উচ্চমূল্যে নিম্নমানের খাবার খাচ্ছে শেকৃবি শিক্ষার্থীরা
jugantor
উচ্চমূল্যে নিম্নমানের খাবার খাচ্ছে শেকৃবি শিক্ষার্থীরা

  শেকৃবি প্রতিনিধি  

২৬ জানুয়ারি ২০২২, ২১:৪৬:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) আবাসিক হলগুলোতে উচ্চমূল্যে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, হলের ডাইনিংগুলো মাঝে মধ্যে বন্ধ থাকায় খাবার নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শেকৃবির ৫টি আবাসিক হলে প্রায় ৩ হাজার শিক্ষার্থী থাকেন। আর এসব শিক্ষার্থীদের খাবারের একমাত্র ভরসা হলের ডাইনিং। কিন্তু মাঝে মধ্যে হলের ডাইনিং বন্ধ থাকায় উচ্চমূল্য দিয়ে ক্যান্টিনে খেতে হয় তাও আবার নিম্নমানের খাবার। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব সিরাজ উদ্-দৌলা হলের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা এখানে যারা পড়াশোনা করতে এসেছি, অধিকাংশই মধ্যবিত্ত শ্রেণির। কম টাকায় মাস চলতে ডাইনিংয়ে খেতে হয়। কিন্তু মাঝে মধ্যে হলের ডাইনিং বন্ধ করায় বেশি দাম দিয়ে বাইরে থেকে খাবার কিনতে হচ্ছে।

নবাব সিরাজ উদ্-দৌলা হলের প্রভোস্ট সিরাজুল ইসলাম বলেন, ছাত্র কম থাকায় মাঝে মধ্যে ডাইনিং বন্ধ রাখতে হচ্ছে। ডাইনিং চালু করলে ২ শতাধিক শিক্ষার্থীর খাবার পরিবেশন করা হয়।

এদিকে শেরেবাংলা হলের মেজবা নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, নোটিশ না দিয়ে ডাইনিংয়ের রান্না প্রায়ই বন্ধ রাখার কারণে খাওয়ার সমস্যায় পড়তে হয়। কিছুদিন আগে টানা ৫-৬দিন বন্ধ রাখা হয়। ফলে বাধ্য হয়েই ক্যান্টিন অথবা বাইরে থেকে বেশি দামে অস্বাস্থ্যকর খাবার কিনে খেতে হয়।

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে শেরেবাংলা হলের প্রভোস্ট শাহ জহির রায়হানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

এছাড়া কবি নজরুল হলের ডাইনিংয়ে বিভিন্ন প্রোগ্রামের খাবার রান্না করার কারণে মাঝে মাঝে বন্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি শেখ হাসিনা ও ফজিলাতুন্নেসা হলের ডাইনিংও প্রতি সপ্তাহে দুদিন বন্ধ রাখা হয়। ক্যান্টিনেও খাবারের দাম অনেক বেশি রাখা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রীরা ।

উচ্চমূল্যে নিম্নমানের খাবার খাচ্ছে শেকৃবি শিক্ষার্থীরা

 শেকৃবি প্রতিনিধি 
২৬ জানুয়ারি ২০২২, ০৯:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) আবাসিক হলগুলোতে উচ্চমূল্যে নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, হলের ডাইনিংগুলো মাঝে মধ্যে বন্ধ থাকায় খাবার নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। 

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শেকৃবির ৫টি আবাসিক হলে প্রায় ৩ হাজার শিক্ষার্থী থাকেন। আর এসব শিক্ষার্থীদের খাবারের একমাত্র ভরসা হলের ডাইনিং। কিন্তু মাঝে মধ্যে হলের ডাইনিং বন্ধ থাকায় উচ্চমূল্য দিয়ে ক্যান্টিনে খেতে হয় তাও আবার নিম্নমানের খাবার। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থীরা। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব সিরাজ উদ্-দৌলা হলের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা এখানে যারা পড়াশোনা করতে এসেছি, অধিকাংশই মধ্যবিত্ত শ্রেণির। কম টাকায় মাস চলতে ডাইনিংয়ে খেতে হয়। কিন্তু মাঝে মধ্যে হলের ডাইনিং বন্ধ করায় বেশি দাম দিয়ে বাইরে থেকে খাবার কিনতে হচ্ছে। 

নবাব সিরাজ উদ্-দৌলা হলের প্রভোস্ট সিরাজুল ইসলাম বলেন, ছাত্র কম থাকায় মাঝে মধ্যে ডাইনিং বন্ধ রাখতে হচ্ছে। ডাইনিং চালু করলে ২ শতাধিক শিক্ষার্থীর খাবার পরিবেশন করা হয়। 

এদিকে শেরেবাংলা হলের মেজবা নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, নোটিশ না দিয়ে ডাইনিংয়ের রান্না প্রায়ই বন্ধ রাখার কারণে খাওয়ার সমস্যায় পড়তে হয়। কিছুদিন আগে টানা ৫-৬দিন বন্ধ রাখা হয়। ফলে বাধ্য হয়েই ক্যান্টিন অথবা বাইরে থেকে বেশি দামে অস্বাস্থ্যকর খাবার কিনে খেতে হয়। 

এ বিষয়ে বক্তব্য নিতে শেরেবাংলা হলের প্রভোস্ট শাহ জহির রায়হানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।   

এছাড়া কবি নজরুল হলের ডাইনিংয়ে বিভিন্ন প্রোগ্রামের খাবার রান্না করার কারণে মাঝে মাঝে বন্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি শেখ হাসিনা ও ফজিলাতুন্নেসা হলের ডাইনিংও প্রতি সপ্তাহে দুদিন বন্ধ রাখা হয়। ক্যান্টিনেও খাবারের দাম অনেক বেশি রাখা হয় বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রীরা ।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন