শেকৃবি নিরাপত্তারক্ষীকে সহকারী প্রক্টরের হুমকি
jugantor
শেকৃবি নিরাপত্তারক্ষীকে সহকারী প্রক্টরের হুমকি

  শেকৃবি প্রতিনিধি  

২৮ জুলাই ২০২১, ২২:৫৬:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) নিরাপত্তা শাখার এক আনসার সদস্যকে পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মো. রাকিবুর রহমানের (সেজান) বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

বুধবার এ ঘটনায় ক্যাম্পের অস্ত্রের নিরাপত্তাহীনতা ও আনসার লাঞ্ছনার প্রতিবাদ জানিয়ে রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আনসার কমান্ডার মো. মজিবুর রহমান।

অভিযোগে বলা হয়, ৪২ জন পি.সি/এ.পি.সি. ও আনসার সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে পাশের রুমে অফিসার্স ক্লাবের কার্তিকের কাছে বিস্কুট আনতে আনসার সদস্য মিজানুর রহমানকে পাঠাই।

ক্লাব রুমে যাওয়ার আগেই সামনে বসে থাকা সহকারী প্রক্টর উক্ত আনসার সদস্যকে বলেন- এই তুই এদিকে আসছো কেন? তোর হাত-পা ভেঙে গুঁড়া করে দেব। উক্ত ঘটনা তখনই প্রক্টর স্যারকে ফোনে জানাই। এতে সহকারী প্রক্টর আরও ক্ষিপ্ত হয়ে দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের সামনে মিজানুর রহমানকে মারতে উদ্যত হন।

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, অফিসার্স ক্লাবে প্রায়ই বহিরাগত নিয়ে জুয়া খেলা ও আড্ডাবাজি করা হয়। বহিরাগত লোকজন আসায় আমাদের অস্ত্রগুলোর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। ইতোপূর্বে আনসার সদস্য কয়েকবার লাঞ্ছিত হয়েছে। তার কোনো প্রতিকার পাইনি। তাই জরুরিভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়।

অভিযুক্ত সহকারী প্রক্টর মো. রাকিবুর রহমান বলেন, অভিযোগের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। প্রক্টরের সঙ্গে কথা বলেন।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া বলেন, আমি প্রক্টরকে বিষয়টা জানিয়েছি। তিনি আলোচনা করে সমাধান করবেন।

শেকৃবি নিরাপত্তারক্ষীকে সহকারী প্রক্টরের হুমকি

 শেকৃবি প্রতিনিধি 
২৮ জুলাই ২০২১, ১০:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) নিরাপত্তা শাখার এক আনসার সদস্যকে পা ভেঙে ফেলার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মো. রাকিবুর রহমানের (সেজান) বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।  

বুধবার এ ঘটনায় ক্যাম্পের অস্ত্রের নিরাপত্তাহীনতা ও আনসার লাঞ্ছনার প্রতিবাদ জানিয়ে রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আনসার কমান্ডার মো. মজিবুর রহমান। 

অভিযোগে বলা হয়, ৪২ জন পি.সি/এ.পি.সি. ও আনসার সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে পাশের রুমে অফিসার্স ক্লাবের কার্তিকের কাছে বিস্কুট আনতে আনসার সদস্য মিজানুর রহমানকে পাঠাই। 

ক্লাব রুমে যাওয়ার আগেই সামনে বসে থাকা সহকারী প্রক্টর উক্ত আনসার সদস্যকে বলেন- এই তুই এদিকে আসছো কেন? তোর হাত-পা ভেঙে গুঁড়া করে দেব। উক্ত ঘটনা তখনই প্রক্টর স্যারকে ফোনে জানাই। এতে সহকারী প্রক্টর আরও ক্ষিপ্ত হয়ে দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের সামনে মিজানুর রহমানকে মারতে উদ্যত হন।  

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, অফিসার্স ক্লাবে প্রায়ই বহিরাগত নিয়ে জুয়া খেলা ও আড্ডাবাজি করা হয়। বহিরাগত লোকজন আসায় আমাদের অস্ত্রগুলোর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। ইতোপূর্বে আনসার সদস্য কয়েকবার লাঞ্ছিত হয়েছে। তার কোনো প্রতিকার পাইনি। তাই জরুরিভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়। 

অভিযুক্ত সহকারী প্রক্টর মো. রাকিবুর রহমান বলেন, অভিযোগের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। প্রক্টরের সঙ্গে কথা বলেন। 

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া বলেন, আমি প্রক্টরকে বিষয়টা জানিয়েছি। তিনি আলোচনা করে সমাধান করবেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন