স্মৃতিসৌধে কাপলদের প্রবেশ, প্রতিবাদ করায় জাবি শিক্ষার্থীকে মারধর
jugantor
স্মৃতিসৌধে কাপলদের প্রবেশ, প্রতিবাদ করায় জাবি শিক্ষার্থীকে মারধর

  জাবি প্রতিনিধি  

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:২৯:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাকালে দীর্ঘদিন দর্শনার্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে। কিন্তু সোমবার দুপুরের পরে কিছু কাপল ও দর্শনার্থীদের টাকার বিনিময়ে প্রবেশে অনুমতি দিয়েছিল কর্তব্যরত আনসার সদস্যরা।

এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় ও ভেতরে থাকা দর্শনার্থীদের ভিডিও করতে যাওয়ায় বেদম মারধরের শিকার হয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী। সোমবার তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহত নূর হোসেন জাবির প্রাণীবিদ্যা বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের (৪৬ ব্যাচের) শিক্ষার্থী। নূর হোসেন গুরুতর আহত অবস্থায় সাভারের এনাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে কর্তব্যরত গণপূর্ত বিভাগের ইনচার্জ উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে মিজানুর রহমান বলেন, আনসার সদস্যের সাথে ঐ শিক্ষার্থীর প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে চারজন আনসার সদস্য তাকে মারধর করে। পরে আমিসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত হয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করি।

এ বিষয়ে নূর হোসেন বলেন, আমি বিকালে আমার দুজন ভাগিনাসহ স্মৃতিসৌধ ঘুরতে যায়। সেখানে অনেককে অর্থের বিনিময়ে প্রবেশ করতে দিচ্ছিল দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা। আমি এটার প্রতিবাদ করলে তারা আমাকে একটি রুমে নিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে সাত-আটজন আনসার সদস্য এসে আমাকে বেধড়ক মারধর করে। এতে আমার ঠোঁট, গলা, তলপেট ও মাথায় মারাত্মকভাবে জখম হয়। এছাড়া তাদের ব্যবহৃত লাঠি দিয়ে আমার পাও থেঁতলে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে নূর হোসেনের বন্ধু জহির ফয়সাল বলেন, নূরের শরীরে মারাত্মক জখমের চিহ্ন রয়েছে। আমাদের দাবি, তার চিকিৎসা ব্যয় স্মৃতিসৌধ প্রশাসনকে বহন করতে হবে এবং এ ঘটনায় অভিযুক্তদের যথাযথ শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

এছাড়া অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

স্মৃতিসৌধে কাপলদের প্রবেশ, প্রতিবাদ করায় জাবি শিক্ষার্থীকে মারধর

 জাবি প্রতিনিধি 
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:২৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাকালে দীর্ঘদিন দর্শনার্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে। কিন্তু সোমবার দুপুরের পরে কিছু কাপল ও দর্শনার্থীদের টাকার বিনিময়ে প্রবেশে অনুমতি দিয়েছিল কর্তব্যরত আনসার সদস্যরা।

এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় ও ভেতরে থাকা দর্শনার্থীদের ভিডিও করতে যাওয়ায় বেদম মারধরের শিকার হয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী। সোমবার তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আহত নূর হোসেন জাবির প্রাণীবিদ্যা বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের (৪৬ ব্যাচের) শিক্ষার্থী। নূর হোসেন গুরুতর আহত অবস্থায় সাভারের এনাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে কর্তব্যরত গণপূর্ত বিভাগের ইনচার্জ উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। 

ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে মিজানুর রহমান বলেন, আনসার সদস্যের সাথে ঐ শিক্ষার্থীর প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে চারজন আনসার সদস্য তাকে মারধর করে। পরে আমিসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত হয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করি। 

এ বিষয়ে নূর হোসেন বলেন, আমি বিকালে আমার দুজন ভাগিনাসহ স্মৃতিসৌধ ঘুরতে যায়। সেখানে অনেককে অর্থের বিনিময়ে প্রবেশ করতে দিচ্ছিল দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা। আমি এটার প্রতিবাদ করলে তারা আমাকে একটি রুমে নিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে সাত-আটজন আনসার সদস্য এসে আমাকে বেধড়ক মারধর করে। এতে আমার ঠোঁট, গলা, তলপেট ও মাথায় মারাত্মকভাবে জখম হয়। এছাড়া তাদের ব্যবহৃত লাঠি দিয়ে আমার পাও থেঁতলে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে নূর হোসেনের বন্ধু জহির ফয়সাল বলেন, নূরের শরীরে মারাত্মক জখমের চিহ্ন রয়েছে। আমাদের দাবি, তার চিকিৎসা ব্যয় স্মৃতিসৌধ প্রশাসনকে বহন করতে হবে এবং এ ঘটনায় অভিযুক্তদের যথাযথ শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

এছাড়া অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন