শাবি প্রক্টরের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের যত অভিযোগ
jugantor
শাবি প্রক্টরের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের যত অভিযোগ

  সিলেট ব্যুরো  

১৭ আগস্ট ২০২২, ২২:২৯:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইশরাত ইবনে ইসমাইলের বিরুদ্ধে ফোন না ধরা ও প্রয়োজনের সময় অফিসে না পাওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বুধবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক আমিনা পারভীনের কাছে একটি লিখিত আবেদনপত্রে এসব অভিযোগ করা হয়।

আবেদনপত্রে শিক্ষার্থীদের পক্ষে উমর ফারুক, নওরীন জামান, অনিক সাজিদ আহসানসহ ছয়জন শিক্ষার্থী স্বাক্ষর করেন।

আবেদনপত্রে তারা প্রক্টরকে ফোন দিলে ফোন না ধরা, পরবর্তীতে কল ব্যাক না করা, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সহকারী প্রক্টরদের সঙ্গে যোগাযোগ করে মিটিংয়ের সময় নেওয়া হলেও বারবার মিটিং পিছিয়ে দেওয়া, অফিসে গিয়ে না পাওয়া, প্রক্টরের কাজ ব্যতীত অন্য কাজে বেশি ব্যস্ত থাকাসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনেছেন।

আবেদনপত্রে তারা উল্লেখ করেন, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ইস্যুতে গত চার মাসে প্রক্টর মহোদয়কে অসংখ্য বার কল দিয়েছি। কিন্তু তাকে পাওয়া গেছে মাত্র ৮-৯ বার। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তিনি ফোন ধরেন না। কল না ধরলে পরবর্তীতে তিনি সে কল ব্যাক করারও প্রয়োজন বোধ করেন না।

কয়েকবার সহকারী প্রক্টরদের সঙ্গে যোগাযোগ করে মিটিংয়ের সময় নেওয়া হলেও তিনি বারবার হয় মিটিং পিছিয়ে দিয়েছেন কিংবা উধাও হয়ে গেছেন। অন্যান্য কাজ ফেলে প্রক্টরের দেওয়া সময় অনুযায়ী অফিসে তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে অনেকবারই তাকে পাইনি। তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে প্রায় প্রতিবারই তাকে প্রক্টর অফিসে পাওয়া যায় না।

শিক্ষার্থীরা আরও উল্লেখ করেন, প্রক্টরের দায়িত্ব ছাড়াও তিনি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালন করছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। আমরা মনে করি, দায়িত্বের ভারে তিনি ‘নুইয়ে’ পড়েছেন। মূলত একজন প্রক্টর বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলাজনিত কাজে ব্যস্ত থাকবেন, কিন্তু তিনি প্রক্টরের কাজ ব্যতীত অন্য কাজে বেশি ব্যস্ত থাকেন। আমরা মনে করি, প্রক্টরের নিজ দায়িত্ব ছাড়া অন্য কোনো মিটিং বা কাজে ব্যস্ত থাকা উচিত নয়, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম, শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয়। বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজের জন্য তাকে যথাসময়ে পাওয়া যায় না, যার ফলশ্রুতিতে শিক্ষার্থীরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক আমিনা পারভীন জানান, অফিসে একটি চিঠি এসেছে বলে জানতে পেরেছি। কিন্তু কী বিষয়ে চিঠি তা জানি না।

শাবি প্রক্টরের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের যত অভিযোগ

 সিলেট ব্যুরো 
১৭ আগস্ট ২০২২, ১০:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ইশরাত ইবনে ইসমাইলের বিরুদ্ধে ফোন না ধরা ও প্রয়োজনের সময় অফিসে না পাওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। 

বুধবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক আমিনা পারভীনের কাছে একটি লিখিত আবেদনপত্রে এসব অভিযোগ করা হয়। 

আবেদনপত্রে শিক্ষার্থীদের পক্ষে উমর ফারুক, নওরীন জামান, অনিক সাজিদ আহসানসহ ছয়জন শিক্ষার্থী স্বাক্ষর করেন। 

আবেদনপত্রে তারা প্রক্টরকে ফোন দিলে ফোন না ধরা, পরবর্তীতে কল ব্যাক না করা, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সহকারী প্রক্টরদের সঙ্গে যোগাযোগ করে মিটিংয়ের সময় নেওয়া হলেও বারবার মিটিং পিছিয়ে দেওয়া, অফিসে গিয়ে না পাওয়া, প্রক্টরের কাজ ব্যতীত অন্য কাজে বেশি ব্যস্ত থাকাসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনেছেন।

আবেদনপত্রে তারা উল্লেখ করেন, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ইস্যুতে গত চার মাসে প্রক্টর মহোদয়কে অসংখ্য বার কল দিয়েছি। কিন্তু তাকে পাওয়া গেছে মাত্র ৮-৯ বার। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তিনি ফোন ধরেন না। কল না ধরলে পরবর্তীতে তিনি সে কল ব্যাক করারও প্রয়োজন বোধ করেন না। 

কয়েকবার সহকারী প্রক্টরদের সঙ্গে যোগাযোগ করে মিটিংয়ের সময় নেওয়া হলেও তিনি বারবার হয় মিটিং পিছিয়ে দিয়েছেন কিংবা উধাও হয়ে গেছেন। অন্যান্য কাজ ফেলে প্রক্টরের দেওয়া সময় অনুযায়ী অফিসে তার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে অনেকবারই তাকে পাইনি। তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে প্রায় প্রতিবারই তাকে প্রক্টর অফিসে পাওয়া যায় না।

শিক্ষার্থীরা আরও উল্লেখ করেন, প্রক্টরের দায়িত্ব ছাড়াও তিনি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালন করছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। আমরা মনে করি, দায়িত্বের ভারে তিনি ‘নুইয়ে’ পড়েছেন। মূলত একজন প্রক্টর বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলাজনিত কাজে ব্যস্ত থাকবেন, কিন্তু তিনি প্রক্টরের কাজ ব্যতীত অন্য কাজে বেশি ব্যস্ত থাকেন। আমরা মনে করি, প্রক্টরের নিজ দায়িত্ব ছাড়া অন্য কোনো মিটিং বা কাজে ব্যস্ত থাকা উচিত নয়, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম, শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয়। বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজের জন্য তাকে যথাসময়ে পাওয়া যায় না, যার ফলশ্রুতিতে শিক্ষার্থীরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক আমিনা পারভীন জানান, অফিসে একটি চিঠি এসেছে বলে জানতে পেরেছি। কিন্তু কী বিষয়ে চিঠি তা জানি না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর