সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢাবি ছাত্রীকে হেনস্তা
jugantor
সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢাবি ছাত্রীকে হেনস্তা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৬ জুলাই ২০২১, ১৭:৪৭:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাবি শিক্ষার্থীকে হেনস্তা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এক ছাত্রীকে সোশ্যাল মিডিয়ায় হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে একই বিভাগের শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। বিষয়টি তদন্তে গঠন করা হয়েছে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি।

বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মেসেঞ্জারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্রীকে অশালীন ভাষা ব্যবহার করে হেনস্তার অভিযোগ ওঠে ওই বিভাগের শিক্ষার্থী শিপন মিয়ার বিরুদ্ধে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থী। পরে বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসাইন ভুঁইয়া বরাবর অভিযোগ দিলে ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

সিন্ডিকেট সদস্য ও বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরকে প্রধান করে গঠিত এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টা সুরাইয়া আক্তার, ড. মো. সাইফুল্লাহ, বিভাগের শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক আব্দুর রহিম ও মাহমুদুর রহমান।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক আব্দুর রহিম যুগান্তরকে বলেন, আমাদেরকে অতিশিগ্রই তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এর জন্য উভয়ের সঙ্গেই আমাদের সরাসরি কথা বলতে হবে। আর বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটা যদি সম্ভব না হয় তাহলে ভার্চুয়ালি তাদের সঙ্গে কথা বলে তদন্তের কাজ এগিয়ে নিতে হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ঢাবি ছাত্রীকে হেনস্তা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৬ জুলাই ২০২১, ০৫:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ঢাবি শিক্ষার্থীকে হেনস্তা।
প্রতীকী ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের এক ছাত্রীকে সোশ্যাল মিডিয়ায় হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে একই বিভাগের শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। বিষয়টি তদন্তে গঠন করা হয়েছে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি। 

বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মেসেঞ্জারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্রীকে অশালীন ভাষা ব্যবহার করে হেনস্তার অভিযোগ ওঠে ওই বিভাগের শিক্ষার্থী শিপন মিয়ার বিরুদ্ধে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের শিক্ষার্থী। পরে বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসাইন ভুঁইয়া বরাবর অভিযোগ দিলে ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

সিন্ডিকেট সদস্য ও বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরকে প্রধান করে গঠিত এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টা সুরাইয়া আক্তার, ড. মো. সাইফুল্লাহ, বিভাগের শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক আব্দুর রহিম ও  মাহমুদুর রহমান। 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক আব্দুর রহিম যুগান্তরকে বলেন, আমাদেরকে অতিশিগ্রই তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এর জন্য উভয়ের সঙ্গেই আমাদের সরাসরি কথা বলতে হবে। আর বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটা যদি সম্ভব না হয় তাহলে ভার্চুয়ালি তাদের সঙ্গে কথা বলে তদন্তের কাজ এগিয়ে নিতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন