এবার পাসের হার কমলেও গুণগতমান বৃদ্ধি পেয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৯ জুলাই ২০১৮, ২১:৫২ | অনলাইন সংস্করণ

শিক্ষামন্ত্রী
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী

এবার পাসের হার কম হলেও শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

তিনি বলেন, যথাযথ মান বজায় রেখে পরীক্ষার উত্তরপত্র দেখা হয়েছে। এছাড়া এবার পরীক্ষার পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ নকলমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন। এ কারণেই পাসের হার কিছুটা কম হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

এবার ছাত্রছাত্রীরা এখন অনেক বেশি পড়ালেখা করেছে উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, তাদের পড়ালেখার ব্যাপারে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিজ্ঞানের ব্যাপারে ছাত্রছাত্রীরা এখন বেশ মনোযোগী।

এবার পাসের হার কম হওয়ার কারণ জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগের পাসের হার অনেক বেশি ছিল। তখন আপনারাই (সাংবাদিকরা ও অভিভাবকরা) বলতেন আমরা (সরকার) পরীক্ষার খাতায় নম্বর বাড়িয়ে দিতে বলেছি। এ কারণেই পাসের হার বেশি! এখন আবার পাসের হার কম। আপনারাই প্রশ্ন করছেন পাসের হার কম কেন? আমরা এখন করবটা কী?

তিনি বলেন, পাসের হার কম হলেও আমাদের দোষ। বাড়লেও আমাদেরই দোষ। আমরা আসলে কখনোই কাউকে পরীক্ষার খাতায় নম্বর বাড়িয়ে কিংবা কমিয়ে দিতে বলিনি। আমরা বরাবরই শিক্ষার গুণগতমান বৃদ্ধি নিয়ে কাজ করছি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘২০১৭ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে বিজ্ঞান বিভাগে ২৪ হাজার ৫৫১ জন পরীক্ষার্থী বেশি ছিল। ১০ হাজার ৮৫৮ জন বেশি পাস করেছে। এতেই প্রমাণ করে শিক্ষার্থীরা এখন বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে বেশি আগ্রহী হচ্ছে।’

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এর আগে সকাল ১০টায় শিক্ষামন্ত্রী গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে পরীক্ষার ফলাফল তুলে দেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এ বছর মোট পাস করেছে আট লাখ ৫৮ হাজার ১০১ জন। এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৯ হাজার ২৬২ জন। গত বছর পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৯১ ভাগ। সেবার পাস করেছিল আট লাখ এক হাজার ৭১১ জন। এ বছর পাসের হার কমেছে ২ দশমিক ২৭ ভাগ। অর্থাৎ গতবারের চেয়ে এবার ৫৭ হাজার ৯০ জন কম পাস করেছে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, গত বছর জিপিএ ৫ পেয়েছিল ৩৭ হাজার ৯৬৯ জন। এ বছর জিপিএ ৫ পেয়েছে ২৯ হাজার ২৬২ জন। কমেছে আট হাজার ৭০৭ জন।

নুরুল ইসলাম নাহিদ জানান, গত বছর শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৫৩২টি। এবার সেই সংখ্যা ৪০০-তে নেমে এসেছে। অর্থাৎ শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে ১৩২টি।

অন্যদিকে এ বছর ৫৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করতে পারেনি। গত বছর এই সংখ্যাটি ছিল ৭২টি।

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter