যেভাবে গুচ্ছ পদ্ধতিতে হবে ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা
jugantor
যেভাবে গুচ্ছ পদ্ধতিতে হবে ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা

  জবি প্রতিনিধি  

১৯ ডিসেম্বর ২০২০, ১৮:০৩:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

যেভাবে গুচ্ছ পদ্ধতিতে হবে ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা

দেশের ১৯টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেবে। এই পদ্ধতিতে উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্যসূচির ওপর ভিত্তি করে প্রণীত প্রশ্নপত্র দিয়ে মানবিক, বাণিজ্য ও বিজ্ঞান তিনটি ইউনিটে গুচ্ছে সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে শনিবার সকাল ১১টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সভা কক্ষে এক মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

গুচ্ছ পদ্ধতির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান জানান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ (জবি) সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ২০১৯ ও ২০২০ সালের উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে।

তিনি বলেন, পরীক্ষায় পাশ ফেল থাকছে না, শূন্য থেকে ১০০ নম্বরপ্রাপ্তদের তালিকা দেয়া হবে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব চাহিদা অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ভর্তি করতে পারবে।

জবি উপাচার্য আরও বলেন, নিজ নিজ বিভাগ থেকে পরীক্ষার মাধ্যমেই শিক্ষার্থীরা বিভাগ পরিবর্তন করতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সেক্ষেত্রে আসন নির্ধারণ করে রাখবে। যেমন বাংলা বিভাগে ১০০ আসন থাকলে তার মধ্যে মানবিকের জন্য ৮০, বাণিজ্য ১০ ও বিজ্ঞানের জন্য ১০টি আসন থাকে। সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্দিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম নম্বর নির্ধারণ থাকতে পারে। আবেদন যোগ্যতা হিসেবে মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য এসএসসি এবং এইচএসসিতে মোট পয়েন্ট ৬, বাণিজ্যে ৬.৫ এবং বিজ্ঞানে ৭ পয়েন্ট থাকতে হবে। সব ক্ষেত্রেই উভয় পরীক্ষায় ৩ পয়েন্টের কম থাকতে পারবে না।

তিনি বলেন, পরীক্ষার মানবন্টনে মানবিক শিক্ষার্থীদের বাংলায় ৪০, ইংরেজিতে ৩৫ ও আইসিটি ২৫ নম্বরের পরীক্ষা হবে। বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টিং ২৫, বিজনেস অর্গানাইজেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট ২৫, ভাষা জ্ঞান ২৫, বাংলা ১৩, ইংরেজি ১২ ও আইসিটি ২৫ নম্বরের পরীক্ষা। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ভাষা ২০, বাংলা ১০, ইংরেজি ১০, রসায়ন ২০, পদার্থ ২০, আইসিটি/ম্যাথ/বায়োলজি এই তিনটি থেকে যে কোনো দুটিতে ২০ করে ৪০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। কমিটি ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের একটি স্কোর দেবেন। এ গুচ্ছের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজ নিজ শর্ত ও চাহিদা উল্লেখ করে শিক্ষার্থী ভর্তি বিষয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করবে। স্কোর নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থী ভর্তি করবে।

এবার গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

যেভাবে গুচ্ছ পদ্ধতিতে হবে ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা

 জবি প্রতিনিধি 
১৯ ডিসেম্বর ২০২০, ০৬:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
যেভাবে গুচ্ছ পদ্ধতিতে হবে ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা
ফাইল ছবি

দেশের ১৯টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেবে। এই পদ্ধতিতে উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্যসূচির ওপর ভিত্তি করে প্রণীত প্রশ্নপত্র দিয়ে মানবিক, বাণিজ্য ও বিজ্ঞান তিনটি ইউনিটে গুচ্ছে সরাসরি ভর্তি পরীক্ষা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে শনিবার সকাল ১১টার দিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সভা কক্ষে এক মতবিনিময় সভায়  এ সিদ্ধান্ত হয়।

গুচ্ছ পদ্ধতির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান জানান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ (জবি) সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ২০১৯ ও ২০২০ সালের উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। 

তিনি বলেন, পরীক্ষায় পাশ ফেল থাকছে না, শূন্য থেকে ১০০ নম্বরপ্রাপ্তদের তালিকা দেয়া হবে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব চাহিদা অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ভর্তি করতে পারবে।

জবি উপাচার্য আরও বলেন, নিজ নিজ বিভাগ থেকে পরীক্ষার মাধ্যমেই শিক্ষার্থীরা বিভাগ পরিবর্তন করতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সেক্ষেত্রে আসন নির্ধারণ করে রাখবে। যেমন বাংলা বিভাগে ১০০ আসন থাকলে তার মধ্যে মানবিকের জন্য ৮০, বাণিজ্য ১০ ও বিজ্ঞানের জন্য ১০টি আসন থাকে। সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্দিষ্ট বিষয়ে ন্যূনতম নম্বর নির্ধারণ থাকতে পারে।  আবেদন যোগ্যতা হিসেবে মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য এসএসসি এবং এইচএসসিতে মোট পয়েন্ট ৬, বাণিজ্যে ৬.৫ এবং বিজ্ঞানে ৭ পয়েন্ট থাকতে হবে। সব ক্ষেত্রেই উভয় পরীক্ষায় ৩ পয়েন্টের কম থাকতে পারবে না।

তিনি বলেন, পরীক্ষার মানবন্টনে মানবিক শিক্ষার্থীদের বাংলায় ৪০, ইংরেজিতে ৩৫ ও আইসিটি ২৫ নম্বরের পরীক্ষা হবে। বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টিং ২৫, বিজনেস অর্গানাইজেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট ২৫, ভাষা জ্ঞান ২৫, বাংলা ১৩, ইংরেজি ১২ ও আইসিটি ২৫ নম্বরের পরীক্ষা। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ভাষা ২০, বাংলা ১০, ইংরেজি ১০, রসায়ন ২০, পদার্থ ২০, আইসিটি/ম্যাথ/বায়োলজি এই তিনটি থেকে যে কোনো দুটিতে ২০ করে ৪০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। কমিটি ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের একটি স্কোর দেবেন। এ গুচ্ছের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজ নিজ শর্ত ও চাহিদা উল্লেখ করে শিক্ষার্থী ভর্তি বিষয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করবে। স্কোর নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থী ভর্তি করবে।

এবার গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন