক মো.আবু তাহের, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. জাকির হোসেন আখন্দ এবং সদস্যসচিব ইউজিসির পরিচালক (পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়) মোহাম্মদ জামিনুর রহমান।

বৃহস্পতিবার নিয়োগ নিয়ে হইচইয়ের মধ্যেই এই কমিটি করা হয়। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। আগামী রোববার প্রথম কর্মদিবস শুরু। এই কমিটি অবৈধ নিয়োগ ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করবে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপাচার্য তার শেষ কর্মদিবসে বিভিন্ন পদে ১৪১ জনকে অস্থায়ী ভিত্তিতে (এডহক) ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়েছেন। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে ।

তদন্ত কমিটির প্রধান বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলে দিয়েছে এই নিয়োগ অবৈধ ও বিধিবহির্ভূত । সুতরাং তাদের কাজটি সহজ হবে । শুধু দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে সুপারিশ করবেন তারা ।

বিদায়ী উপাচার্য আবদুস সোবহান ২০১৭ সালের মে মাসে দ্বিতীয় মেয়াদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। এই মেয়াদে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, নীতিমালা শিথিল করে এবং অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে তার মেয়ে ও জামাতাকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। উপাচার্যের বাসভবনে ওঠার পরেও বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেকটি বাসা দখলে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ক্ষতি করেন। এ ছাড়া আরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম করেছেন । ইউজিসির তদন্তেই এসব অভিযোগের সত্যতা মেলার পর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ জন্য গত ডিসেম্বর মাসে ১২টি পৃথক নোটিশ দিয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছিল মন্ত্রণালয়।

ভিসির অনিয়ম তদন্তে ঈদের আগেই রাবিতে যাবে কমিটি

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৭ মে ২০২১, ০৪:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ভিসির অনিয়ম তদন্তে ঈদের আগেই রাবিতে যাবে কমিটি
রাবিতে নিয়োগ নিয়ে মারামারি। ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বিদায়ী উপাচার্য এম আবদুস সোবহান তার মেয়াদের শেষ কর্মদিবসে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষা করে বিভিন্ন পদে অবৈধ ও বিধিবহির্ভূতভাবে যে জনবল নিয়োগ দিয়েছেন, তার তদন্তকাজ শুরু হচ্ছে আগামী রোববার থেকে। 

সরেজমিনে তদন্তের জন্য কমিটি ঈদের আগেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে।

এই ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করা তদন্ত কমিটির প্রধান বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক মুহম্মদ আলমগীর শুক্রবার এ তথ্য জানান। 

চার সদস্যের এই কমিটির সদস্যরা হলেন ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক মো.আবু তাহের, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. জাকির হোসেন আখন্দ এবং সদস্যসচিব ইউজিসির পরিচালক (পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়) মোহাম্মদ জামিনুর রহমান। 

বৃহস্পতিবার নিয়োগ নিয়ে হইচইয়ের মধ্যেই এই কমিটি করা হয়। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। আগামী রোববার প্রথম কর্মদিবস শুরু। এই কমিটি অবৈধ নিয়োগ ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করবে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপাচার্য তার শেষ কর্মদিবসে বিভিন্ন পদে ১৪১ জনকে অস্থায়ী ভিত্তিতে (এডহক) ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়েছেন। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে ।

তদন্ত কমিটির প্রধান বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলে দিয়েছে এই নিয়োগ অবৈধ ও বিধিবহির্ভূত । সুতরাং তাদের কাজটি সহজ হবে । শুধু দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে সুপারিশ করবেন তারা ।

বিদায়ী উপাচার্য আবদুস সোবহান ২০১৭ সালের মে মাসে দ্বিতীয় মেয়াদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। এই মেয়াদে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, নীতিমালা শিথিল করে এবং অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে তার মেয়ে ও জামাতাকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। উপাচার্যের বাসভবনে ওঠার পরেও বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেকটি বাসা দখলে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ক্ষতি করেন। এ ছাড়া আরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম করেছেন । ইউজিসির তদন্তেই এসব অভিযোগের সত্যতা মেলার পর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

এ জন্য গত ডিসেম্বর মাসে ১২টি পৃথক নোটিশ দিয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছিল মন্ত্রণালয়।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন