শাবি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে একাই দাঁড়ালেন রাবি শিক্ষক
jugantor
শাবি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে একাই দাঁড়ালেন রাবি শিক্ষক

  রাবি প্রতিনিধি  

২৩ জানুয়ারি ২০২২, ১৯:১৩:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনায় নিরব প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. ফরিদ খান। রোববার বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত ড. ফরিদ রাবির জোহা চত্বরে নীরবে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করেন। এ সময় তিনি শাবিপ্রবি ভিসির পদত্যাগও দাবি করেন।

ড. ফরিদ বলেন, শাবি শিক্ষার্থীদের ওপর নির্মম পুলিশি হামলা ও ভিসি ফরিদ উদ্দীদের পদত্যাগের দাবিতে এ প্রতিবাদ। একজন শিক্ষক হিসেবে, একজন অভিভাবক হিসেবে আমি ভীষণ লজ্জিত ও ব্যথিত। একজন শিক্ষকের কারণে আজ আমাদের সন্তানদের জীবন সংকটাপন্ন, হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। যে দাবি জীবনকে হার মানায়, সে দাবি কখনই অযৌক্তিক হতে পারে না। শিক্ষার্থীদের জীবনের চেয়ে শিক্ষাঙ্গণে কোনো পদই বড় হতে পারে না। তাই বিবেকের তাড়নায় এ প্রতিবাদে দাঁড়িয়েছি।

তিনি আরও বলেন, এই নীরবতার ভাষা লাখো শিক্ষকের লাখো অভিভাবকের ক্ষোভের ভাষা, বিবেকের ভাষা। একজন অভিভাবক যখন দাঙ্গা পুলিশ ডেকে এনে সন্তানদের শায়েস্তা করেন, তখন তিনি আর অভিভাবক থাকেন না, হয়ে যান একজন শাসক, নির্মম শাসক। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো শাসক চাই না, চাই অভিভাবক।

শাবি ভিসিকে উদ্দেশ করে এই অধ্যাপক বলেন, অবিলম্বে পদত্যাগ করুন। শিক্ষক সমাজকে জাতির কাছে কলঙ্কিত করবেন না, ছোট করবেন না। আপনার শিক্ষকতা জীবনের অর্জনকে হেয় হতে দিবেন না। শিক্ষকদের অধিকার আদায়ে আপনার প্রশংসিত ভূমিকাকে খাটো করবেন না। আবারো বলছি পদত্যাগ করুন। আমাদের সন্তানদের বাঁচান। সন্তানদের কাছে হার মানা কোনো লজ্জার নয় বরং আনন্দের। আমাদের সন্তানরা আজ প্রতিবাদ করতে শিখেছে।

এদিকে করোনা মহামারিতে সরকারি বিধি-নিষেধ থাকায় এ কর্মসূচিতে অন্যদের অংশগ্রহণ করতে নিষেধ করেন তিনি।

শাবি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে একাই দাঁড়ালেন রাবি শিক্ষক

 রাবি প্রতিনিধি 
২৩ জানুয়ারি ২০২২, ০৭:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনায় নিরব প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. ফরিদ খান। রোববার বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত ড. ফরিদ রাবির জোহা চত্বরে নীরবে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করেন। এ সময় তিনি শাবিপ্রবি ভিসির পদত্যাগও দাবি করেন। 

ড. ফরিদ বলেন, শাবি শিক্ষার্থীদের ওপর নির্মম পুলিশি হামলা ও ভিসি ফরিদ উদ্দীদের পদত্যাগের দাবিতে এ প্রতিবাদ। একজন শিক্ষক হিসেবে, একজন অভিভাবক হিসেবে আমি ভীষণ লজ্জিত ও ব্যথিত। একজন শিক্ষকের কারণে আজ আমাদের সন্তানদের জীবন সংকটাপন্ন, হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। যে দাবি জীবনকে হার মানায়, সে দাবি কখনই অযৌক্তিক হতে পারে না। শিক্ষার্থীদের জীবনের চেয়ে শিক্ষাঙ্গণে কোনো পদই বড় হতে পারে না। তাই বিবেকের তাড়নায় এ প্রতিবাদে দাঁড়িয়েছি। 

তিনি আরও বলেন, এই নীরবতার ভাষা লাখো শিক্ষকের লাখো অভিভাবকের ক্ষোভের ভাষা, বিবেকের ভাষা। একজন অভিভাবক যখন দাঙ্গা পুলিশ ডেকে এনে সন্তানদের শায়েস্তা করেন, তখন তিনি আর অভিভাবক থাকেন না, হয়ে যান একজন শাসক, নির্মম শাসক। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো শাসক চাই না, চাই অভিভাবক। 

শাবি ভিসিকে উদ্দেশ করে এই অধ্যাপক বলেন, অবিলম্বে পদত্যাগ করুন। শিক্ষক সমাজকে জাতির কাছে কলঙ্কিত করবেন না, ছোট করবেন না। আপনার শিক্ষকতা জীবনের অর্জনকে হেয় হতে দিবেন না। শিক্ষকদের অধিকার আদায়ে আপনার প্রশংসিত ভূমিকাকে খাটো করবেন না। আবারো বলছি পদত্যাগ করুন। আমাদের সন্তানদের বাঁচান। সন্তানদের কাছে হার মানা কোনো লজ্জার নয় বরং আনন্দের। আমাদের সন্তানরা আজ প্রতিবাদ করতে শিখেছে। 

এদিকে করোনা মহামারিতে সরকারি বিধি-নিষেধ থাকায় এ কর্মসূচিতে অন্যদের অংশগ্রহণ করতে নিষেধ করেন তিনি।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন