অবশেষে খুলল কুবির রেজিস্ট্রার দফতরের তালা, আন্দোলন স্থগিত
jugantor
অবশেষে খুলল কুবির রেজিস্ট্রার দফতরের তালা, আন্দোলন স্থগিত

  কুবি প্রতিনিধি   

২৪ জানুয়ারি ২০২২, ২০:৩৫:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) কর্মকর্তা থেকে রেজিস্ট্রার দেওয়ার দাবিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একপক্ষের আন্দোলন স্থগিত করা হয়েছে। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামানসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ভার্চুয়াল মাধ্যমে আলোচনা শেষে রেজিস্ট্রার দফতরে ঝুলানো তালা খুলে দেয় তারা।

এরপর বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের তার কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। তবে শিক্ষক থেকে হওয়া বর্তমান রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আবু তাহেরকে প্রত্যাহার করে কর্মকর্তা হতে রেজিস্ট্রার না দেওয়া হলে পুনরায় আন্দোলন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে আন্দোলনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংগঠনগুলো জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সমিতি, শাখা ছাত্রলীগ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংগঠনগুলোর সভাপতি-সেক্রেটারি ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে আলোচনা সাপেক্ষে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করা হয়েছে।

৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কর্মকর্তা থেকে রেজিস্ট্রারে দেওয়া না হলে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে আবারো আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। এছাড়া কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অন্যান্য উত্থাপিত দাবি আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সিন্ডিকেট মিটিং করে বাস্তবায়ন করার দাবি জানান তারা।

উল্লেখ্য, গত ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় শিক্ষক থেকে রেজিস্ট্রার হওয়া অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহেরের অপসারণ দাবি করে তার দফতরে তালা লাগিয়ে আন্দোলন শুরু করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তবে রেজিস্ট্রার দফতরে তালা দেওয়া নিয়ে রোববার কর্মচারীরা বিভক্ত হয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান নেয়। এ সময় তাদের মধ্য হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। এ সময় তালা দেওয়ার বিরোধিতা করে ৮২ জন কর্মচারী স্মারকলিপি প্রদান করেন।

অবশেষে খুলল কুবির রেজিস্ট্রার দফতরের তালা, আন্দোলন স্থগিত

 কুবি প্রতিনিধি  
২৪ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) কর্মকর্তা থেকে রেজিস্ট্রার দেওয়ার দাবিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একপক্ষের আন্দোলন স্থগিত করা হয়েছে। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামানসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ভার্চুয়াল মাধ্যমে আলোচনা শেষে রেজিস্ট্রার দফতরে ঝুলানো তালা খুলে দেয় তারা। 

এরপর বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের তার কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। তবে শিক্ষক থেকে হওয়া বর্তমান রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আবু তাহেরকে প্রত্যাহার করে কর্মকর্তা হতে রেজিস্ট্রার না দেওয়া হলে পুনরায় আন্দোলন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে আন্দোলনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংগঠনগুলো জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সমিতি, শাখা ছাত্রলীগ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংগঠনগুলোর সভাপতি-সেক্রেটারি ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে আলোচনা সাপেক্ষে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করা হয়েছে। 

৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কর্মকর্তা থেকে রেজিস্ট্রারে দেওয়া না হলে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে আবারো আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা। এছাড়া কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অন্যান্য উত্থাপিত দাবি আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সিন্ডিকেট মিটিং করে বাস্তবায়ন করার দাবি জানান তারা।

উল্লেখ্য, গত ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্যায় শিক্ষক থেকে রেজিস্ট্রার হওয়া অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহেরের অপসারণ দাবি করে তার দফতরে তালা লাগিয়ে আন্দোলন শুরু করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তবে রেজিস্ট্রার দফতরে তালা দেওয়া নিয়ে রোববার কর্মচারীরা বিভক্ত হয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান নেয়। এ সময় তাদের মধ্য হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। এ সময় তালা দেওয়ার বিরোধিতা করে ৮২ জন কর্মচারী স্মারকলিপি প্রদান করেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন