৪ লাখ টাকায় জাবিতে চান্স, ভাইভা দিতে এসে ধরা
jugantor
৪ লাখ টাকায় জাবিতে চান্স, ভাইভা দিতে এসে ধরা

  জাবি প্রতিনিধি  

০১ ডিসেম্বর ২০২১, ২০:০০:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার তারুটিয়া গ্রামের মৃত শওকত মিয়ার ছেলে মোস্তফা কামাল। সে এবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদে ৩০০তম মেধাস্থান নিয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।

এজন্য বুধবার সে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইভা দিতে আসে; কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভাইভা নেওয়ার বদলে তাকে আটকে রাখে। আটকের পরই জানা গেল ৪ লাখ টাকা চুক্তিতে তার চান্স পাওয়ার গোপন রহস্য।

প্রক্টর অফিসে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোস্তফা কামাল জালিয়াতি করে চান্স পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, শুধু আমি নই; আমার আরও দুই বন্ধু আশিক ও ফরহাদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের 'ডি' ইউনিটে জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হয়েছে। 'ডি' ইউনিটে তাদের মেধাক্রম ছিল ৭৯ ও ২৪৯। তাদের মাধ্যমে জানতে পারি- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ ব্যাচের শিক্ষার্থী শামীমের মাধ্যমে তারা ভর্তি হয়েছে।

এজন্য আশিক ও ফরহাদের মাধ্যমে আমি মেহেদী ও শামীমের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তাদের সঙ্গে ৪ লাখ টাকার বিনিময়ে জাবিতে চান্স পাইয়ে দেওয়ার চুক্তি হয়। পরে আমার প্রবেশপত্র নিয়ে আমার হয়ে আরেকজন জাবির গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। পরীক্ষায় আমার মেধাক্রম আসে ৩০০। এরপর চুক্তি অনুযায়ী পুরো টাকা পরিশোধ করেছি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আশুলিয়া থানায় মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এছাড়া জালিয়াতি চক্রের বাকি সদস্যদের আটক করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

৪ লাখ টাকায় জাবিতে চান্স, ভাইভা দিতে এসে ধরা

 জাবি প্রতিনিধি 
০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার তারুটিয়া গ্রামের মৃত শওকত মিয়ার ছেলে মোস্তফা কামাল। সে এবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদে ৩০০তম মেধাস্থান নিয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। 

এজন্য বুধবার সে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইভা দিতে আসে; কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভাইভা নেওয়ার বদলে তাকে আটকে রাখে। আটকের পরই জানা গেল ৪ লাখ টাকা চুক্তিতে তার চান্স পাওয়ার গোপন রহস্য।

প্রক্টর অফিসে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোস্তফা কামাল জালিয়াতি করে চান্স পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, শুধু আমি নই; আমার আরও দুই বন্ধু আশিক ও ফরহাদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের 'ডি' ইউনিটে জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হয়েছে। 'ডি' ইউনিটে তাদের মেধাক্রম ছিল ৭৯ ও ২৪৯। তাদের মাধ্যমে জানতে পারি- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ ব্যাচের শিক্ষার্থী শামীমের মাধ্যমে তারা ভর্তি হয়েছে। 

এজন্য আশিক ও ফরহাদের মাধ্যমে আমি মেহেদী ও শামীমের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তাদের সঙ্গে ৪ লাখ টাকার বিনিময়ে জাবিতে চান্স পাইয়ে দেওয়ার চুক্তি হয়। পরে আমার প্রবেশপত্র নিয়ে আমার হয়ে আরেকজন জাবির গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। পরীক্ষায় আমার মেধাক্রম আসে ৩০০। এরপর চুক্তি অনুযায়ী পুরো টাকা পরিশোধ করেছি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আশুলিয়া থানায় মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এছাড়া জালিয়াতি চক্রের বাকি সদস্যদের আটক করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন