এখনও এলাকা ছাড়িস নাই, বলেই আদাবর ছাত্রলীগ সভাপতির ওপর হামলা

  মোহাম্মদপুর প্রতিনিধি ১৪ এপ্রিল ২০১৯, ১৫:২৩ | অনলাইন সংস্করণ

আদাবর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ মাহমুদ
আদাবর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ মাহমুদ। ছবি: যুগান্তর

রাজধানীর আদাবর থানা ছাত্রলীগের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে। এতে আদাবর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ মাহমুদসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

শনিবার রাত ২টার দিকে আদাবর থানা ছাত্রলীগের অফিসের সামনে ৮-১০ জন পাইপ নিয়ে হঠাৎ হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। পরে তাদের উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আদাবর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ মাহমুদ যুগান্তরকে বলেন, আমি এবং মিরাজ অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে বৈশাখের পাঞ্জাবির অপেক্ষা করছিলাম।

আমার বৈশাখের অর্ডার দেয়া পাঞ্জাবি আসতে দেরি হওয়ায় অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ দুটি মোটরসাইকেলে কয়েকজন এসে বলে এলাকা ছেড়ে দিবি। এ কথা বলে তারা চলে যায়।

এরপর কয়েক মিনিট পর ৮-১০ জন এসে বলে, তোদের না এলাকা ছাড়তে বলেছি, এখনও ছাড়িস নাই। বস বলছে তোদের এলাকা ছাড়তে। এ কথা বলেই পাইপ দিয়ে আমার চোখের কোনায় আঘাত করে।

পাইপের মাথায় চোখা কি যেন ছিল সেটি আমার চোখের কোনায় ঢুকে যায়। পরে তারা দৌড়ে চলে যায়। একটু সামনেই আদাবর ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুদ্দিন ইসলাম শুভকেও বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে।

পরে আমি আদাবর থানার ওসিকে ফোন দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসলেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। পরে আমরা হাসপাতালে চলে আসি।

আপনি কাউকে চিনতে পেরেছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওরা সবাই ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিল হাসু কমিশনারের লোক। এর আগেও আমার ওপর হামলা চালিয়েছিল হাসু কমিশনারের লোকজন।

সে সময় আমি ৭ দিন আইসিইউতে ভর্তি ছিলাম। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। হামলার সবাইকে আমি চিনি।

এদের মধ্যে ছিল শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ ইদ্রিস, রায়হান, উজ্জল, হিমেল, মধু, শাহীন, রনি ও সোহান। বাকি কয়েকজনকে আমি চিনতে পারি নাই।

তিনি আরও বলেন, ওরা কয়েকদিন পরপর আমাদের ওপর হামলা চালায়।

তবে এ বিষয়ে বারবার ওসিকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ডিউটিরত ডা. সোনালী যুগান্তরকে বলেন, তাদের অনেক রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাই সেলাই দিয়ে ব্যান্ডেজ করে দেয়া হয়েছে। কয়েকটি টেস্ট দেয়া হয়েছে।

এদিকে হাসু কমিশনারের মুঠোফোনে বারবার ফোন দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আদাবর থানার ওসি কাউসার আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, আমি বিষয়টি শুনেছি, এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত তাদেরকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।

তবে তিনি আদাবর থানা ছাত্রলীগ সভাপতির অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×