স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে: শিক্ষা সচিব
jugantor
স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে: শিক্ষা সচিব

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১২ জুন ২০২১, ১৫:১৭:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শিক্ষাসচিব মো. মাহবুব হোসেন।  ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষাসচিব মো. মাহবুব হোসেন।

তিনি বলেন, আমাদের শ্রেণিভিত্তিক নিয়মিত ক্লাস আয়োজন করতে পারছি না। তার কারণ ছাত্রছাত্রী ও তাদের পরিবারের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে বন্ধ রেখেছি। কিন্তু আমরা বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষাদান অব্যাহত রেখেছি। হতে পারে যে এই বিকল্প পদ্ধতির শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা অভ্যস্থ নয় বলে এখনও তারা নিজেদেরকে কমফোর্ট জোনে নিয়ে যেতে পারছে না। তাছাড়া এর সঙ্গে জড়িত অনেক চ্যালেঞ্জ আমাদের এখনও আছে। কিন্তু এই মুহূর্তে এর চেয়ে বিকল্প তো আমাদের আর কিছু নেই। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক ব্যবস্থা কিংবা আইসিটি নির্ভর যে অবকাঠামো আছে তার সর্বোচ্চ ব্যবহার করার চেষ্টা করছি।

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে শনিবার আয়োজিত বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।

কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ব্র্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী শামীম ফরহাদ ও কলেজের শিক্ষক, অভিভাবক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের ভূয়সী প্রশংসা করে শিক্ষাসচিব মাহবুব হোসেন বলেন, এই করোনাকালে শিক্ষার্থীদের বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষাদান করার ক্ষেত্রে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে যা অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্যে অনুকরণীয়।আমি এতে অহংকারবোধ করি যে, আমি এই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিষদের সঙ্গে জড়িত। আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, এই প্রতিষ্ঠান থেকে কয়েকটি কাজ করা হয়েছে যা আমরা সারা বাংলাদেশে করার চেষ্টা করেছি। তার মধ্যে একটি হচ্ছে যেসব শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার নেই বা ল্যাপটপ কিংবা মোবাইল ডিভাইস নেই তাদেরকে বিনা সুদে এবং স্বল্পমূল্যে কোম্পনিগুলো একটা ব্যবস্থা চালু রেখেছে এবং তারা সাফল্যজনকভাবে এতে অংশগ্রহণ করেছে। আমরা সারা বাংলাদেশের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠিক একই পদ্ধতি অবলম্বন করার জন্য পরামর্শ দিচ্ছি যে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ যে পদ্ধতি অবলম্বন করেছে আপনারাও সে পদ্ধতি অনুসরণ করুন। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই পদ্ধতি অবলম্বন করেছে। তিনি আরও বলেন শুধু মাধ্যমিক কিংবা উচ্চমাধ্যমিক স্তরে নয় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে পরিচালিত নতুন এই পদ্ধতি অনুসরণ করেছে।


তিনি আরও বলেন, যেদিন থেকে আমরা স্কুল কলেজ বন্ধ রেখেছি সেদিন থেকে কোম্পানিগুলোর প্রতি আমাদের একটি নির্দেশনা ছিল যেদিন আমরা যতদ্রুত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দিব তখন একটি রি-ওপেনিং প্লান করতে হবে। আমরা যখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবো তখন আগের মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আগের মত করে চালাতে পারবো না। রি-ওপেনং প্লানটা কি হবে সেটা আমাদের বোর্ডে উপস্থাপন করা হয়েছিল। আমাদের কাছে এই রি-ওপেনিং প্লানটা অনেক আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। আমরা এই প্লানটাকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে দিয়েছি এবং এটি অনুসরণ করে যেন আরও বড় আকারের একটি রি-ওপেনিং প্লান করে। ইতোমধ্যে মাউশি থেকে এটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে যা সারা বাংলাদেশে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেন অনুসরণীয় হয়। তো যখনই আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবো তখন ঐ রি-ওপেনিং প্লানকে অনুসরণ করতে হবে। ওই প্লান অনুযায়ী নির্দেশনা দেওয়া আছে, প্রতিটি ক্লাসরুম কেমন হবে, শিক্ষার্থীরা কিভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসবে, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কেমন আচরণ হবে, অভিভাবকদের আচরণ কেমন হবে তার পরিষ্কার নির্দেশনা দেওয়া আছে।

শিক্ষা সচিব আরও বলেন, আজকে যারা শিশু তারা বাংলাদেশের সম্পদ, তারা আগামী বাংলাদেশের কাণ্ডারি। আমরা ইতোমধ্যে মননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অবিশ্বাস্য অর্থনৈতিকভাবে অগ্রসর হচ্ছি এবং ২০৪১ সাল নাগাদ একটি সুখী সমৃদ্ধ দেশে পা রাখব।

স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে: শিক্ষা সচিব

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১২ জুন ২০২১, ০৩:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শিক্ষাসচিব মো. মাহবুব হোসেন।  ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শিক্ষাসচিব মো. মাহবুব হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষাসচিব মো. মাহবুব হোসেন।  

তিনি বলেন, আমাদের শ্রেণিভিত্তিক নিয়মিত ক্লাস আয়োজন করতে পারছি না। তার কারণ ছাত্রছাত্রী ও তাদের পরিবারের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনা করে বন্ধ রেখেছি। কিন্তু আমরা বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষাদান অব্যাহত রেখেছি। হতে পারে যে এই বিকল্প পদ্ধতির শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা অভ্যস্থ নয় বলে এখনও তারা নিজেদেরকে কমফোর্ট জোনে নিয়ে যেতে পারছে না। তাছাড়া এর সঙ্গে জড়িত অনেক চ্যালেঞ্জ আমাদের এখনও আছে। কিন্তু এই মুহূর্তে এর চেয়ে বিকল্প তো আমাদের আর কিছু নেই। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক ব্যবস্থা কিংবা আইসিটি নির্ভর যে অবকাঠামো আছে তার সর্বোচ্চ ব্যবহার করার চেষ্টা করছি।

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে শনিবার আয়োজিত বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।  

কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ব্র্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী শামীম ফরহাদ ও কলেজের শিক্ষক, অভিভাবক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের ভূয়সী প্রশংসা করে শিক্ষাসচিব মাহবুব হোসেন বলেন, এই করোনাকালে শিক্ষার্থীদের বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষাদান করার ক্ষেত্রে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে যা অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্যে অনুকরণীয়। আমি এতে অহংকারবোধ করি যে, আমি এই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিষদের সঙ্গে জড়িত। আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, এই প্রতিষ্ঠান থেকে কয়েকটি কাজ করা হয়েছে যা আমরা সারা বাংলাদেশে করার চেষ্টা করেছি। তার মধ্যে একটি হচ্ছে যেসব শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার নেই বা ল্যাপটপ কিংবা মোবাইল ডিভাইস নেই তাদেরকে বিনা সুদে এবং স্বল্পমূল্যে কোম্পনিগুলো একটা ব্যবস্থা চালু রেখেছে এবং তারা সাফল্যজনকভাবে এতে অংশগ্রহণ করেছে। আমরা সারা বাংলাদেশের অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঠিক একই পদ্ধতি অবলম্বন করার জন্য পরামর্শ দিচ্ছি যে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ যে পদ্ধতি অবলম্বন করেছে আপনারাও সে পদ্ধতি অনুসরণ করুন। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এই পদ্ধতি অবলম্বন করেছে। তিনি আরও বলেন শুধু মাধ্যমিক কিংবা উচ্চমাধ্যমিক স্তরে নয় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে পরিচালিত নতুন এই পদ্ধতি অনুসরণ করেছে।  


তিনি আরও বলেন, যেদিন থেকে আমরা স্কুল কলেজ বন্ধ রেখেছি সেদিন থেকে কোম্পানিগুলোর প্রতি আমাদের একটি নির্দেশনা ছিল যেদিন আমরা যতদ্রুত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দিব তখন একটি রি-ওপেনিং প্লান করতে হবে। আমরা যখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবো তখন আগের মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আগের মত করে চালাতে পারবো না। রি-ওপেনং প্লানটা কি হবে সেটা আমাদের বোর্ডে উপস্থাপন করা হয়েছিল। আমাদের কাছে এই রি-ওপেনিং প্লানটা অনেক আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। আমরা এই প্লানটাকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে দিয়েছি এবং এটি অনুসরণ করে যেন আরও বড় আকারের একটি রি-ওপেনিং প্লান করে। ইতোমধ্যে মাউশি থেকে এটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে যা সারা বাংলাদেশে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেন অনুসরণীয় হয়। তো যখনই আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবো তখন ঐ রি-ওপেনিং প্লানকে অনুসরণ করতে হবে। ওই প্লান অনুযায়ী নির্দেশনা দেওয়া আছে, প্রতিটি ক্লাসরুম কেমন হবে, শিক্ষার্থীরা কিভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসবে, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কেমন আচরণ হবে, অভিভাবকদের আচরণ কেমন হবে তার পরিষ্কার নির্দেশনা দেওয়া আছে। 

শিক্ষা সচিব আরও বলেন, আজকে যারা শিশু তারা বাংলাদেশের সম্পদ, তারা আগামী বাংলাদেশের কাণ্ডারি। আমরা ইতোমধ্যে মননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অবিশ্বাস্য অর্থনৈতিকভাবে অগ্রসর হচ্ছি এবং ২০৪১ সাল নাগাদ একটি সুখী সমৃদ্ধ দেশে পা রাখব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন