সেই ১৯৪ শিক্ষার্থীর এসএসসির অরিজিনাল সার্টিফিকেট খুঁজে পেল স্কুল কর্তৃপক্ষ
jugantor
সেই ১৯৪ শিক্ষার্থীর এসএসসির অরিজিনাল সার্টিফিকেট খুঁজে পেল স্কুল কর্তৃপক্ষ

  মিরপুর প্রতিনিধি  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:১২:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

যুগান্তরে প্রতিবেদন প্রকাশের পর অবশেষে এসএসসির অরিজিনাল সার্টিফিকেট খুঁজে পেয়েছে রাজধানীর মিরপুর ১১ নম্বর সরকারি প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম। এ ঘটনায় অফিস সহকারী জয়নাল আবেদীনকে শোকজ করা হয়েছে।

‘মিরপুরে এসএসসির ডুপ্লিকেট সার্টিফিকেট, আতংকে শিক্ষার্থীরা’ শিরোনামে গতকাল (মঙ্গলবার) যুগান্তরের অনলাইনে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর টনক নড়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ শিক্ষক-কর্মচারীদের। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক বুধবার সকালে অরিজিনাল সার্টিফিকেটের খুঁজে ঢাকা শিক্ষাবোর্ডে দুইজন শিক্ষকসহ অফিস সহকারীকে পাঠান। সেখানে যোগাযোগ করে ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৯৪ জন শিক্ষার্থীর অরজিনাল সার্টিফিকেটের খোঁজ মিলে। সেখান থেকে ১৯৪টি অরিজিনাল সার্টিফিকেট স্কুলে নিয়ে আসা হয়।

এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার কারণে অফিস সহকারী জয়নাল আবেদীনকে শোকজ করা হয়েছে।

এদিকে এসএসসির অরিজিনাল সার্টিফিকেট পাওয়ার খবরে অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। অনেকে আনন্দ, উল্লাসে মেতে উঠেন। অনেকে খুশিতে মিষ্টি বিতরণও করেন। শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা যুগান্তরের প্রশংসা করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে সরকারি প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, যুগান্তরকে ধন্যবাদ- এমন একটি প্রতিবেদন করার জন্য। প্রতিবেদনের কারণেই আমরা অরিজিনাল সার্টিফিকেট খুঁজে পেয়েছি। যুগান্তরের তথ্য আমলে নিয়ে আজ (বুধবার) সকালে দুইজন শিক্ষকসহ অফিস সহকারীকে বোর্ডে পাঠানো হয়। সেখানে গিয়ে মূল সনদের খবর মেলে। অফিস সহকারীকে জিজ্ঞাসা করেছি, সার্টিফিকেট হারিয়েছে- এ ধরনের ভুল তথ্য কেন দেওয়া হয়েছে। তাকে (অফিস সহকারী) আমরা শোকজ করেছি। আমরা অরিজিনাল সার্টিফিকেট পেয়েছি। এখন ডুপ্লিকেট সার্টিফিকেট বোর্ডে ফেরত দেব।

সেই ১৯৪ শিক্ষার্থীর এসএসসির অরিজিনাল সার্টিফিকেট খুঁজে পেল স্কুল কর্তৃপক্ষ

 মিরপুর প্রতিনিধি 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যুগান্তরে প্রতিবেদন প্রকাশের পর অবশেষে এসএসসির অরিজিনাল সার্টিফিকেট খুঁজে পেয়েছে রাজধানীর মিরপুর ১১ নম্বর সরকারি প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম। এ ঘটনায় অফিস সহকারী জয়নাল আবেদীনকে শোকজ করা হয়েছে।

‘মিরপুরে এসএসসির ডুপ্লিকেট সার্টিফিকেট, আতংকে শিক্ষার্থীরা’ শিরোনামে গতকাল (মঙ্গলবার) যুগান্তরের অনলাইনে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর টনক নড়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ শিক্ষক-কর্মচারীদের।  প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক বুধবার সকালে অরিজিনাল সার্টিফিকেটের খুঁজে ঢাকা শিক্ষাবোর্ডে দুইজন শিক্ষকসহ অফিস সহকারীকে  পাঠান।  সেখানে যোগাযোগ করে ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৯৪ জন শিক্ষার্থীর অরজিনাল সার্টিফিকেটের খোঁজ মিলে।  সেখান থেকে ১৯৪টি অরিজিনাল  সার্টিফিকেট স্কুলে নিয়ে আসা হয়। 

এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার কারণে অফিস সহকারী জয়নাল আবেদীনকে শোকজ করা হয়েছে। 

এদিকে এসএসসির অরিজিনাল সার্টিফিকেট পাওয়ার খবরে অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। অনেকে আনন্দ, উল্লাসে মেতে উঠেন।  অনেকে খুশিতে মিষ্টি বিতরণও করেন। শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা যুগান্তরের প্রশংসা করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে সরকারি প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, যুগান্তরকে ধন্যবাদ- এমন একটি প্রতিবেদন করার জন্য। প্রতিবেদনের কারণেই আমরা অরিজিনাল সার্টিফিকেট খুঁজে পেয়েছি। যুগান্তরের তথ্য আমলে নিয়ে আজ (বুধবার) সকালে দুইজন শিক্ষকসহ অফিস সহকারীকে বোর্ডে পাঠানো হয়। সেখানে গিয়ে মূল সনদের খবর মেলে।  অফিস সহকারীকে জিজ্ঞাসা করেছি, সার্টিফিকেট হারিয়েছে- এ ধরনের ভুল তথ্য কেন দেওয়া হয়েছে।  তাকে (অফিস সহকারী) আমরা শোকজ করেছি।  আমরা অরিজিনাল সার্টিফিকেট পেয়েছি।  এখন ডুপ্লিকেট সার্টিফিকেট বোর্ডে ফেরত দেব। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন