ঢাবি শিক্ষার্থী হাফেজ কাওসারের যমজ শিশুদের কান্না থামাবে কে?

  যুগান্তর রিপোর্ট ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৪:৫৬ | অনলাইন সংস্করণ

ঢাবি শিক্ষার্থী হাফেজ মো. কাওসার আহমেদের ফুটফুটে যমজ সন্তান।
ঢাবি শিক্ষার্থী হাফেজ মো. কাওসার আহমেদের ফুটফুটে যমজ সন্তান। ছবি-সংগৃহীত

রাজধানীর চকবাজার এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ঢাবি শিক্ষার্থী হাফেজ মো. কাওসার আহমেদের রয়েছে দুটি ফুটফুটে যমজ ছেলে-মেয়ে।

ঘটনার খবর শুনেই মর্গে ছুটে আসেন কাওসারের দুই ভাই, মা ও স্ত্রী মুক্তা। তাদের কোলে রয়েছে ছোট্ট ফুটফুটে দুই শিশু। তারা কাওসারের যমজ ছেলে-মেয়ে। স্বজনরা ওদের মুখের দিকে তাকাতে পারছেন না। অবিরাম চোখ বেয়ে ঝরছে পানি। তাদের কান্না দেখে অবুঝ শিশু দুটিও কান্না করছেন অনবরত।

তাদের বাবা আসছে না কেন? কোথায় গেছে তাদের বাবা? কী কারণে তাদের বাবা নেই? কার কারণে তাদের বাবা হারিয়ে গেলেন? এসব প্রশ্নের উত্তর কে দিবেন দুই অবোধ শিশুকে?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ চতুর্থ বর্ষের ছাত্র মোহাম্মদ কাওসার আহমেদ খুবই মেধাবী ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় হয়েছিলেন ১৭তম।

পড়াশোনার পাশাপাশি চকবাজারে মদিনা মেডিকেল হল ক্লিনিক চালাতেন কাওসার। ঘটনার দিন ওই ক্লিনিকেই ছিলেন তিনি।

মর্গের সামনে দাঁড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে কাওসারের ভাই ইলিয়াস বলেন, ‘ও নেই জানতে পারছি। লাশ মর্গে আসছে। তবে দেখতে পাচ্ছি না, খুঁজছি।’

পেশায় দাঁতের চিকিৎসক ইলিয়াস বলেন, ‘আমি, ইয়ামীন, ফয়সাল, কাওসার-আমরা চার ভাই। কাওসার মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।’

ইলিয়াস বলেন, আগুনের সময় ক্লিনিকের ভবনের গেট বন্ধ ছিল। খোলা থাকলে হয়তো ভাইকে ফিরে পেতাম। ওই ক্লিনিকে কাওসারের সঙ্গে ছিলেন তিন দাতের চিকিৎসক ও এক রোগী।

ঘটনাপ্রবাহ : চকবাজার আগুনে মৃত্যুর মিছিল

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×